Templates by BIGtheme NET
আজ- বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২০ :: ১৩ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ৮ : ৪৭ অপরাহ্ন
Home / টপ নিউজ / ঈদের আনন্দ নেই বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৭৪ শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীর

ঈদের আনন্দ নেই বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৭৪ শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীর

bru bস্টাফ রিপোর্টার: অনুমোদিত পদের চেয়ে দ্বিগুন লোক নিয়োগের কারণে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৭৪ শিক্ষক কর্মকর্তা-কর্মচারীর পরিবার এবার ঈদের আন্দন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সদ্য অব্যহতি পাওয়া ভিসি পদের চেয়ে নিয়ম বহির্ভূতভাবে দ্বিগুন লোক নিয়োগ দেয়ায় অর্থ সংকটে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। ফলে গেল তিন মাসের বেতন দিতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে বৈধ অবৈধ নিয়োগ প্রাপ্ত শিক্ষক কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে।

এদিকে, বকেয়া বেতন ভাতা প্রদানসহ সাত দফা দাবীতে শিক্ষকদের একাংশের সংগঠন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ ক্লাস পরীক্ষা বর্জন এবং সর্বশেষ শুক্রবার সকালে সংবাদ সম্মেলন করে নতুন করে আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছে। ওই আন্দোলনের অংশ হিসাবে শনিবার সকালে এক ঘণ্টা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান ধর্মঘট পালন করবে।

ঈদের আগে যদি তাদের বকেয়া সমুহ পরিশোধ করা না হয় তবে ঈদের পর লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ারও ঘোষণা দেওয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, সংগঠনের আহবায়ক অধ্যাপক ড. সরিফা সালোয়া ডিনা।

অপরদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মিলিত শিক্ষক সমাজ সেই আন্দোলন প্রত্যাখান করে ক্লাস ও পরীক্ষা নিয়মিত অব্যাহত রেখেছে। তারা বলেছে ওই পক্ষের কোন আন্দোলনেই তারা সায় দেবে না।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ দাবী করছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী বর্তমান অবকাঠামো ও দপ্তর অনুপাতে শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী মিলে প্রায় এক হাজার লোকবল দরকার। সেখানে কর্মরত আছেন ছয়শ’র কিছু বেশি।

২০২৫ সাল পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের যে অর্গানোগ্রাম করা আছে সে অনুযায়ী ২০১৩ সালের মধ্যে ২১টি বিভাগের প্রায় সাড়ে চার হাজার শিক্ষার্থীর জন্য শিক্ষক প্রয়োজন ২৬৩ জন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সবগুলো বিভাগ, হল, লাইব্রেরী, ইনস্টিটিউট ও বিভিন্ন দপ্তর মিলে কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রয়োজন সাত শতাধিক। বাস্তবে যার চেয়ে অনেক কম লোকবল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীর এতগুলো পদের বিপরীতে ইউজিসির আর্থিক অনুমোদিত পদের সংখ্যা মাত্র ২৬০টি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুরি কমিশন সূত্র জানিয়েছে, অনুমোদিত ২৬০ পদের বিপরীতে আরো ৪১৪ শিক্ষক কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ দেয়া হয়। ২০১৩ সালের জুন পর্যন্ত যে আর্থিক বাজেট দেয়া হয়েছে তা দিয়ে অতিরিক্ত জনবল নিয়োগ দেয়ায় শেষ হয়েছে। নুতন করে ফান্ড না থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন দেয়া সম্ভব হচ্ছে না।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের সদস্য সচিব ড. গাজী মাজহারুল আনোয়ার বলেন, ‘তিন মাস বেতন বন্ধ থাকার পরেও ঈদের আগে বকেয়াসহ বোনাস পরিশোধ না করে কর্তৃপক্ষ খুবই অমানবিক আচরণ করছেন। তাই আমরা আন্দোলনে যেতে বাধ্য হয়েছি। এর মধ্যে যদি সমস্যার সমাধান না হয় তাহলে ঈদের পর কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবো।

তিনি আরো বলেন, বেতন না পেয়ে শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মানবেতর জীবন যাপন করলেও এ সমস্যা সমাধানের বিষয়ে উপাচার্য যথাযথ পদক্ষেপ নিচ্ছেন না।

সংবাদ সম্মেলনে আরো অভিযোগ করা হয়, দেশের অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অর্থ সংকটে পড়লে অন্য খাত থেকে ধার করে সংকট মোকাবেলা করা হয়ে থাকে। কিন্তু বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্যকে এমন পরামর্শ দেওয়া হলেও তাতে তিনি কর্ণপাত করেননি। এমনকি এই সংকট মেটানোর জন্য বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) দুই কোটি টাকা ধার হিসেবে দেওয়ার জন্য রাজি থাকলেও উপাচার্য সেই অর্থ গ্রহণ করতে রাজি হননি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অপরপক্ষের সংগঠন সম্মিলিত শিক্ষক সমাজের কর্ণধার ড.তুহিন ওয়াদুদ বলেন, বেতন ভাতা সবার প্রয়োজন। তবে শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে এবং ক্লাস পরীক্ষা বর্জন করে সে আন্দোলন আমরা সমর্থন করি না। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্ধেক বিভাগে নিয়মিত ক্লাস পরীক্ষা নিচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. একেএম নূর-উন-নবী সাংবাদিকদের জানান, ইউজিসি আর্থিক অনুমোদন দেওয়া পদগুলোর বাইরে কোনো অর্থ বরাদ্দ না দেওয়ায় বেতন-বোনাস দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের এমন কোনো খাত নেই যেখান থেকে বেতন বোনাস দেওয়া যেতে পারে। তবে ইউজিসি থেকে থোক বরাদ্দের চেষ্টা করা হচ্ছে বিষয়টা সমাধান করার জন্য। ঈদের আগে এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হচ্ছে না বলে তিনি জানান।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful