Templates by BIGtheme NET
আজ- মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ::৬ আশ্বিন ১৪২৮ :: সময়- ৬ : ২৭ অপরাহ্ন
Home / ঠাঁকুরগাও / কঠোর লকডাউন, গরুর ক্রেতা সংকটে বিপাকে ঠাকুরগাঁওয়ের খামারিরা

কঠোর লকডাউন, গরুর ক্রেতা সংকটে বিপাকে ঠাকুরগাঁওয়ের খামারিরা

রবিউল এহ্সান রিপন, ঠাকুরগাঁও: আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁওয়ে কোরবানির গরু বিক্রয় নিয়ে খামারিরা যেমন শঙ্কায় আছেন তেমনি দুশ্চিন্তায় আছেন ক্রেতারাও। চলমান লকডাউনের কারণে এই শঙ্কা আর দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা। করোনা সংক্রমন বেড়ে যাওয়া সারা বাংলাদেশের ন্যায় ঠাকুরগাঁওয়ে চলছে কঠোর লকডাউন। লকডাউনের কারণে জেলার সকল গরুর হাটগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও দুরপাল্লার যানবাহন চলাচল না করার কারনে জেলার বাহির থেকে কোন গরু ক্রেতা খামারেও আসছে না। দু’একজন এলেও কাঙ্খিত দাম না বলায় গরু বিক্রি করতে পারছেন না খামারিরা। অনলাইনেও কোনও সাড়া মিলছে না ক্রেতার। এমন পরিস্থিতিতে কোরবানী ঈদকে সামনে রেখে জেলার ছোট বড় সকল খামারিরা বেশ দুঃশ্চিন্তায় রয়েছে।

তবে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বলছেন, ইতোমধ্যে অনলাইনে গরু বিক্রির জন্যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে-এই খরা কেটে যাবে ঈদের দু’চারদিন আগেই। প্রশাসনের পক্ষ হতে অনলাইন ছাড়াও সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে কিছু হাঁট বাজার খুলে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের তথ্য মতে, এ বছর ঠাকুরগাঁও জেলায় আনুমানিক ৮০ হাজার ৪৫৯টি গরু ও ছাগল হৃষ্টপুষ্ট করা হয়েছে কোরবানি দেওয়ার জন্য। এছাড়াও অনেকে বাসাবাড়িতে গরু লালন পালন করে সেই হিসেবে এক লাখ ছাড়িয়ে যাবে কোরবানির পশু।

কথা হয় জেলা শহরের শীবগঞ্জ এলাকার ইমন এগ্রো ফার্মের মালিক খামারি রুহুল আমিনের সঙ্গে। কোরবানির বাজারকে সামনে রেখে প্রায় পাঁচ বছর ধরে গরু লালন পালন করে আসছেন তিনি। বলেন, এ বছরই ব্যতিক্রম। ঈদের প্রাক্কালে এই সময়ে খামারে একটা গরুও অবিক্রিত থাকতো না। অথচ গেল সপ্তাহে মোটে একজন পার্টি এসে ঘুরে গেছেন। গরুর যে দাম বলছেন, তাতে ক্রয়মূল্যও থাকছে না। এ বছর তার খামারে দেশি গরু মোট ২০০টি রয়েছে। ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে গরু কিনেছেন তিনি। গরু বিক্রি না হলে কী যে হবে- তা নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় আছি।

ঠাকুরগাঁও সদরের লোহাগাড়া এলাকার মকবুল হোসেন। সংসারে আর্থিক স্বচ্ছলতা আনতে দোকানের পাশাপাশি নিজ বাড়িতে প্রতি বছর ৪-৫টি গরু হৃষ্টপুষ্ট করে থাকেন। গত কয়েক বছর ব্যবসা ভালো হলেও করোনার কারণে এ বছর বিক্রি নিয়ে সংশয়ে আছেন। মাত্র দু’জন ক্রেতা এলেও তারা তেমন কোনও দাম বলেননি।

ঠাকুরগাঁওয়ের প্রায় সকল খামারির একই অবস্থা। করোনার পরিস্থিতে খামার কিংবা হাট কোথাও দেখা মিলছে না ক্রেতার। জেলার বড় খোচাবাড়িঁ হাট, শীবগঞ্জ হাট, লাহিড়ী হাট, নেকমরদ হাট সহ আরো অনেকগুলো বড় বড় গরুর হাঁট রয়েছে। যেগুলো এখন লকডাউনের কারণে শূন্য মাঠ হিসেবে পড়ে রয়েছে। অথচ গেল বছরগুলোতে এই সময়ে হাঁটগুলো থাকতো গরু ও লোকের সমাগমে ভরপুর। কোরবানী ঈদ এর আর বেশি দিন বাকি নেই।

খোচাবাড়ি হাটের ইজারাদার মাসুদ রানা বলেন, আগে প্রতি হাটে কমপক্ষে পাঁচ হাজার পশু বিক্রি হতো। এইবারে লকডাউনে হাটগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ঈদের আগে হাঁটগুলো খুলে দেওয়া না হলে মরণ ছাড়া কোনও গতি থাকবে না।

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ আলতাফ হোসেন বলেন, খামারিদের এই হতাশা খুব শিগগিরই লাঘব হবে। অনলাইনের মাধ্যমে গরু বিক্রয়ের জন্য প্রশাসন থেকে একটি ব্যাবস্থা করা হচ্ছে। তবে ঈদের আগে কিছু পশু বিক্রয়ের হাঁট বাজার নিয়ম মেনে খুলে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। খামারিরা যেন ক্ষতির সমুক্ষিন হতে না হয় সেজন্য আমরা সবসময় চেষ্টা করে যাচ্ছি।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful