Templates by BIGtheme NET
আজ- সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ::৫ আশ্বিন ১৪২৮ :: সময়- ৫ : ০২ অপরাহ্ন
Home / ঠাঁকুরগাও / ঠাকুরগাঁওয়ে ‘বিগ বস’ দেখতে মানুষের ভিড়, ওজন সাড়ে ১২শ কেজি

ঠাকুরগাঁওয়ে ‘বিগ বস’ দেখতে মানুষের ভিড়, ওজন সাড়ে ১২শ কেজি

রবিউল এহ্সান রিপন, ঠাকুরগাঁও: করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে কোরবানির পশুর হাট কতটুকু জমবে তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। তবে এসব দুশ্চিন্তা পাশ কাটিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ে এবার বড় তারকা হিসেবে আলোচনায় রয়েছে ‘বিগ বস’। শখের বসেই দেশীয় পদ্ধতিতে গরুটিকে মোটাতাজাকরণ করেছেন কৃষক আফিল উদ্দিন।

ঠাকুরগাঁও হরিপুর উপজেলার ডাঙ্গিপাড়া ইউনিয়নের তালতলা গ্রামের বাসিন্দা আফিল উদ্দিন তার নিজ বাসায় গরুটি ৪ বছর থেকে লালণ পালন করছেন। বর্তমানে গরুটির ওজন হয়েছে সাড়ে ১২শত কেজি। শখের বসেই পালন তাই গরুটির নাম দেওয়া হয়েছে “বিগ বস”। এবার কোরবানির ঈদে গরুটি তিনি বিক্রয় করতে ইচ্ছুক তাই দাম রেখেছেন ১৫ লক্ষ টাকা। তবে ইতিমধ্যে গরুটির দাম ৮/১০ লাখ টাকা বলেছে ক্রেতা এমন দাবি গরুটির মালিকের।

“বিগ বস” নামের গরুটি পালন করে এলাকায় সাড়া ফেলে দিয়েছেন তিনি। এ গরুটি দেখতে প্রতিদিন তার বাড়িতে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ ভিড় করছেন। তবে গত ৪ বছরে একবারো বিগ বসকে ঘর থেকে বের করেন নাই কৃষক আফিল উদ্দিন। “বিগ বস” এখন পর্যন্ত ঠাকুরগাঁওয়ে সবচেয়ে বড় গরু দাবি কৃষক আফিল উদ্দিনের।

অবশেষে, শনিবার সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে গ্রামের ১০/১৫ জন মানুষের সহযোগীতায় “বিগ বস” কে ঘর থেকে বের করেন আফিল উদ্দিন। বিগ বসকে ঘর থেকে বের করা হচ্ছে এমন খবর দ্রæত এক গ্রাম থেকে আরেক গ্রামে ছড়িয়ে পরে। এসময় দুরদুরান্ত থেকে প্রায় হাজার খানেক গ্রামবাসী এত বড় গরু দেখার জন্য ছুটে আসে। সকলে “বিগ বস” কে দেখে হাঁত তালি দিয়ে উঠে। আর মুখে মুখে সবাই গরুটির উচ্চতা ও সুঠাম দেহ দেখে প্রশংসা করতে থাকে।

সরেজমিনে হরিপুর উপজেলার ডাঙ্গিপাড়া ইউনিয়নের তালতলা গ্রামে আফিল উদ্দিনের বাড়িতে গিয়ে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার নারী-পুরুষের ভিড় চোখে পড়ে। এগিয়ে যেতেই জানা যায়, উৎসুক জনতা আফিলের গরু দেখতে এসেছেন। গত ৪ বছর ধরে তিনি বিগ বসকে পালন করে আসছিলেন। শখের বশে উন্নত জাতের গরু কিনে সুষম খাদ্য, উপযুক্ত চিকিৎসা, নিয়মিত পরিচর্যা করেছেন তিনি। অবশ্য গরু পালনে উপজেলার প্রাণিসম্পদ অফিসের কোন সহায়তা পাননি বলে আফিলের অভিযোগ।

কৃষক আফিল উদ্দিন জানান, প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে শত শত লোক গরুটি দেখতে তার বাড়িতে ভিড় করছেন। ৪ বছর আগে নেকমরদ বাজার থেকে ছোট বাছুর ক্রয় করেছিলেন তিনি। দানাদার ও লিকুইড খাদ্য হিসেবে খৈল, গম, ভুট্টা, বুট ও ছোলার ভুষি, চিটাগুড়, ভিজানো চাল, খুদের ভাত, খড়, নেপিয়ার ঘাস ও কুড়া মিলে দিনে দুইবার খাওয়া দেন।

তবে আফিল উদ্দিন ক্ষোভের সাথে বলেন, ‘এ পর্যন্ত প্রাণিসম্পদ অফিসের কোনো সহযোগিতা পাননাই এমনকি তারা জানেও না এতবড় গরু তার বাসায় রয়েছে। এখন করোনার সময় বিগ বসকে কার হাতে তুলে দেবেন, ন্যায্য মূল্য পাবেন কিনা এ নিয়ে তিনি শঙ্কায় রয়েছেন।

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ আলতাফ হোসেন বলেন, শখের বসে বড় জাতের গরু পালন করেছেন আফিল উদ্দিন। বড় গরুতে ঝুঁকি থাকায় আমরা মাঝারি গরু লালন-পালন করতে উদ্বুদ্ধ করি। এমন বড় গরুর বিষয়ে তিনি শুনেছেন। তিনি না যেতে পারলেও অফিসের লোকজনের সাথে আফিলের নিয়মিত যোগাযোগ হয় বলে তিনি দাবি করেন।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful