আর্কাইভ  মঙ্গলবার ● ৩০ নভেম্বর ২০২১ ● ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৮
আর্কাইভ   মঙ্গলবার ● ৩০ নভেম্বর ২০২১

রংপুরের শ্যামাসুন্দরীতে ৬ কিলোমিটারের উড়াল সেতু!

রবিবার, ৬ আগস্ট ২০১৭, রাত ১০:৪৭

সিটি কর্পোরেশন সূত্রে জানা গেছে, চলতি (২০১৭-২০১৮) অর্থ বছরেই শ্যামাসুন্দরী খালের উপর উড়াল সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হবে। সেতুটি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে আনুমানিক সাড়ে ৬ শত কোটি টাকা। উড়াল সেতু নির্মাণে অর্থের যোগান দেবে কুয়েতসহ মধ্যপ্রাচ্যের অন্য একটি দেশ। সেতুটি নগরীর মাহিগঞ্জ সাতমাথা থেকে শুরু হয়ে ক্যান্টনমেন্ট চেকপোস্ট পর্যন্ত সাড়ে ৬ কিলোমিটার ব্যাপী নির্মিত হবে। এছাড়া খালের পানি প্রবাহ ঠিক রেখে উড়াল সেতু থেকে শহরের বিভিন্ন সড়কে সংযোগ তৈরি করা হবে।সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে নগরবিদদের নিয়ে ইতোমধ্যে যাবতীয় পরিকল্পনা সম্পন্ন করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, জীর্ণ, গতিহীন, সৌন্দর্যহীন, ময়লা আবর্জনা ও দূষণে কালো হয়ে গেছে শ্যামা সুন্দরী খালের পানি। নগরীর বুক চিরে বয়ে চলা দীর্ঘ শ্যামাসুন্দরী খাল এখন রংপুর নগরবাসীর দুঃখের কারণ হয়ে উঠেছে। বর্তমানে ময়লা-আবর্জনায় ভরাট হয়ে বন্ধ হয়ে গেছে এর পানি প্রবাহ। ধীরে ধীরে শ্রী হারিয়ে দখলে-দূষণে বিপর্যস্ত শ্যামাসুন্দরী খাল এখন মশার নিরাপদ প্রজনন ক্ষেত্র। শহরের ময়লা-আবর্জনা ছাড়াও বিভিন্ন আবাসিক এলাকার মল মূত্র জমে থাকার কারণে খালটি নগরবাসীর জন্য আশীর্বাদের পরিবর্তে অভিশাপে পরিণত হয়েছে।
এ বিষয়ে রংপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সরফুদ্দীন আহমেদ ঝন্টু বলেন, শ্যামাসুন্দরী খালের উপর উড়াল সেতু নির্মাণের জন্য নকশার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। একনেকে বিষয়টি উত্থাপনের জন্য যাবতীয় প্রক্রিয়া প্রায় সম্পন্ন। একনেকের সভায় পাস হলেই চলতি (২০১৭-২০১৮) অর্থ বছরেই উড়াল সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হবে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সুপেয় পানি ও জলাবদ্ধতা দূরীকরণের কারণে ১৭০০ শতকে শ্যামাসুন্দরী খাল খনন শুরু হয়। ১৮৯০ সালে তদান্তীন জমিদার জানকি বল্লভ সেন তার মাতা শ্যামা সুন্দরীর নামে এই খাল খনন করেন। সেই সময় থেকে ১৯৫০ সাল পর্যন্ত রংপুরের সৌন্দর্য বর্ধনে শ্যামাসুন্দরী খাল অন্যতম একটি ভূমিকায় ছিল।

মন্তব্য করুন


Link copied