Templates by BIGtheme NET
আজ- মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২০ :: ৫ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ৮ : ৩৯ অপরাহ্ন
Home / টপ নিউজ / উত্তরাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, পানিবন্দী লাখো মানুষ; ত্রাণ তৎপরতা নেই

উত্তরাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, পানিবন্দী লাখো মানুষ; ত্রাণ তৎপরতা নেই

bonnaসেন্ট্রাল ডেস্ক: উজানে প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে ধরলা, তিস্তা, ব্রহ্মপুত্রসহ সব ক’টি নদ-নদীর পানি অব্যাহতভাবে বাড়ছে। এতে উত্তরাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির হঠাৎ অবনতি ঘটেছে। লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী ও সিরাজগঞ্জের নদী তীরের এলাকাগুলো এখন বন্যার পানিতে ভাসছে।
বিস্তীর্ন এলাকা পানিতে ডুবে যাওয়ায় কয়েক লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। ফসলের জমি পানিতে ডুবে যাওয়ায় বোরো বীজতলা, পাটক্ষেত, মিষ্টি কুমড়া, মরিচ ও ভুট্টার আবাদ ব্যাপকভাবে  ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বাড়িঘরে পানি ঢুকে পড়ায় লোকজন গবাদি পশু নিয়ে রাস্তা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নিয়েছে।bonna 2
ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড় রেলপথের কুজিশহর এলাকা পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় রোববার থেকে রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।
ঠাকুরগাঁও জেলার টাঙ্গন, শুক, সেনুয়া, কুলিক ও নাগর নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে পাওয়া খবরে জানা যায়, লালমনিরহাটে তিস্তা, সানিয়াজান ও সতী নদীর পানি অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। এতে জেলার পাঁচ উপজেলার নদী তীরবর্তী প্রায় ২৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় হাতীবান্ধা উপজেলার দোয়ানীতে অবস্থিত দেশের সর্ব বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের অধিকাংশ গেট খুলে দিয়ে পানি নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে বলে জানান ব্যারাজ কর্তৃপক্ষ।
ফলে নদী সংলগ্ন আরো ২০টি গ্রাম সোমবার নতুন করে প্লাবিত হয়েছে। এ নিয়ে গত রোববার ও সোমবার দুই দিনে লালমনিরহাট জেলার ৩০ গ্রামের মানুষ পানিতে আটকা পড়ে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। তাদের অনেকে ঘরবাড়ি ছেড়ে উঁচু স্থানে চলে গেছে।
bonnaগত তিন দিনের ভারী বর্ষণে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। করতোয়া ও পাথরাজ নদীর পানিতে প্লাবিত হয়েছে নদী তীরবর্তী গ্রাম ও জমির ফসল।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র আজ সকালে জানিয়েছে, পদ্মা, যমুনা ও ব্রহ্মপুত্রসহ নদনদীর পানি বেড়েছে এবং আগামী তিনদিন পানি বাড়তে থাকবে।
তবে বেশিরভাগ নদ-নদীর পানি বিপদসীমার নিচে থাকলেও  ঠাকুরগাঁওয়ের টাঙগো নদী  আজ সকালে বিপদসীমার  ১৭০ সে.মি. ওপর দিয়ে  প্রবাহিত হয়। কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বেড়ে বিপদসীমার প্রায় ১৭ সে.মি. ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
তাছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ধরলার পানি ১০ সেন্টিমিটার ও চিলমারীঘাট পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি ৩০ সেন্টিমিটার বেড়েছে। তিস্তার পানিতে গঙ্গাচড়া, কাউনিয়া, পীরগাছা, সুন্দরগঞ্জ এলাকার চরাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছেন। তিস্তার গাইড বাঁধের ভেতরে থাকা শত শত পরিবার ঘরবাড়ি ছেড়ে বাঁধ ও সিলট্রাবে আশ্রয় নিয়েছে।
নীলফামারীতে টানা বর্ষণে ফুঁসে উঠেছে জেলার তিস্তা, বুড়িতিস্তা, ধাইজান, কুমলাই, দেওনাই, চাড়ালকাটা, বুড়িখোড়া, ধুম নাওতারা, যমুনেশ্বরীসহ খাল-বিল। এতে নদীর তীরবর্তী এলাকার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful