Templates by BIGtheme NET
আজ- বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২০ :: ৬ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ৬ : ৩৫ অপরাহ্ন
Home / টপ নিউজ / উজানের ঢল অব্যাহত; তিস্তা বিপদ সীমার ১২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে

উজানের ঢল অব্যাহত; তিস্তা বিপদ সীমার ১২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে

tistaইনজামাম-উল-হক নির্ণয়,নীলফামারী ৭ জুলাই॥ গর্জে উঠা তিস্তায় উজানের ঢল অব্যাহত থাকায় আরও পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে রবিবার দুপুর ১২ টা থেকে তিস্তা ব্যারাজ ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপদসীমা ১২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল বলে ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী মাঈন উদ্দিন মন্ডল জানান। ফলে তিস্তা নদীতে পানি বৃদ্ধি শুরু হওয়ায় তিস্তা ব্যারাজের সব কটি গেট(৪৪টি) খুলে দেয়া হয়েছে। পানি বৃদ্ধি এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সার্বক্ষণিক ভাবে তদারকি করছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

এদিকে শুক্রবার রাত ১০ টা থেকে শুরু করে রবিবার পর্যন্ত উজানের ঢল অব্যাহত থাকায় এবং তিস্তার পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহ থাকার কারণে নীলফামারীর ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলা, পূর্বছাতনাই,খগাখড়িবাড়ি,টেপাখড়িবাড়ি, খালিশা চাঁপানী,ঝুনাগাছ চাঁপানী,গয়াবাড়ি, ,গোলমুন্ডা,ডাউয়াবাড়ি,শৌলমারী ও কৈমারী ইউনিয়নের ১৫টি চর গ্রামে বন্যার সৃষ্টি করে ১০ হাজার মানুষজন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, শনিবার তিস্তা ব্যারাজ ডালিয়া পয়েন্ট তিস্তার পানি বিপদসীমার (৫২ মিটার ৪০ সেন্টিমিটার) ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও রবিবার দুপুর ১২টা থেকে পানি আরও বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ১২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ওই সব চর গ্রামের পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে গেছে। পানির স্রোত বয়ে যাচ্ছে বাইশপুকুরচর, কিসামত ছাতনাই, ঝাড়শিঙ্গেরশ্বর, বাঘেরচর, টাবুর চর, ভেন্ডাবাড়ী, ছাতুনামা, হলদিবাড়ী, একতারচর, ভাষানীর চর, পূর্বছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, গয়াবাড়ী, খালিশাচাঁপানী, ঝুনাগাছ চাঁপানী, গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী, শৌলমারী, কৈমারীর তিস্তা অববাহিকার গ্রাম গুলোয়।

ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান একরামুল হক চৌধুরী বলেন, গত তিনদিন ধরে তিস্তার বন্যায় তার এলাকার ছাতুনামা চরের প্রায় ২ হাজার এবং ভেন্ডাবাড়ি চরে প্রায় ৩ শতাধিক মানুষ চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সরকারিভাবে এখনও কোন ত্রাণের বরাদ্দ পাওয়া যায়নি বলে তিনি অভিযোগ করেন।
ডিমলা উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) নায়মা তাবাসসুম শাহ জানান, তিস্তার উজানের ঢলের কারণে তিস্তা এলাকার চর গ্রাম গুলো প্লাবিত হবার খবর পেয়েছি। জনপ্রতিনিধিদের ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করার জন্য বলা হয়েছে। তালিকা পেলে সরকারিভাবে খয়রাতি সাহায্যের বরাদ্দ দেয়া হবে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful