Templates by BIGtheme NET
আজ- বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২০ :: ১৩ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ৬ : ৩৩ পুর্বাহ্ন
Home / গাইবান্ধা / ফুলছড়িতে এক দশকে নদী ভাঙ্গনের শিকার ২০টি বিদ্যালয়

ফুলছড়িতে এক দশকে নদী ভাঙ্গনের শিকার ২০টি বিদ্যালয়

5555মোঃ ছাদেকুল ইসলাম রুবেল, পলাশবাড়ী, গাইবান্ধা: ব্রহ্মপুত্র নদীর ভাঙনে বারবার স্থানান্তরের কারণে গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার চরাঞ্চলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর হাজার হাজার শিশু শিার্থীর শিাজীবন ব্যাহত হচ্ছে। এক দশকে চরাঞ্চলে ভাঙনের শিকার হয়েছে ২০টি বিদ্যালয়। চলতি বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই ৪টি বিদ্যালয় ভাঙনের সম্মুখিন হয়ে পড়ায় স্থানান্তর করা হয়েছে।

জানা গেছে, গত এক দশকে উপজেলার ফজলুপুর, এরেন্ডবাড়ি, ফুলছড়ি, গজারিয়া, উদাখালী ইউনিয়নের ২০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন ব্র‏হ্মপুত্র ও যমুনা নদীর ভাঙ্গনে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। নদীগর্ভে বিলীন হওয়া পাকা বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে বেশ কয়েকটি ছিল দ্বিতল ভবন।

ভাঙনের শিকার প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে সর্দারের চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ফুলছড়ি ২নং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, কালাসোনা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, নিশ্চিতপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাঘবাড়ি রেজি: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সিংড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দণি কৃষ্ণমনি রেজি: বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জিয়াডাঙ্গা রেজি: বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাড়ইকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হেলেঞ্চা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, দণি কাবিলপুর রেজিঃ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চর কৃষ্ণমণি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ধলিপাটা ধোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম জিগাবাড়ী সরকারী প্রাথমিক, ঘাটুয়া রেজিঃ বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যায়ল, হাড়ডাঙ্গা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, রসুলপুর সরকারী প্রাথমিক, ছাতারকান্দি সরকারী প্রাথমিক ও চিকির পটল রহমানিয়া দাখিল মাদ্রাসা।

বিলীন হয়ে যাওয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোর প্রায় সাড়ে ১০ হাজার শিশু শিক্ষার্থী বর্তমানে টিনের চালাঘরে কাস করছে। স্কুলের পাশাপাশি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে অনেক পরিবারের বসতবাড়ি। ভাঙন কবলিত পরিবারগুলোর অনেক শিশু শিার্থী তাদের পরিবারের সাথে অন্যত্র চলে যাওয়ায় বিদ্যালয়গুলোতে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যাও কমে গেছে। ফুলছড়ি উপজেলার ফজলুপুর, ফুলছড়ি ও এরেন্ডাবাড়ি ইউনিয়ন সমতল ভূমি থেকে ব্র‏হ্মপুত্র নদী দ্ধারা একেবারেই বিচ্ছিন্ন। আংশিক বিচ্ছিন্ন হয়েছে কঞ্চিপাড়া, উড়িয়া ও গজারিয়া ইউনিয়ন।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, নদী ভাঙন কবলিত এসব চরে বসবাস করছে প্রায় ৮০ হাজার মানুষ। স্কুল গমনোপযোগী ৬ থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুর সংখ্যা রয়েছে প্রায় ১১ হাজার। ওইসব এলাকায় ছোট-বড় ৬০টি গ্রামে ৪৫টি সরকারি-বেসরকারি রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে সরকারি ২৫টি এবং বেসরকারি রেজিস্টার্ড বিদ্যালয় ২০টি।

ফুলছড়ির শিাব্রতী শফি আলম জানান, ভাঙনের কারণে একই এলাকায় দু’টি স্কুল স্থাপন করায় ছাত্রছাত্রীরা ভাগাভাগি হয়ে ওই দুই বিদ্যালয়ে গিয়ে ভর্তি হয়। ফলে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা সর্বনিম্ন পর্যায়ে এসে ঠেকেছে। জানা গেছে, এরেন্ডাবাড়ী ইউনিয়নের ধলিপাটাধোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিার্থী কমে যাওয়ায় প্রতিবছর প্রাথমিক শিা সমাপনী পরীক্ষায় ২-৫জন শিার্থী অংশগ্রহন করছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু বকর সিদ্দিক বলেন, নদী সন্নিহিত কোন স্কুল ভেঙ্গে গেলে ভাঙ্গন স্থলের আশেপাশে সুবিধামত স্থানে টিনের ঘর বানিয়ে হলেও বিকল্প কাস চালু রাখা হয়।

ফুলছড়ি উপজেলা নিবাহী অফিসার মেহেদী-উল-সহিদ জানান, এ জনপদের নদী ভাঙ্গন খুবই অপ্রতিরোধ্য ব্যাপার। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি প্রাথমিক বিদ্যালয় নদী গর্ভে নিশ্চিহ্ন হয়েছ্। তবে বিভিন্ন চরে ও ব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তী স্থাপনা সমূহে দ্বিতল ভবন নির্মাণ না করে ভাঙ্গন প্রবণ এলাকার জন্য সরকার নির্ধারিত দ্রত স্থানান্তরযোগ্য টিনশেড মডেলের বিদ্যালয় ঘর নির্মাণ করলে একদিকে যেমন সরকারী সম্পদের সাশ্রয় হবে অপরদিকে দ্রত সময়ের মধ্যে স্বল্প খরচে বিভিন্ন চর এলাকায় একাধিক প্রাথমিক বিদ্যালয় দ্রত নির্মাণ সম্ভব বলে তিনি জানান।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful