Templates by BIGtheme NET
আজ- সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২০ :: ১১ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ৭ : ২৩ পুর্বাহ্ন
Home / টপ নিউজ / তিস্তা ব্যারাজ ও দহগ্রাম হতে পারে বিনোদন প্রেমীদের জন্য পর্যটন কেন্দ্র

তিস্তা ব্যারাজ ও দহগ্রাম হতে পারে বিনোদন প্রেমীদের জন্য পর্যটন কেন্দ্র

LALMONIRHAT-11.08.13-NEWS-1-1আসাদুজ্জামান সাজু: প্রতি বছরের মতো এবারের ঈদুল ফিতর’র ছুটিতে আঙ্গোরপোতা-দহগ্রাম তিনবিঘা করিডোর ও দেশের সর্ববহৎ সেচ প্রকল্প দোয়ানী তিস্তা ব্যারাজে প্রায় ৩ লক্ষাধিক শিশু-কিশোর, তরুন-তরুনী ও নারী-পুরুষের সমাগম ঘটেছে।

ঈদুল ফিতর’র আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে গত ৩ দিন ধরে আবাল বৃদ্ধ-বণিতা যেন সবাই মিশে হয়েছিল একাকার। তিল ধারনের ঠাঁই ছিল না কোথাও। তবে রংপুর শহরসহ বিভিন্ন জেলা থেকে আসা দর্শনার্থীরা বেকায়দায় পড়েছিলেন কোনো পর্যটন মোটেল বা বিনোদনের ব্যবস্থা না থাকায়। কেউ কেউ ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাদের ভাষা ছিল অতি দ্রুত দহগ্রাম ও তিস্তা ব্যারাজকে পর্যটন এলাকা ঘোষনা করে বিনোদন প্রেমীদের জন্য স্থাপনা নির্মাণ করা হোক।

3 bighaরংপুর থেকে বেড়াতে লিপি, সুমি, সাজু, বরিউল জানান, দহগ্রাম ও তিস্তা ব্যারাজে বেড়াতে আসার জন্য অনেক আগে থেকেই পারিবারিকভাবে সিডিউল ছিল। ঘুরে বেশ ভাল লেগেছে। যদি এ দুই স্পটকে সাজানো যায়, তাহলে উত্তারঞ্চলের সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত হবে। এছাড়া স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য আরো বেশি ভাল হবে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উত্তরাঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে হাজার হাজার দর্শনার্থী তিন্তা ব্যারাজ ও তিনবিঘা করিডোর, দহগ্রাম বেড়াতে আসেন। এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে স্কুল ও কলেজ কর্তৃপক্ষ ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে শিক্ষা সফর করে থাকে। সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষও ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে বেড়াতে আসেন। কিন্তু দর্শনার্থীদের জন্য কোনো আবাসিক বা অনাবাসিক হোটেল না থাকায় তারা প্রায়ই বেকায়দায় পড়েন। এ ছাড়া তিস্তা ও দহগ্রামে বিনোদন প্রেমীদের জন্য তেমন কোনো কিছু গড়ে না ওঠায় ভ্রমন পিয়াসীদের তৃষ্ণা মিঠছে না।

জেলার হাতীবান্ধা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বদিউজ্জামান ভেলু জানান, তিস্তা LALMONIRHAT-11.08.13-NEWS-1-2ব্যারাজে সরকারিভাবে বিনোদন ও ভ্রমন প্রেমীদের জন্য পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা হলে প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা রাজস্ব আয় সম্ভব। সরকারের কাছে তিস্তা ব্যারাজ ও দহগ্রামে পর্যটন এলাকা ঘোষনা করে প্রকল্প গ্রহণের দাবি জানান।

পাটগ্রাম উপজেলা চেয়ারম্যান রহুল আমীন বাবুল জানান, সারাদেশ থেকে তিস্তা ও দহগ্রামে হাজার হাজার দর্শনার্থী বেড়াতে আসছেন। কিন্তু আবাসন ও বিনোদন কেন্দ্র গড়ে না ওঠায় দর্শনার্থীরা সামাজিক নিরাপত্তার অভাবে দিনে এসে দিনেই চলে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। এ দুই দর্শনীয় স্থানে সরকারিভাবে পর্যটন কেন্দ্র স্থাপন করা হলে ব্যাপক কর্মসংস্থানের পাশাপাশি সরকারের বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় করা সম্ভব।

দহগ্রাম ইউয়িনের বাসিন্দা কালাম হোসেন জানান, বেসরকারিভাবে বিনোদন কেন্দ্র স্থাপনের জন্য সিলেটের এক ব্যবসায়ী ‘সুবর্ণভূমি বাংলাদেশ’ নামে পর্যটন কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। সরকারি ভাবে পর্যটন কেন্দ্র স্থাপন করতে পারলে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে। সরকারি ভাবে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয়েরও সম্ভাবনা রয়েছে।

লালমনিরহাট জেলা প্রসাশক হাবিবুর রহমান বলেন, তিস্তা ও দহগ্রামে বিনোদন কেন্দ্র স্থাপন করা যেতে পারে। এ ব্যাপারে সরকারের পর্যটন মন্ত্রণালয়ে অনুরোধ জানানো হবে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful