Templates by BIGtheme NET
আজ- মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২০ :: ১২ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ১১ : ৫৭ পুর্বাহ্ন
Home / গাইবান্ধা / কেমন আছে চাতাল কন্যারা?

কেমন আছে চাতাল কন্যারা?

chatalমোঃ ছাদেকুল ইসলাম রুবেল, পলাশবাড়ী, গাইবান্ধা: গাইবান্ধা জেলায় বর্তমানে মিল চাতাল রয়েছে ২২৬টি। তার মধ্যে প্রায় ৭০টি মিল চাতাল ইতিমধ্যেই বন্ধ হয়ে গেছে। বাকি মিল চাতালগুলোতে কাজ একেবারেই কমে গেছে। ফলে এই সব চাতালে নিয়মিত শ্রম দেয়া চাতাল কন্যাদের ঈদের খুশি এবার থাকছে না।

অনুসন্ধান করে জানা গেছে, ধানের চাতাল খ্যাত জেলার অন্যতম উপজেলা গোবিন্দগঞ্জ মিল চাতালের ব্যবসা এক সময় জমজমাট ভাবে চলতো। মাত্র ৩-৪ বছর আগেও অত্র এলাকার ব্যবসায়ীদের মধ্যে আগ্রহ ছিল মিল চাতাল ব্যবসার মধ্যে। ৩-৪ বছরের ব্যবধানে এলাকার প্রায় ৭০/৮০টি মিল চাতাল বন্ধ হয়ে গেছে। যে মিল চাতালগুলো চালু আছে সেগুলোতেও পর্যাপ্ত উৎপাদন হচ্ছে না। এসব মিল চাতালে নারী শ্রমিকরাই বেশি কাজ করে থাকে। ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নারী শ্রমিকরা শ্রম দিলেও মজুরি পায় মাত্র ৮০-৯০ টাকা। তবুও কাজের অভাবে এলাকার নারী শ্রমিকরা মিল চাতালগুলোতে তাদের শ্রম বিক্রয় করে থাকে। অনেক মিল চাতালে চুক্তিভিত্তিক শ্রম বিনিময় হয়ে থাকে। অর্থাৎ ধান হাউজে ভিজানো থেকে শুরু করে ধান ভাঙিয়ে চালে পরিণত করা পর্যন্ত মনপ্রতি একটি নির্দিষ্ট রেটে অনেক মিলে শ্রমিকদের কাজ করানো হয়। ক্ষেত্রে বিরূপ আবহাওয়ার জন্য কাজে ব্যাঘাত ঘটে বিধায় দৈনিক শ্রম বিক্রিতেই শ্রমিকরা বেশি ঝুঁকে পড়ে।

এবার গোবিন্দগঞ্জ এলাকায় মিল চাতালগুলোতে রমজান শুরুর আগের থেকেই ধানের আমদানি কম হওয়ায় শ্রমিকদের কাজ কমে যায় । ফলে দৈনিক কাজ না পেয়ে শ্রমিকরা সপ্তাহে ২-৩ দিন কাজ করছে । এতে তাদের আয় অনেক কমে গেছে । রমজান মাসে এমনিতেই দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পায় ও খরচ বেশি হয়। কাজ কমে যাওয়ার জন্য আয় কম হওয়ায় রমজানের খরচ চালাতেই চাতাল কন্যারা হিমশিম খাচ্ছে । সামনে ঈদের খুশি তাদের কাছে খুশি হয়ে আসছে না। পরিবারের সন্তানদের নতুন জামা কাপড় দেয়া তো দূরের কথা তাদের মুখে এক চামচ মিষ্টি সেমাই তুলে দিতে পারবে কি না সে আশঙ্কা নারী শ্রমিকদের মাঝে এখন থেকেই দেখা দিয়েছে।

চাতাল মালিকরা জানান, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ মহিমাগঞ্জ অঞ্চলের চাতাল শ্রমিকদের বর্তমানে চরম দুঃসময় যাচ্ছে। চাতালগুলোতে কাজ কমে যাওয়ায় ও নারী শ্রমিকদের ন্যায্য পারিশ্রমিক না দেয়ায় পরিবারগুলোর কোন ভাগ্যের পরিবর্তন হচ্ছে না । এবার ঈদে ওইসব অঞ্চলের বেশির ভাগ চাতাল শ্রমিকদের বাড়িতে ঈদের খুশি থাকছে না ।

চাতাল শ্রমিকরা আক্ষেপ করে জানান, সারা বছর খেয়ে না খেয়ে দিন কাটলেও সে সব মনে থাকে না। কিন্তু বছরের একটি খুশির দিনে ছেলে মেয়েদের মুখে খুশি না দেখলে বুকটা ফেটে যায়। এবার রমজানের আগের থেকেই চাতালগুলোতে কাজ কমে যাওয়ায় আমাদের পরিবারে অভাব যেন আরও জেঁকে বসেছে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful