Templates by BIGtheme NET
আজ- বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২০ :: ৭ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ৬ : ৫৭ পুর্বাহ্ন
Home / টপ নিউজ / ক্যাটরিনা, কারিনা, সানিয়া, ঝিলিক, মানভী, বিপাশার পিছনে ছুটছে রংপুরের তরুণীরা

ক্যাটরিনা, কারিনা, সানিয়া, ঝিলিক, মানভী, বিপাশার পিছনে ছুটছে রংপুরের তরুণীরা

shopingস্টাফ রিপোর্টার: তরুণীরা সবসময়ই ফ্যাশনপ্রিয়। ঈদের কেনাকাটায় তাই তরুণীদের নতুন ডিজাইনের পোশাকের প্রতি আগ্রহটাই বেশি। তাদের পছন্দকে মাথায় রেখে প্রতিষ্ঠানগুলোও নতুন নতুন ডিজাইনের পোশাক সাজিয়েছে। আর তাড়াতাড়ি পছন্দের নতুন পোশাক কিনে ফেলতে তরুণীরা এ মার্কেট থেকে ও মার্কেট ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

রমজানের শুরুর দিকে রংপুরে ঈদবাজার জমে না উঠলেও মধ্য রমজানের পর থেকে মার্কেট, শপিংমলগুলোতে ক্রেতাদের সরব উপস্থিতি ও কেনাকাটায় সরগরম হয়ে উঠেছে। তবে ক্রেতাদের মধ্যে তরুণীদের ভিড়ই বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

ঈদবাজারে পোশাকের রঙ আর নাম নিয়ে তরুণীদের সবসময়ই একটা আগ্রহ থাকে। তাই ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে রয়েছে বাহারি নামের পোশাক। এসব পোশাকে ব্যবহার করা হচ্ছে ভারতীয় নায়িকা এবং বিভিন্ন হিন্দি সিরিয়ালের নাম। ক্রেতাদের আকর্ষণ করতেই এমন নাম ব্যবহার করা হচ্ছে বলে জানালেন খোদ বিক্রেতারাই।

পোশাকের নাম দেওয়া প্রসঙ্গে জেলা পরিষদ সুপার মার্কেটের তৈরী পোশাক বিক্রেতা সাহেদ আলম জানান, দোকানে শাড়ি বা কামিজের যে নামগুলো দেওয়া হয়, এর বেশির ভাগই আমাদের দেশের ব্যবসায়ীরা দিয়ে থাকেন। ক্রেতাদের মন ভোলানোর জন্যই এসব নাম ব্যবহার করা হয়।

বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত ঈদে ‘মুন্নি’, ‘মাসাককালি’ এবং ‘শিলা কি জাওয়ানী’ নামের পোশাকগুলো বিক্রি হয়েছিলো বেশি। তবে এবার ভারতীয় সিনেমার নায়িকাদের নামের নতুন পোশাক এনেছেন তারা। সেগুলো বাজারে প্রভাব রাখছে ব্যাপকভাবে।3 pice 2

এবারের ঈদে খুশি, ঝিলিক, মানভী, আনার-কলি, আশিকি-টু, ক্যাটরিনা, কারিনা, বিপাশা ইত্যাদি নামের পোশাকের চাহিদা বেশি দেখা যাচ্ছে। তবে এতো পোশাকের মধ্যেও পুরনো মাসাককালির জনপ্রিয়তা এখনো রয়েছে। পোশাকের ডিজাইনে খুব বেশি হেরফের না থাকলেও শুধু সিরিয়ালের জনপ্রিয়তায় প্রভাবিত হয়ে তরুণীরা ছুটছেন এসব নামের পোশাকের দিকে।

নগরীর বিভিন্ন মার্কেট ও বিপণীবিতান ঘুরে দেখা গেছে। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও তরুণীদের কাছে ভারতের জনপ্রিয় নায়িকাদের নামের পোশাক প্রাধান্য পাচ্ছে।

এ সম্পর্কে জাহাজ কোম্পানী সপিং মলের সঞ্চিতা ফ্যাশনের কর্ণধার কাকন বলেন, ভারতীয় সিনেমা আমাদের দেশে জনপ্রিয় হওয়ায় বিক্রেতারা এসব সিনেমার নায়ক-নায়িকার নাম ব্যবহার করে ক্রেতাদের আকৃষ্ট করেন। আর এসব নাম দেখে ক্রেতারাও পোশাক কেনেন বলে তিনি জানান।

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলাপকালে জানা যায়, ঈদবাজারে এবার তরুণীরা নতুন ফ্যাশনের লং থ্রি-পিসই বেশি কিনছেন।

এছাড়া খুশী, ঝিলিক, মানভী, আনার-কলি, আশিকি-টু, ক্যাটরিনা, কারিনা, বিপাশা, কারচুপি, বৃন্দা, রেবো, আকসার, গজনি, সেনোরিটা, রুমালকাট, আনারকলি, সানিয়া মির্জা, চেইন কোপ্পা, অপেরা নেট, লজ্জাপতি, মুনসিকাতান, গ্রাউন্ট প্রভৃতি নামের বিভিন্ন বিদেশি ব্রান্ডের থ্রি-পিসেরও চাহিদা রয়েছে। এসব পোশাকের দাম ৫৫০ টাকা থেকে ৩০ হাজার টাকার মধ্যে।

নগরীর জেলা পরিষদ সুপার মার্কেট, জেলা পরিষদ কমউনিটি সুপার মার্কেট, জাহাজ কোম্পানী শপিং মল, গোল্ডেন টাওয়ার, ছালেক মার্কেট, জামাল মার্কেট সহ বিভিন্ন বিপণী বিতান ঘুরে দেখা গেছে, সকাল থেকেই তরুণীরা দল বেধে ঈদের কেনাকাটা করতে আসতে শুরু করেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের সংখ্যাও বাড়তে থাকে। দুপুর থেকে শুরু করে ইফতারির সময়টা বাদ দিয়ে রাত অবধি কেনাকাটা চলছে। এবার ঈদের কেনাকাটায় পোশাকের মূল্য বৃদ্ধিতে অনেক ক্রেতাকেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। ফলে সাধ্যের মধ্যে পছন্দের পোশাক কিনতে ঘুরতে হচ্ছে এ দোকান থেকে ও দোকানে।

3 piceঈদের কেনাকাটা করতে আসা কারমাইকেল কলেজছাত্রী সুলতানা জানান, সব জিনিসেরই দাম চড়া। তাই বিভিন্ন দোকানে দরদাম করে কেনাকাটা করতে হচ্ছে।

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী নওরিন বলেন, পছন্দের কেনাকাটা করতে মার্কেটে এলাম। তবে এবার দাম কিছুটা বেশি হওয়ায় সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। তারপরও ঈদ বলে কথা, দাম যতই হোক, পছন্দের পোশাক তো কিনতেই হয়।

এদিকে, বাড়তি পোশাকের দাম অভিযোগ স্বীকার করে বিক্রেতারা বলছেন, এবার খরচ বাড়ার কারণে কাপড়ে দাম বেড়েছে। তবে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি দাম ক্রেতাদের সাধ্যের মধ্যে রাখতে।

এছাড়া তরুণীদের পছন্দের তালিকায় শাড়িও রয়েছে। শাড়ির মধ্যে এবার লেহেঙ্গা, বেনারশি কাতান, সাউথ কাতান, জর্জেট কাতান, অপারা কাতান, কারচুপি কাজের কাতান, মহিশ্বরী সিল্ক, ব্যাঙ্গালোর সিল্ক, জামদানির কাজের কাতান, তাঁতের শাড়ি, হেন্ডিবুটিক শাড়ি, কেটালক ডিজাইনের শাড়ি এগিয়ে রয়েছে। আর এসব শাড়ি বিক্রি হচ্ছে, ২ হাজার ৫শ’ টাকা থেকে ৭৫ হাজার টাকা পর্যন্ত।

নগরীর সুপার মার্কেটের মায়া শাড়ি ঘরের বিক্রয় কর্মী বলেন, ক্রেতারা তাদের পছন্দের শাড়ি কিনতে দোকানে আসছেন। এর কারণে বিক্রি ভালোই হচ্ছে। এছাড়া ঈদ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে ক্রেতা সমাগম আরো বাড়বে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful