Templates by BIGtheme NET
আজ- রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২০ :: ১০ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ৯ : ০৯ পুর্বাহ্ন
Home / টপ নিউজ / রেল এবং বাস কাউন্টারে টিকেট নেই; হাজার টাকা দিলে টিকেট মিলছে

রেল এবং বাস কাউন্টারে টিকেট নেই; হাজার টাকা দিলে টিকেট মিলছে

trainস্টাফ রিপোর্টার: ঈদের ১০ দিন পেরিয়ে গেলেও কর্মস্থলে ফিরতে পারছে না মানুষজন। ট্রেন ও বাসের একটি টিকেট হাজার টাকাতেও মিলছে না। বিশেষ করে আন্তঃ নগর রংপুর একপ্রেস ও রংপুরের বাসগুলোর টিকেট কালো বাজারে ছড়িয়ে দেয়ায় এই অরাজকতার সৃষ্টি হয়েছে।

ফলে রংপুর রেল স্টেশন ও কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে মানুষের উপচে পড়া ভীড় হওয়ায় প্রতিদিনেই হাতাহাতি এবং সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জোড়ালো পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় রংপুর রেল স্টেশনে যে কোন মুহুর্তে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা দেখা দিয়েছে।

বিভিন্ন বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, রংপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ঢাকাগামী রংপুর এক্সপ্রেসের ৮০ ভাগ টিকেট কালোবাজারী সিন্ডিকেটের হাতে চলে গেছে। টিকেট বিক্রেতা বেসরকারী সংস্থা সিএনএস এর রংপুর কাউন্টারে কর্মরত মজিদুল, বুকিং সহকারী মামুন ও মোস্তাফিজ সম্বলিতভাবে কালো বাজারীদের হাতে এসব টিকেট কমিশনে তুলে দিয়েছে। এছাড়া উক্ত ৩ জন কাউন্টার খোলার আগেই টিকেট প্রিন্ট করে নিজ এলাকা লালমনিরহাট, বদরগঞ্জ ও পার্বতীপুরে পাঠিয়ে দিয়ে স্বজন প্রীতিও করেছে।

অনেক ক্ষেত্রে তারা লালমনিরহাট বিভাগীয় ডিটিএস মোস্তাফিজার রহমান, রংপুর রেল স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত সুপার মোজাম্মেল হক, রেলওয়ে ফাঁড়ি ইনচার্য আঃ মান্নান এবং স্থানীয় কয়েক’জনের নাম উল্লেখ করে টিকেট সংকটের জন্য দায়ী করেন। কিন্তু উল্লেখিত ব্যক্তিরা ঐ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, কাউন্টারে থাকা তিনজন টিকেট বাইরে বিক্রি করায় এই অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে, বৃহস্পতিবার রংপুর এক্সপ্রেসে শোভন শ্রেণীর আরও একটি বগি সংযোজন করা হলেও সমস্যা কমেনি। বরং উল্টো বেড়েছে। মাত্র ৪০টি আসনের বিপরীতে কয়েক’শ যাত্রীর চাহিদা থাকায় টিকেট বিক্রিতেও অরাজকতা সৃষ্টি হয়।

শনিবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, রংপুর রেল স্টেশনে বিশৃঙ্খলার দৃশ্য দেখা গেছে। সকাল ৮টায় কাউন্টার বন্ধ হয়ে দুপুরে ২টায়ও তা খোলা হয়নি। এরই ফাঁকে গোপনে অনেক টিকেট বের হয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। আর সকাল থেকে লাইনে দাড়িয়ে দুপুরেও টিকেট না পাওয়া কয়েক শত যাত্রী বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। তাদেরকে সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে রেলওয়ে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী। তবে স্টেশনের আশেপাশে এক হাজার টাকা দিলেই একটি সাধারণ টিকেট মিলছে।

কিন্তু তা সংগ্রহ করতে টাকা দেয়ার পর ২/৩ ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয়। এদিকে গতকালের অতিরিক্ত বগির ৪০টি আসন রাত ৮ টাতেও বিক্রি করা হয়নি। কাকে দিবে বা কাকে দিবে না তা নিয়ে স্থানীয়দের সাথে দফায় দফায় বৈঠক করেও সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি রংপুর রেল স্টেশন উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

অপরদিকে, রংপুরের কেন্দ্রীয় বাস কাউন্টারগুলোতে টিকেট পাওয়া না গেলেও তার সামনে এক হাজার টাকায় প্রতিটি আসন বিক্রি হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে অগ্রীম টিকেটের অজুহাতে কাউন্টার থেকে ৭০ ভাগ টিকেট গোপনে রাখা হয়েছে।

পরবর্তীতে দালালদের মাধ্যমে দ্বিগুণ টাকায় তা যাত্রীদের কাছে পৌঁছায়। প্রতিটি কাউন্টার থেকে কালোবাজারীতে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করা হলেও প্রকাশ্যে কালো বাজারী চলছে। এখানে শক্তিশালী সিন্ডিকেট থাকায় কেউ কিছু করতে পারছে না।

এদিকে, ঈদের ১০ দিন পার হলেও কর্মস্থলে ফিরতে না পারায় মানুষজন হতাশায় ভুগছে। জানা গেছে, আগামী ২৫ আগষ্ট পর্যন্ত ট্রেন বা বাস কাউন্টারে টিকেট নেই। ফলে অনেকেই চাকুরী হারানোর ভয়ে আতংকিত হয়ে লোকজন কয়েকগুণ বেশিমূল্যের টিকেট সংগ্রহে হণ্যে হয়ে ঘুরছে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful