Templates by BIGtheme NET
আজ- শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২০ :: ৮ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ১০ : ৫৩ পুর্বাহ্ন
Home / কুড়িগ্রাম / ফেলানী হত্যায় অভিযুক্ত বিএসএফ জওয়ানের কোর্ট মার্শাল শুরু

ফেলানী হত্যায় অভিযুক্ত বিএসএফ জওয়ানের কোর্ট মার্শাল শুরু

Felaniসেন্ট্রাল ডেস্ক: বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া পেরুনোর সময় বাংলাদেশী কিশোরী ফেলানীকে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত বিএসএফ জওয়ানের কোর্ট মার্শাল আজ থেকে শুরু হয়েছে। জেনারেল সিকিউরিটি ফোর্সেস কোর্ট বা জিএসএফসি এই বিচার চালাচ্ছে। গত ২০১২ সালের ১৮ই অক্টোবর বিএসএফ এই কোর্ট গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর নির্দেশ জারি করেছিল। সেই বিচার বাংলাদেশী সাক্ষীদের হাজির করানোর জটিলতা কাটিয়ে এতদিনে শুরু হয়েছে। জিএসএফসি নামের এ বিচারব্যবস্থা সেনাবাহিনীর কোর্ট মার্শালের সমতুল্য। এ জন্য পাঁচ বিচারকও নিযুক্ত হয়েছেন। কোচবিহারে বিএসএফের ১৮১ ব্যাটালিয়নের দপ্তরে এ বিচার প্রক্রিয়া চলছে কঠোর গোপনীয়তার মধ্য দিয়ে।

এদিন বিকালে কোচবিহার সেক্টরের ডিআইজি দলজিৎ সিং জানিয়েছেন, ফেলানী হত্যার বিচার শুরু হয়েছে। এর বেশি তিনি কোন কথা বলতে চাননি। তবে একটি সূত্রে জানা গেছে, এদিন আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার শুরু হলেও কোন শুনানি হয়নি। আজ থেকে শুনানি শুরু হবে। আর ১৯ই আগস্ট ফেলানীর পিতা নুরুল ইসলাম ও মামা আবদুল হানিফের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে। তবে কুড়িগ্রাম আদালতের সরকারি কৌঁসুলি আব্রাহাম লিঙ্কন ও বিজিবি’র লে. কর্নেল জিয়াউল হক কাদের বাংলাদেশী সাক্ষীদের নিয়ে ১৮ই আগস্ট কোচবিহারে পৌঁছবেন। এর আগেও অবশ্য প্রাথমিকভাবে বিএসএফ তদন্তের সময় এ দু’জনের সাক্ষ্য নিয়েছিল।

২০১১ সালের ৭ই জানুয়ারি দিনাজপুরের ফুলবাড়ী সীমান্তে পিতার সঙ্গে কাঁটাতারের বেড়া পেরিয়ে নিজের দেশে যাচ্ছিলেন ফেলানী। কাঁটাতারের বেড়ায় বাঁশের মই লাগিয়ে তার পিতা আগেই পেরিয়ে গিয়েছিলেন সীমান্ত। কিন্তু ফেলানী যখন দু’টি বেড়ার ওপরে আড়াআড়ি রাখা মইতে কিছুটা চড়ে যান, তখনই তার জামা কাঁটায় আটকে যায়। আর সে সময়ই ইনসাস রাইফেল থেকে গুলি চালান অভিযুক্ত কনস্টেবল অমিয় ঘোষ। ঘটনাস্থলেই মারা যান কিশোরী ফেলানী। বেড়ার ওপর দীর্ঘ সময় ফেলানীর লাশ ঝুলেছিল। এ ছবি প্রকাশিত হওয়ার পর প্রবল প্রতিবাদের ঝড় ওঠে।

বিজেবি’র পক্ষ থেকে বিএসএফের কাছে প্রতিবাদ জানানো হয়েছিল। মানবাধিকার সংগঠনগুNageswari (Felani) 06 .01.13লোও এর প্রতিবাদে সরব হয়েছিল। বিএসএফ অবশ্য অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল। এ অভ্যন্তরীণ তদন্তে অভিযুক্ত কনস্টেবল অমিয় ঘোষের অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে। এর পরই তাকে কোর্ট মার্শাল বিচারের মুখোমুখি হওয়ার নির্দেশ জারি করা হয়েছিল। বিএসএফের নিজস্ব আইন অনুযায়ী বিচার চললেও, ভারতের দণ্ডবিধিতে যা শাস্তির বিধান আছে, সে রকম বা তার থেকেও বেশি শাস্তি দেয়া যেতে পারে। ফেলানীর পিতা ও মা অপরাধীর মৃত্যুদণ্ড দাবি করেছেন। বিএসএফ আদালতেও তারা সে কথা জানাবেন কিনা, তা অবশ্য জানা যায়নি। ফেলানীকে হত্যার দায়ে বিএসএফের অভিযুক্ত কনস্টেবল অমিয় ঘোষ ঘটনার পর থেকেই কোচবিহারে তার ব্যাটালিয়নেই ক্লোজ অ্যারেস্ট রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারা (অনিচ্ছাকৃত খুন) এবং বিএসএফ আইনের ১৪৬ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful