Templates by BIGtheme NET
আজ- শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২০ :: ১৬ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ১০ : ৩৫ অপরাহ্ন
Home / লালমনিরহাট / পানিতে ভাসছে পাটগ্রাম ও হাতিবান্ধা

পানিতে ভাসছে পাটগ্রাম ও হাতিবান্ধা

LALMONIRHAT-09.07.13 NEWS -1 P C (2)সাফিউল ইসলাম সাফি, পাটগ্রাম (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি: ভবদহের জলাবদ্ধতাকেও যেন হার মানিয়েছে পাটগ্রাম পৌর এলাকার জলাবদ্ধতা।’৯৯ প্রতিষ্টিত এ পৌরসভার বর্ষা মৌসুমের চিরচেনা রূপ ফুটে উঠেছে ’১৩ তে এসে। প্রতিষ্টা পরবর্তী দীর্ঘ একযুগ পেরিয়ে গেলেও আধুনিক সুযোগ সুবিধাতো মেলেইনি, উপরন্তু নূন্যতম নাগরিক সেবাটুকু পাননি পাটগ্রাম পৌরএলাকা।
প্রতি ঘন্টায় লোডসেডিং,ভটভটি নসিমন-করিমনের কালো ধোওয়া, সুষ্ঠু মনিটরিং এর অভাবে বাজারে বিষযুক্ত পঁচা- বাসী খাবার, ফরমালিনযুক্ত ফল, মাছ ও সবজি, অল্প বৃষ্টিতে পঁচা প্যাক, উপচেপড়া ড্রেনের নোংরা পানি পৌরবাসীর নিত্য দিনের সঙ্গি। গত তিন দিনের প্রবল বর্ষনে জল থই থই যেন পৌরবাসী।
সরজমিনে দেখা গেছে, পৌর কাঁচাবাজার,ধরলা তীরবর্তী সোহাগপুর এলাকা, ৮নং ওয়ার্ড স্টেশন পাড়া, কলেজ বাইপাস এলাকা, বাইপাস মোড় এলাকা, উত্তর ও দনি কোটতলী, পোষ্টঅফিসপাড়া, মাজারের ডাংগা,মীর্জারকোট এলাকার পাকা অর্ধপাকাও কাঁচাবাড়ীর উঠোন ভর্তি পানি। খোলা ড্রেনের দুর্গন্ধযুক্ত আবর্জনা নিয়ে ভেসে আসা পানিতে চলাচল করতে হচ্ছে পৌরবাসীকে । সেবাহীন এ পৌরসভায় কড়ায় গন্ডায় আদায় করা হয় পৌরকর।
এনিয়ে কথা বললে নাম প্রকাশ না করার শর্তে অনেকেই জানান, আমাদের দেওয়া পৌরকর দিয়ে রাজস্ব বাড়িয়ে পুরষ্কিত হন পাটগ্রাম পৌর মেয়র। সুযোগ পান বিদেশ ভ্রমনের কিন্তু আদৌ ভাবেন না আমাদের কথা। নাগরিক কমিটির ব্যানারে মেয়র নির্বাচিত হয়ে এখন তিনি সক্রিয় আওয়ামীলীগ নেতা। পাটগ্রাম পৌর এলাকার নাগরিক পাটগ্রাম আদর্শ কলেজের সহকারী অধ্যাপক তোফাজ্জল হোসেন সাজু জানান, নামে প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হলেও এখানে নেই কোন ডাষ্টবিন, ড্রেনেজ সিষ্টেম আছে শুধু করের বোঝা। এসব সমস্যা নিয়ে পৌর মেয়র শমশের আলীর সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগ করতে চাইলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আজিজুল হক দুলাল এসব সমস্যা বিষয়ে জানান, সমস্যা আছে সমাধানের চেষ্টা চলছে।

এদিকে আমাদের হাতিবান্ধা সংবাদদাতা জানিয়েছে, গত দু দিনের ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে ভারতীয় ঢলের পানি নেমে আসা দেশের উত্তরের জেলা লালমনিরহাটের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে বন্যা পরিন্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এসব এলাকার লাধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। ভারী বর্ষণ ও ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে লালমনিরহাটে তিস্তা সানিয়াজান ও সতী নদীর পানি অস্বাভাবিকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে হাতীবান্ধা উপজেলার নদী তীরবর্তী এলাকাগুলোতে বন্যা পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। পানিবন্দী পরিবারগুলোর মাঝে বিশুদ্ধ পানি ও খাবার সংকট দেখা দিয়েছে। গত দুই দিনের বৃষ্টির পাশাপাশি তিস্তা সানিয়াজান ও সতী নদীর পানিতে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার দেশের বহুল আলোচিত দহগ্রাম আঙ্গোরপোতায় গত ৩ দিনের আকস্মিক ভারি বৃষ্টি ও ভারতের সিকিম রাজ্য থেকে তিস্তা অববাহিকার নেমে আসা প্রবাহে বন্দি হয়ে পড়েছে হাজার হাজার মানুষ।

সরজমিনে দেখা গেছে, দহগ্রাম আঙ্গোরপোতার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া প্রমত্তা তিস্তার দুকূল প্লাবিত হয়ে পানি ডুকে পড়েছে লোকালয়ে। লোকালয়গুলো ঘিরে শুধু পানি আর পানি। গবাদিপশু থেকে মানুষ সবাই ঠাঁই দাঁড়িয়ে আছে পানির উপর।
হাতীবান্ধা উপজেলার সানিয়াজান, ফকিরপাড়া, গড্ডিমারী দোয়ানী, ছয়আনী, সিংঙ্গীমারী ,ধুবনী, সিন্দুর্না, পাটিকাপাড়া, ডাউয়াবাড়ী, নদীর তীরবর্তী প্রায় ২৫ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে এসব এলাকার প্রায় ২০ হাজার মানুষ তিন দিন ধরে পানিবন্দী হয়ে পড়ছে। উত্তর ধুবনীর মোস্তাফা,আঃ মালেক,নবীন চন্দ্র তিন দিন ধরে পানী বন্দী হয়ে পড়ছে। এখন পর্যন্ত কোন সরকারী সাহায্য আসেনি।
তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়া হাতীবান্ধা উপজেলার দোয়ানীতে অবস্থিত দেশের সর্ব বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের অধিকাংশ গেট খুলে দিয়ে পানি নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে বলে জানান ব্যারাজ কর্তৃপক্ষ।
হাতীবান্ধা প্রকল্প বাস্তাবায়ন অফিসার উত্তম কুমার নন্দী জানায় উর্ধ্বতন কতৃকপক্ষের কাছে সাহায্যর আবেদন করা হয়েছে আসলে আমরা দ্রুত বন্যাত পরিবারকে পৌঁছাব। লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের মাধ্যমে তিনি বন্যা পরিস্থিতি’র খোজঁ খবর নিচ্ছেন। ত্রাণের জন্য উচ্চ পর্য়ায়ে অবগত করা হয়েছে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful