Templates by BIGtheme NET
আজ- বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২০ :: ১৩ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ১১ : ৩৯ পুর্বাহ্ন
Home / কুড়িগ্রাম / এক রাক্ষসী নদী

এক রাক্ষসী নদী

nodi vangonচিলমারী (কুড়িগ্রাম) থেকে: কোন বাধা মানে না নদী। সে তার মতোই চলে। নদী জানে না কত গ্রাম খেয়েছে সে। ভাবে না কত মানুষ পথের ভিখেরি হয়েছে। লণ্ডভণ্ড করেছে নগর-বন্দর। ব্রহ্মপুত্র এমনি এক রাক্ষসী নদীর নাম।

এ নদী কিছুদিনের মধ্যেই গিলে ফেলবে চিলমারী। এ কারণে বারবার ব্রহ্মপুত্র আঘাত করছে ডানতীর রক্ষা প্রকল্পে। চিলমারী উপজেলা ফকিরের হাট, রমনা ঘাট, বেঙ্গমারা, গুরেতিপাড়া, সুতারমারী, কাজলারপাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায় নদীভাঙনের তাণ্ডবলীলা। পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভাঙনের শিকার হয়েছে কয়েকশ’ পরিবার। অসংখ্য গাছপালা, ফসলি জমি, নদীভাঙনের শিকার মানুষগুলো বহুকষ্টে দিনাতিপাত করছে। সরজমিন গিয়ে দেখা গেছে, আবারও ব্রহ্মপুত্র ভয়ঙ্কর রূপ নিয়েছে। প্রায় ৩ কিমিজুড়ে চলছে এ ভাঙনের তাণ্ডবলীলা। ভাঙছে অবিরাম। পলকে ভাঙছে বাড়ির পর বাড়ি।

ভাঙনের শিকার শাহিন আলম (৪০) বলেন, নদীভাঙনের ফলে কয়েকবার বাড়ি সরিয়েছি। আবারও হয়তো সড়ানো লাগবে। মাইনসের জমিতে ঘর তুইলা আছি। শুধু শাহিন নয়, তার মতো ব্রহ্মপুত্র নদীর তীড়জুড়ে হাজারও মানুষের একই অবস্থা। গৃহহীন পরিবারগুলোর মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই কোথাও। নদীভাঙনের শিকার বিবিজান (৭০), রোকেয়া বেগম (৫০), মুন্নি বেগম (৩৫), আবদুর রহিম (৪৫), রমেস চন্দ্র (৪৫), দিনেস (৪৪) বলেন, বাহে কি দেখপের আইছেন হামার কষ্ট, হামরা কি অবস্থায় আছি, তার চেয়ে হামার গুলেক বস্তাত ভরি নদীতে ফেল দিয়ে যাও।

ব্যাংমারা ত্রলাকার নুরনবী (৫০) বলেন, নদীভাঙন যে রূপ নিয়েছে তা ঠেকাতে না পারলে ওয়াপদা বাঁধ, ব্রহ্মপুত্র ডানতীর রক্ষা প্রকল্পসহ চিলমারী সদর উপজেলা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। চিলমারী হারিয়ে যাবে মানচিত্র থেকে!

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful