Templates by BIGtheme NET
আজ- মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২০ :: ১২ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ৪ : ১৩ পুর্বাহ্ন
Home / টপ নিউজ / নির্মাণাধীন দ্বিতীয় তিস্তা সেতুর কাজের গতি নেই : হতাশ দুই পারের মানুষ

নির্মাণাধীন দ্বিতীয় তিস্তা সেতুর কাজের গতি নেই : হতাশ দুই পারের মানুষ

tista 2গঙ্গাচড়া (রংপুর) : দেশের তৃতীয় বৃহত্তম স্থলবন্দর বুড়িমারীসহ লালমনিরহাটের চারটি উপজেলার সাথে সারাদেশের দূরত্ব কমে আসছে। লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ ও রংপুরের গঙ্গাচড়ার মধ্যে তিস্তা নদীর উপর আরেকটি সড়ক সেতু নির্মাণের মধ্যদিয়েই কমে আসবে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরত্ব। এতে একদিকে চলাচলে যেমন সময় কমে আসবে অন্যদিকে কমবে যাতায়াত খরচ আর প্রসার ঘটবে ব্যবসা-বাণিজ্যের। কিন্তু দেশের বর্তমান পরিস্থিতি ও অর্থাভাবে গতিহীন হয়ে পড়েছে নির্মাণাধীন এই দ্বিতীয় তিস্তা সেতুর কাজ।

লালমনিরহাট স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদফতর (এলজিইডি) সূত্র জানায়, ২০১০ সালের ২২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় তিস্তা নদীর উপর গঙ্গাচড়া-কালীগঞ্জ সড়ক সেতু নির্মাণের সিদ্ধান্ত হয়। স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে বৃহত্তর রংপুর-দিনাজপুরে গ্রামীণ যোগাযোগ ও অন্যান্য অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প হিসেবে এটিকে অনুমোদন দেয়া হয়। ৮৫০ মিটার দৈর্ঘ্য মূল সেতুর নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ১৩১ কোটি টাকা। এটি নির্মাণের দায়িত্ব পেয়েছে ‘ডাবি্লউ এমসিজি-নাভানা গ্রুপ।’ এছাড়া কালীগঞ্জের কাকিনা হতে গঙ্গাচড়ার মহিপুর ঘাট পর্যন্ত প্রায় পাঁচ কিলোমিটার অ্যাপ্রোচ সংযোগ সড়কের ব্যয় ধরা হয়েছে ১৩ কোটি টাকা এবং ওই সংযোগ সড়কে তিনটি কালভার্ট ও দুটি ছোট সেতুর নির্মাণ ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ৯ কোটি টাকা। মূল সেতু ও পুরো সড়ক জুড়ে থাকছে আলোর ব্যবস্থা।

জানা যায়, উত্তর জনপদের অবহেলিত রংপুর জেলার গঙ্গাচড়ার উন্নয়ন এবং লালমনিরহাট জেলায় অবস্থিত বুড়িমারী স্থলবন্দরসহ পাটগ্রাম, হাতীবান্ধা, কালীগঞ্জ ও আদিতমারী উপজেলার সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে এলাকাবাসী দীর্ঘদিন থেকে তিস্তা নদীর উপর (কালীগঞ্জ-গঙ্গাচড়া) সেতু দাবি করে আসছিল। এর প্রেক্ষিতে গত বছর ২০ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই দ্বিতীয় তিস্তা সেতু নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন। সেতু নির্মাণে ২২ মাস সময় ধরা হলেও হঠাৎ করে কাজের গতি কমে যাওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছে সেতুর দুই পারের মানুষ।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, লালমনিরহাট স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের তত্ত্বাবধায়নে সেতুর ২২৪টি পাইল এর মধ্যে ৯৫টির কাজ শেষ হয়েছে। বর্তমান লোড টেস্ট ও বেজ কাস্টিং এর প্রস্তুতি চলছে। অপরদিকে লালমনিরহাট-বুড়িমারী আঞ্চলিক মহাসড়কের সাথে সেতুর সংযোগের জন্য পাঁচটি প্যাকেজের আওতায় নির্মাণ করা হচ্ছে ৫ কিলোমিটার অ্যাপ্রোচ সড়ক। কিন্তু বিরামহীনভাবে চলতে থাকা সেতুর কাজ হঠাৎ করে থমকে যাওয়ায় জনমনে হতাশা দেখা দেয়। সেতু সংশ্লিষ্ট এলাকার মমিনুর রহমান বলেন, বিরামহীনভাবে চলতে থাকা সেতুর কাজের গতি কমে গেছে। নির্দিষ্ট মেয়াদে এ সেতুর কাজ শেষ হবে কিনা তা নিয়ে হতাশায় ভুগছি।

এ ব্যাপারে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের ডেপুটি প্রজেক্ট ম্যানেজার প্রবীর বিশ্বাস বলেন, এ পর্যন্ত সেতুর কাজ ২৫ ভাগ শেষ হয়েছে। কিন্তু ফান্ড সমস্যা ও দেশের বর্তমান পরিস্থিতির কারণে গত কয়েকদিন ধরে কাজ কিছুটা কম হচ্ছে। এতে নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ নাও হতে পারে। একই ধরনের কথা বলেন ওই প্রতিষ্ঠানের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মকবুল হোসেন মিয়া।

লালমনিরহাট এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী খলিলুর রহমান জানান, ফান্ড সমস্যা রয়েছে। এছাড়াও সামপ্রতিক সময়ে টানা হরতালের কারণে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মালামাল সঠিক সময়ে আনতে না পারায় কাজের গতি কিছুটা কমেছে। তবে ফান্ডের জন্য চাহিদা দেয়া হয়েছে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful