Templates by BIGtheme NET
আজ- রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২০ :: ১৭ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ১ : ৫৪ পুর্বাহ্ন
Home / গাইবান্ধা / গাইবান্ধায় টিআর কাবিখা প্রকল্পের চাল সরকারি গুদামে বিক্রির অভিযোগ

গাইবান্ধায় টিআর কাবিখা প্রকল্পের চাল সরকারি গুদামে বিক্রির অভিযোগ

Khairul Islam Photo-01খায়রুল ইসলাম, গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ, পলাশবাড়ি, মহিমাগঞ্জ, বোনারপাড়া ও কালির বাজারসহ অধিকাংশ সরকারি গুদামে টিআর ও কাবিখা প্রকল্পের চাল বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। মিলারদের সাথে যোগসাজসে নতুন চালের পরিবর্তে খাদ্য ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে এসব চাল কিনছেন ভারপ্রাপ্ত খাদ্য গুদাম কর্মকর্তারা।

নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, খাদ্য ব্যবসায়ী ও মিলাররা ইউপি চেয়ারম্যান-সদস্যদের কাছ থেকে প্রতি মে. টন ১৮-২০ হাজার টাকায় টিআর ও কাবিখা প্রকল্পের চাল কিনে নিজস্ব গুদামে মজুত করে রাখেন। সংগ্রহ অভিযানের সময় তারা সেই মজুতকৃত চাল মেশিনে পুনরায় ছেঁটে সরকারি গুদামে বিক্রি করছেন প্রতি মে. টন ২৯ হাজার টাকায়। লাভের অংশ খাদ্য কর্মকর্তা, মিলার ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে ভাগবাটোয়ারা হয়। অবশ্য ভাগবাটোয়ারার অভিযোগ অস্বীকার করেন জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সাইফুল আলম বলেন।

কয়েকজন মিলার নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ক্রয় নীতিমালা উপো করে জেলায় মোট এগারটি খাদ্য গুদামের মধ্যে গোবিন্দগঞ্জ, পলাশবাড়ি, মহিমাগঞ্জ, বোনারপাড়া ও কালির বাজার, নলডাঙ্গা গুদামে টিআর, কাবিখা প্রকল্পের মেশিনে ছাঁটা চাল কেনা হয়েছে ।

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা শহরের মোয়াজ্জেম হোসেন অভিযোগ করেন, চলতি ক্রয় মৌসুমে গোবিন্দগঞ্জ খাদ্য গুদামে যে পরিমান চাল কেনা হয়, তার বেশিরভাগই টিআর-কাবিখা প্রকল্পের চাল। মেশিনে ছেঁেট এসব চাল নতুন বস্তায় ভরে গুদামে সরবরাহ করা হয়েছে। তিনি বলেন, টিআর, কাবিখা প্রকল্পের মেশিনে ছাঁটা চাল সরকারি গুদামে সরবরাহের কথা আমি কেন, এলাকার অনেকেই জানেন। গোবিন্দগঞ্জ খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইউনুছ আলী মন্ডল স্থানীয় খাদ্য ব্যবসায়ীদের সাথে আঁতাত করে এসব চাল ক্রয় করেছেন। তবে তিনি অভিযোগের সত্যতা অস্বীকার করেছেন।
পলাশবাড়ি উপজেলা শহরের কালিরবাজারের খাদ্য ব্যবসায়ী ফুল মিয়া ও আজহারুল ইসলামের নিজস্ব গুদামে চাল পাল্টানো হয়। তারা ইউপি চেয়ারম্যান-সদস্যদের কাছ থেকে টিআর ও কাবিখা প্রকল্পের চাল কিনে নিজস্ব গুদামে মজুত করে রেখেছিলেন। খাদ্য বিভাগ থেকে সরবরাহ করা এসব চালের বস্তায় ২০১২ সাল লেখা রয়েছে। ব্যবসায়ীরা খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে যোগসাজসে ২০১২ সালের বস্তার চাল মেশিনে ছেঁটে ২০১৩ সালের বস্তায় ভরিয়ে সরকারি গুদামে বিক্রি করছেন।

অভিযুক্ত খাদ্য ব্যবসায়ী ফুল মিয়া বলেন, ব্যবসায়ীদের গুদামে সবসময় চালের বস্তা পাল্টানো হয়ে থাকে। পলাশবাড়ি খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হালিমুর রহমান বলেন টিআর, কাবিখা প্রকল্পের চাল কেনার অভিযোগ ভিত্তিহীন।

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মহিমাগঞ্জ খাদ্য গুদাম, ফুলছড়ি উপজেলার কালিরবাজার খাদ্য গুদাম, সাদুল্যাপুর উপজেলার খাদ্য গুদাম নলডাঙ্গা খাদ্য গুদাম ও সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া খাদ্য গুদামেও টিআর-কাবিখা প্রকল্পের চাল সরবরাহ করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

উলেখ্য, গাইবান্ধার এগারটি খাদ্য গুদামে চলতি বোরো মৌসুমে ২৩ হাজার ৬১৯ মেট্রিক টন চাল ক্রয়ের ল্যমাত্রা ধরা হয়। গত ১৪ আগষ্ট পর্যন্ত কেনা হয় ১৭ হাজার মে.টন চাল। প্রতি মেট্রিক টন চালের সরকারি মুল্য নির্ধারণ করা হয় ২৯ হাজার টাকা। জেলার ৬৪০ জন মিলারের মাধ্যমে চাল ক্রয়ের কথা। এদিকে জেলার সাত উপজেলায় গত একবছরে টিআর (টেষ্ট রিলিফ) ও কাবিখা (কাজের বিনিময় খাদ্য) প্রকল্পের আওতায় ১২ হাজার ২৮৮ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ পাওয়া যায়।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful