Templates by BIGtheme NET
আজ- মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২০ :: ৫ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ১১ : ৪০ পুর্বাহ্ন
Home / আলোচিত / বিষণ্ণতা হতে মুক্তি পাবার ১০টি উপায়

বিষণ্ণতা হতে মুক্তি পাবার ১০টি উপায়

girl‘কিচ্ছু ভালো লাগছে না। মনটা ভীষণ খারাপ’ এই কথাটা বলেননি এমন মানুষ আমাদের চারপাশে খুব কমই পাওয়া যাবে। এ কথাটা যদি মাঝে মাঝে বলা হয় তাহলে ঠিক আছে। কিন্তু যদি দিনের পর দিন, মাসের পর মাস ঘুরে ফিরে এই একটা কথাই আপনার বা আপনার আশপাশের কারো মনে হতে থাকে, তবে বুঝতে হবে তিনি বিষন্নতায় ভুগছেন। এটি তখন একটি মানসিক অবস্থা থেকে রূপান্তরিত হবে মানসিক ব্যধিতে। এবং এক সময় তা আপনার বা অন্য কারো আত্মহত্যার বা অপরাধপ্রবণতার মত ঘটনারও জন্ম দিতে পারে। বর্তমান পৃথিবীর প্রায় ১২১ মিলিয়ন মানুষ বিষন্নতায় ভুগছেন। তবে হতাশ হবার কিছু নেই, আপনি চাইলেই এ থেকে মুক্তি পেতে পারেন। একটু মেনে চলুন কিছু উপায়-

১)পুষ্টিকর খাবার খানঃ পুষ্টিকর খাবার রোজকার খাদ্যতালিকায় রাখুন। খাবার অভ্যাস করুন প্রচুর ফল, আঁশযুক্ত ও এন্টিওক্সিডেন্টযুক্ত খাবার। এটা শুধু আপনার শরীরকেই সুস্থ রাখবে না। বরং মানসিক ভাবেও আপনাকে সতেজ করে তুলতে সহায়তা করবে।

২)প্রচুর পানি পান করুনঃ পান করুন প্রচুর পানি। দিনে আট গ্লাস কমপক্ষে। পানি কেবল আপনার শরীর থেকে টক্সিক জাতীয় উপাদানই বের করে দেয় না বরং এটি আপনার মস্তিস্কের কোষগুলোকেও রাখে সতেজ। দৈহিক ও মানসিক ক্লান্তি দূর করে পানি আপনাকে নতুন কর্মোদ্দীপনা যোগায়। দূরে রাখে বিষন্নতা।

৩)ধূমপান ও মদ্যপান থেকে দূরে থাকুনঃ এই দ্রব্যগুলো আপনাকে সাময়িকভাবে বিষন্নতা থেকে দূরে থাকতে সহায়তা করলেও ক্রমেই আপনাকে মানসিকভাবে ও দৈহিকভাবে দূর্বল করে দেয় এবং বিষন্নতা মোকাবেলায় আপনার নিজস্ব শক্তিকে বাধাগ্রস্থ করে। সুতরাং দূরে থাকুন এই নীরব শত্রু থেকে।

৪)ব্যায়াম করুনঃ সপ্তাহে ৩-৫ বার ৩০ মিনিট করে ব্যায়াম করুন। হতে পারে তা হাঁটা, দৌড়ানো, সাঁতার কাটা, সাইকেল চালানো বা ঘরের নিয়মিত পরিশ্রমের কাজ করা যা আপনাকে সচল রাখবে।

৫)পর্যাপ্ত ঘুমানঃ রাত জেগে থাকা, এবং দিনভর ঘুমানো, এ ধরনের অভ্যাসগুলো বিষন্নতাকে আরো বেশী ভয়াবহ করে তোলে। যতটা সম্ভব দ্রুত রাতে ঘুমাতে যান এবং চেষ্টা করুন সকাল সকাল ওঠার।

৬)আবেগগুলোকে চেপে রাখবেন নাঃ বিষন্নতা নিয়ন্ত্রনের সবচেয়ে ভাল উপায় এটি। অনেক সময় আমরা আমাদের রাগ, দুঃখ, অভিমান, অনুযোগগুলো চেপে রাখতে রাখতে নিজের মনেই জন্ম দেই এক বিষন্ন অভিমানী সত্ত্বার। আর এক সময় সেই অবচেতন সত্ত্বাই আমাদের সচেতন সত্ত্বাকে ছাপিয়ে আমাদের স্বাভাবিক ব্যক্তিত্বকে ঢেকে দেয়। তাই আবেগ গুলোকে যতটা সম্ভব প্রকাশ করুন। শেয়ার করুন এমন কারো কাছে যিনি আপনাকে বুঝতে পারেন।

৭)সৃজনশীল হোনঃ নিজেকে ব্যস্ত করে তুলুন সৃজনশীল কোন কাজে। সেটা হতে পারে বাগান করা, ছবি আঁকা, লেখালিখি করা, পশুপাখি পোষা অথবা ভর্তি হয়ে যেতে পারেন নতুন ভাষা শেখা, রান্নাবান্না, কম্পিউটার, ফ্যাশন বা ইন্টেরিয়র ডিজাইন এর মত পছন্দমত কোন কোর্সে। দেখবেন সৃজনশীলতার আনন্দে মন খারাপ করার অবসরই খুঁজে পাচ্ছেন না!

girl 2৮)গভীরভাবে শ্বাস নিনঃ গভীর ও দীর্ঘ শ্বাস নিন। তারপর আস্তে আস্তে ছাড়ুন। এভাবে কয়েকবার করুন। এভাবে করার ফলে আপনার মস্তিস্ক যথেষ্ট পরিমাণে অক্সিজেন পাবে, যা আপনাকে মানসিক ক্লান্তি কাটাতে সয়ায়তা করবে।

৯)সামাজিক যোগাযোগ বাড়ানঃ নিজের পুরোনো লাইফস্টাইল থেকে একটু বের হয়ে আসুন। ফেসবুক, বন্ধুবান্ধব বা অন্য কোন সামাজিক সংগঠনের সাথে যুক্ত হোন। হতে পারে তা সমাজসেবী কোন সংগঠন, অন্যের সেবায় নিয়োজিত থেকে নিজের মন খারাপের সময়ই পাবেন না।

১০)বেড়িয়ে আসুন দূরে কোথাওঃ চেনা জানা পরিবেশ আর মানুষের গণ্ডী ছেড়ে কয়েক দিনের জন্য চলে যান প্রকৃতির খুব কাছাকাছি; প্রকৃতিই ধুয়ে দেবে আপনার কষ্টগুলো।

দৈনন্দিন জীবনে একটু আধটু মন খারাপ কার না হয়। কিন্তু সেটা যাতে রোগে পরিনত না হয় সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরী। ঝেড়ে ফেলুন যত রাগ, দুঃখ আর অভিমানের বিচ্ছিরি ব্যাপারগুলো। কষ্ট কার জীবনে না থাকে, দূর্ঘটনা কার জীবনে না ঘটে, নিজেকে ভালোবাসুন আরেকবার, ক্ষমা করে দিন অনুতপ্ত নিজেকে… ভুলে যান অতীতের দিনগুলো, যা আপনাকে যন্ত্রণা দেয়। হেসে উঠুন আরেকবার আর নিজেকেই বলুন না নিজেই, ‘জীবন তো এখান থেকেই শুরু।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful