Templates by BIGtheme NET
আজ- মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২০ :: ৫ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ১০ : ৫০ অপরাহ্ন
Home / কুড়িগ্রাম / মুই ছাওয়া হত্যার বিচার চাও: ফেলানীর বাবা

মুই ছাওয়া হত্যার বিচার চাও: ফেলানীর বাবা

কবরের পাশে ফেলানীর বাবা মা

কবরের পাশে ফেলানীর বাবা মা

সেন্ট্রাল ডেস্ক: বিএসএফ মোর ছাওয়া গুলি করি মারছে। কোন দিন ভাবতে পারি নাই বিচার হইবে। মুই হত্যার বিচার চাও।’ কথাগুলো কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত ফেলানীর (১৫) বাবা নুরুল ইসলামের।

আগামীকাল মঙ্গলবার ভারতের কোচবিহার জেলায় বিএসএফের উদ্যোগে গঠিত বিশেষ আদালতে মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু হবে। ফেলানী হত্যার বিচার শুরুর সংবাদে এভাবে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন ফেলানীর বাবা।

২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি ভোরে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার অনন্তপুর সীমান্ত দিয়ে ফেলানী তার বাবা নুরুল ইসলামের সঙ্গে ভারত থেকে বাংলাদেশে ফিরছিল। কাঁটাতারের বেড়া পার হওয়ার সময় বিএসএফের গুলিতে নিহত হয় ফেলানী। তার লাশ পাঁচ ঘণ্টা কাঁটাতারে ঝুলে ছিল। নির্মম এ হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে দেশ-বিদেশে ব্যাপক প্রতিবাদের ঝড় ওঠে।

এর পরই বিএসএফ নিজস্ব আদালতে দায়ী সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। ওই মামলায় সাক্ষ্য দিতে ফেলানীর বাবা নুরুল ইসলামসহ চার সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল ১৮ আগস্ট ভারতে যাচ্ছে। পরদিন ১৯ আগস্ট এ মামলায় তারা সাক্ষ্য দেবে। দলটি লালমনিরহাটের বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে যাবে। প্রতিনিধিদলের অন্য তিন সদস্য হলেন বিজিবির ৪৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল জিয়াউল হক খালেদ, কুড়িগ্রামের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আব্রাহাম লিংকFelaniন, ফেলানীর মামা আবদুল হানিফ।

নুরুল ইসলাম আরও জানান, তার বাড়ি কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার রামখানা ইউনিয়নের কলোনীটারি গ্রামে। ছোটবেলায় বাবার সঙ্গে ভারতের আসাম রাজ্যের গোয়ালপাড়া জেলার বংগাইগাঁও এলাকায় যান। সেখানে মুদির দোকান করতেন। ফেলানীর বিয়ে দেওয়ার জন্য বাংলাদেশে আসার সময় বিএসএফের গুলিতে ফেলানীর মৃত্যু হয়।

ফেলানীর মা জাহানারা বেগম বলেন, ‘ছাওয়া তো মইরা গেছে, হেরে তো আর পামু না। বিচার যেন পাই।’ এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘খুব আশা আছিল, ম্যাইয়াটারে ধুমধাম কইরা বিয়া দিমু। কিন্তু বিএসএফ সব শ্যাষ কইরা দিল। মেয়ের মরামুখটাও দেখতে পাই নাই।’

ফেলানীর মামা আবদুল হানিফ বলেন, ‘এখনো চোখের সামনে ফেলানীর লাশ ভাসে। কাঁটাতারে ঝুলে আছে। সুষ্ঠু বিচারের আশায় ভারত যাইতাছি। নিজ চোখে যা দেখছি, তাই কমু।’

সরকারি কৌঁসুলি আব্রাহাম লিংকন বলেন, শিশু ফেলানীকে যেভাবে হত্যা করা হয়েছে, তা ছিল মানবাধিকারের চরমতম লঙ্ঘন। প্রায় ৪৩ বছর পর প্রথমবারের মতো এ ধরনের হত্যাকাণ্ডের বিচার হচ্ছে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত হলে দুই দেশের সীমান্তরক্ষীরা আর গুলি করবে না। এই বিচার দুই দেশের জন্য মাইলফলক হয়ে থাকবে। আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি হলে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ভারতের ভাবমূর্তি বৃদ্ধি পাবে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful