Templates by BIGtheme NET
আজ- রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২০ :: ১০ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ৭ : ৪৪ পুর্বাহ্ন
Home / টপ নিউজ / রংপুরের উন্নয়ন করতে চান!

রংপুরের উন্নয়ন করতে চান!

মাহতাব হোসেন: ‘যে যায় লঙ্কায় সেই হয় রাবণ’ রংপুর-দিনাজপুরের মানুষেরা যার দ্বারাই কিছুটা উপকার সম্ভব সেই হয় বিমুখ। অথচ মুখের উপর খই ফোটে রংপুরের উন্নয়ন চাই, অমুক উন্নয়ন চাই। আরে ভাই আমি কতটুকু উন্নয়ন করতে পারবো কিনবা আমার দ্বারা কতটুকু রংপুরের উন্নয়ন সম্ভব সেটাই কথা। উন্নয়নের জন্য সবসময় সরকারের কাছে হাত পেতে থাকাই যেন আমাদের মুখ্য বিষয় হয়ে উঠেছে। আর এই উন্নয়নের দাবি নিয়ে মাইক্রোফোনের সামনে দাঁড়িয়ে গলাবাজি করার পর গর্বিত বুকে ঘুরি কারন ‘আমি উন্নয়নের জন্য আন্দোলন করেছি’।

কথা তেতো হলেও একটু চিনি মিশিয়ে খেলেই মিষ্টি হবে। এলাকার উন্নয়নের আগে উন্নয়ন দরকার মানসিকতার। কয়দিন আগে রংপুরের কিছু তরুণ ঈদে পথশিশুদের নতুন জামা দিবে। তারা দেখেছে তাদের চোখের সামনে বস্তির শিশুরা নাঙ্গা হয়ে ঘুরে বেড়ায়। অন্তত ঈদেও তারা কাপড় পড়ুক এই চিন্তায় ছেলেরা এগিয়ে আসে। শুধু এই চিন্তা থেকেই এবার ২০০ শিশু রংপুরে নতুন জামা পেলো। প্রায় প্রতি ঈদে ও শীতে রংপুর কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে শীতবস্ত্র দিয়ে যায়। রংপুরের অনেক মানুষ আছে যদি তাদের মধ্যে দু একজন ইচ্ছে করে তাহলে শীতে চরাঞ্চলের মানুষদের শীতবস্ত্রের অভাব হতো না।

 

যাই হোক, পিছিয়ে পড়া এই অঞ্চলের মানুষদের সদিচ্ছা দরকার। যারা দেশের মধ্যে দেশের বাইরে আছেন তাদের একটা মজবুত সংগঠন তৈরি করা দরকার। যেখানে পিছিয়ে পড়া এই অঞ্চলের মানুষরা যদি এগুতে চেষ্টা করে তাহলে তাদের আরো কিছুটা পথ অগ্রসর হতে সহায়তা করা। কোন শিক্ষার্থী যদি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পেলো কিন্তু অর্থের অভাবে পড়তে পারছে না। তাকে ঢাকায় একটু থাকার ব্যবস্থা করে দেয়া দরকার। যেই ছেলেটা পড়াশোনা শেষ করে ঢাকায় গেলো তাকে চাকুরিতে একটু সহায়তা করা দরকার। সরকারি চাকুরিতে সহায়তা করা দরকার।

 

যেমন ফেনি’র এস এ গ্রুপ, যাদের পরিবহন ব্যবসাসহ বহুধরনের ব্যবসা আছে টেলিভিশন চ্যানেলও সম্প্রতি হয়েছে। এদের এই প্রতিষ্ঠানে দক্ষিণবঙ্গের মানুষের প্রাধান্যই বেশি। এদের দারোয়ান পিয়নটাও হয় স্বদেশি। অথচ ঢাকায় রংপুর দিনাজপুরের বহু শিল্পপতি আছে যারা তাদের নিজ অঞ্চলের মানুষদের এড়িয়ে চলেন। অথবা মুখোমুখি হলে চা খাইয়ে বিদায় করেন। এরকম অনেক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি মানুষদের কথা শুনেছি। রংপুর-দিনাজপুরের নাম কায়স্তে কিছু কিছু সংগঠন আছে যারা মাঝে মাঝে উদয় হয় তারা পার্বতীপুর। আমি বলছিনা তারা ভালো করছে না। কিন্তু তারা যদি ব্যাক্তিগত ভাবে কিছু মানুষের উপকারে আসতে পারতেন তাহলেও উন্নয়ন হতো। সুখের কথা এই যে আমাদের বৃহত্তর রংপুর দিনাজপুর অঞ্চলের অবকাঠামোগত বেশ কিছু উন্নয়ন হয়েছে। শিক্ষার হার বেড়েছে।

 

তবে একই সাথে বেড়েছে বেকারত্ব। আমাদের অঞ্চলের শিল্পপতিরা যদি এই বেকারত্ব দুরীকরনে কিছুটা উদ্যোগী হন তাহলে আমাদের এগিয়ে যাওয়া হবে, পরিবর্তন হবে অবস্থার। রংপুর অঞ্চলের দুই বিশিষ্ঠজন দুইটি বেসরকারি ব্যাংকের মালিকানা পেয়েছেন। এটা আমাদের জন্য অনেক বেশি সুখকর হতে পারে যদি আমাদের অঞ্চলের মেধাবী শিক্ষিত ছেলেরা এখানে কর্মসংস্থানের সুযোগ পায়। আর যাদের ক্ষমতা সীমিত তবে একজনবেকারের জন্য কিছু করতে পারেন আপনিও এগিয়ে আসুন। বৃহত্তর রংপুর-দিনাজপুরের পরবর্তী প্রজন্মরা এভাবেই এগিয়ে যেতে পারে। আর প্রজন্মের এগিয়ে যাওয়াই তো উন্নয়ন।

 

লেখক, শিক্ষার্থী- ঢাকা কলেজ

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful