Templates by BIGtheme NET
আজ- মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২০ :: ১২ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ৮ : ১৯ অপরাহ্ন
Home / ঠাঁকুরগাও / কৃষকের স্বপ্ন আমনের সোনালী শীষে

কৃষকের স্বপ্ন আমনের সোনালী শীষে

Thakurgaon amon crop pic-1ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি ॥ ঠাকুরগাঁও জেলার বিস্তৃত মাঠজুড়ে এখন আমন ধানের সোনালী শীষ দোলা দিচ্ছে। বাতাসে শীষের দোলায় কৃষকের মুখে হাসি ফিরে এসেছে। বারবার চেয়ে দেখছেন তাদের কষ্টার্জিত সবুজ ধানের শীষের দোল খেলানো দৃশ্য।আর আলু চাষে হয়েছেন ধরাশায়ী। তাই আমন ধানের ওপর ভরসা করে আছেন। ইতিমধ্যে আগাম ধানে পাক ধরা ও ধান কাটা শুরু হয়েছে। তবে সঠিক মৌসুমের ধান উঠতে আরও মাসখানেক সময় লাগবে।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ঠাকুরগাঁওয়ে ৫টি উপজেলায় আমন মৌসুমে ১ লক্ষ ৩২ হাজার ৬’শ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের আমন ধানের চাষ হয়েছে। এর মধ্যে দেশীয় বিদেশী বিভিন্ন জাতের আমন ধানের চাষ হয়েছে। এর মধ্যে দেশীয় উদ্ভাবীত স্বল্প জীবন কালের ধান বিনা-৭, ব্রি ধান ৩৩ ও বিভিন্ন প্রকার উচ্চ ফলনশীল হাইব্রীড ধানের চাষ হয়েছে মোট আবাদের শতকরা ১০ ভাগ অর্থাৎ ১৩ হাজার ২শ ৬০ হেক্টর।

কৃষকরা জানান, বৃষ্টিপাতের অভাবে আমন চাষের শুরুতেই খরার ধাক্কা খেলেও শেষ পর্যন্ত ফলন ভালো হয়েছে। এ ছাড়াও বাজারে ধানের দাম ভালো থাকায় বেশি জমিতে আমনের আবাদ করেছেন তারা। এবার আমন রোপণের ভরা মৌসুমেও বৃষ্টিহীন ছিল ঠাকুরগাঁও। খরায় ফেটেছে মাঠের পর মাঠ।

ফলে আমন রোপণের শুরুতেই বরেন্দ বহুমুখী কর্তৃপক্ষের গভীর নলকূপই একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়ায় কৃষকের। কোনোরকমে মাটি ভিজিয়ে আমনের চারা রোপণ করেছিলেন কৃষকরা। বুকভরা আশা নিয়ে প্রকৃতির পানে চেয়েছিলেন তারা। প্রকৃতিও চাষীকে উপেক্ষা করেননি। পর্যাপ্ত বৃষ্টির পানি না পেলেও পরিমিত বৃষ্টি হয়েছে। ফলে কৃষকের মুখেও হাসি ফিরে এসেছে।

জানা গেছে, এবার পোকা-মাকড়ের প্রাদুর্ভাব তুলনামূলকভাবে কম ছিল। তবে কোনো কোনো এলাকায় লক্ষ্মীর গু (ফল্স ইস্মার্ট) নামক ছত্রাকের আক্রমণে অনেক ক্ষেতে ফলন ব্যাহত হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে।ইতোমধ্যে এসব আগাম ধান কাটা শুরু হয়েছে। অন্য বছরের তুলনায় এ বছর লাভবান হতে পারছেন বলে কৃষকরা জানিয়েছে। কারণ আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় ফলন আশাতীত ধান ও খড় উভয়ের চাহিদা বেশি থাকায় দাম ভাল।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার পাইকপাড়া গ্রামের কৃষক আব্দুল গনি বলেন, এ মৌসুমে ৪ বিঘা জমিতে বিনা-৭ জাতের ধানের চাষ করেছি। কাটা মারা শেষের দিকে। বিঘা প্রতি ২০-২২ মন হারে ফলন হচ্ছে। গত বছরও একই জমিতে একই জাতের ধানের চাষ করে ফলনও কম পেয়ে ৯শ টাকা দরে বস্তা (৭৫ কেজি) বিক্রি করেছিলাম। তবে এ বছর ফলন কিছুটা বেশি দামও অনেক ভাল। ১৩৮০-১৪০০ টাকা দরে বস্তা বিক্রি করছি।
তাছাড়া এবছর গবাদিপশু খাদ্য খড়ের চাহিদাও বেশি, বাড়িতে ভাল দামে বিক্রি হচ্ছে খড়। ফুল সিজিনে (মৌসুমে) শ্রমিকের সমস্যা থাকলেও এখন শ্রমিকের সমস্যা অনেকটা কম।

ফকদনপুর পটুয়া এলাকার কৃষক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ৩ একর জমিতে আগাম জাত বিনা-৭ ধানের চাষ করেছি। শ্রমিক দিয়ে ধান কেটে (খড়সহ ধান) শুকাতে দিছি জমিতে। দিন কয়েক পরে ধান বাড়িতে নিয়ে যাব আর জমিতে আলুর চাষ করবো।
তিনি আরো বলেন, বর্তমানে বাজারে ধানের যে দাম আছে সে দামে ধান বিক্রি করতে পারলে লাভবানের আশা করছি।

ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বেলায়েত হোসেন বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আগাম ধান চাষীরা ভাল ফলন পাচ্ছেন। বর্তমানে বাজারে ধানের দামও ভাল। স্বল্প সময়ে আগাম ধান বাজারে বিক্রি করে কৃষকরা তাদের পরিবারের বিভিন্ন ধরনের চাহিদা পূরণ করতে পারছে। তাছাড়া আগাম ধান কাটার পর আবার একই জমিতে আগাম গোল আলু ও তৈল জাতীয় ফসল সরিষার চাষ করতে পারছে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful