Templates by BIGtheme NET
আজ- শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২০ :: ৮ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ৬ : ০৭ পুর্বাহ্ন
Home / নীলফামারী / নীলফামারীতে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি; পানি বিপদ সীমার ২৫ সেন্টিমিটার উপরে

নীলফামারীতে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি; পানি বিপদ সীমার ২৫ সেন্টিমিটার উপরে

bonna 3ইনজামাম-উল-হক নির্ণয়,নীলফামারী ৯ জুলাই॥ উজানের ঢল অব্যাহত থাকায় নীলফামারী জেলায় তিস্তা নদীর বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। তিস্তা নদীর পানি মঙ্গলবার বেলা ১২টায় ডিমলা উপজেলার ডালিয়ায় অবস্থিত তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে বিপদসীমার ২৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তিস্তা ব্যারাজের সব কটি জলকপাট (৪৪টি) খুলে দেয়া হয়েছে। গত দুইদিনে ডালিয়ায় ২২৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকড করা হয়।
উজানের ঢল অব্যাহত থাকায় নীলফামারীর ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার, পূর্বছাতনাই,খগাখড়িবাড়ি,টেপাখড়িবাড়ি, খালিশা চাঁপানী,ঝুনাগাছ চাঁপানী,গয়াবাড়ি, ,গোলমুন্ডা,ডাউয়াবাড়ি,শৌলমারী ও কৈমারী ইউনিয়নের প্রায় ২১ টি গ্রামের ২০ সহ¯্রাধীক মানুষজন বন্যাকবলিত হয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন।
বন্যাকবলিত গ্রামগুলোর মদ্যে রয়েছে বাইশপুকুর, কিসামত ছাতনাই,পুর্বছাতনাই ,ছাতনাই ঝাড়শিঙ্গেরশ্বর, বাঘেরচর, টাবুর চর, ভেন্ডাবাড়ী, ছাতুনামা, হলদিবাড়ী, একতারচর, ভাষানীর চর, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, গয়াবাড়ী, খালিশাচাঁপানী, ঝুনাগাছ চাঁপানী, গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী, শৌলমারী, কৈমারীর।
ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান একরামুল হক চৌধুরী বলেন, গত ৫দিন ধরে তিস্তার বন্যা অব্যহত রয়েছে, মঙ্গলবার পানি আরো বৃদ্ধি পাওয়ায় মানুষজন আতংক গ্রস্থ হয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধান করছে। ছাতুনামা এবং ভেন্ডাবাড়ি চরে প্রায় ৪ সহ¯্রাধীক মানুষ মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোর জন্য এখনো সরকারিভাবে কোন বরাদ্দ পাওয়া যায়নি।
ডিমলা উপজেলার পুর্বছাতনাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ খান বলেন, গত ৪ দিনের তুলনায় সোমবার রাত থেকে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি আশংকাজনক ভাবে বাড়ছে। অব্যহত পানি বৃদ্ধির কারনে তিস্তা পারের মানুষজন আতংকিত হয়ে পড়েছে। তিনি বলেন তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধির পাশাপাশি গত রাত থেকে শুরু হওয়া ভারী বর্ষনের কারনে ইউনিয়নের প্রায় প্রতিটি গ্রামের বিস্তির্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ্যদের বিষয়ে সোমবার উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করা হলেও মঙ্গলবার বেলা ৩টা পর্যন্ত কোন ত্রানসামগ্রী পাওয়া যায়নি।
ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু রাফা মোঃ আরিফ বলেন, তিস্তা নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।সে কারনে কিছু মানুষ পানি বন্দি হয়েছে। এখনো তেমন কোন ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। আমরা পানি বন্দি মানুষজনের তালিকা সংগ্রহ করছি। এরই মধ্যে জেলা প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে বন্যাকবলিত পরিবারগুলোর মধ্যে তা বিতরণ করা হবে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডালিয়ায় অবস্থিত বন্যা পুর্বাভাস ও সতর্কী করণ কেন্দ্র সুত্র মতে মঙ্গলবার তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি সকাল ৯টায় ৫২ দশমিক ৫৫ সেন্টিমিটার থেকে দুপুর ১২টায় তা বৃদ্ধি পেয়ে ৫২ দশমিক ৬৫ সেন্টিমিটার এবং বিকেল ৩টায় ৫২ দশমিক ৬৫সেন্টিমিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। ( বিপদসীমা ৫২ দশমিক ৪০ সেন্টিমিটার)।
পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া ডিভিশনের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী মাঈন উদ্দিন মন্ডল বলেন, গত শুক্রবার থেকে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার মধ্যে উঠানামা করছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যারেজের সবকটি (৪৪টি) জলকপাট(স্লুইচগেট) খুলে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন সোমবার ও মঙ্গলবার ডালিয়া পয়েন্টে সর্বমোট ২২৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকড করা হয়েছে।
অপর দিকে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সুত্র মতে গত ২ দিনে জেলা শহরে ১২৫ দশমিক ৮২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকড করা হয়েছে।এ দিকে অবিরাম বর্ষন ও পাহাড়ি ঢলের কারনে জেলার সব নদ নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful