Templates by BIGtheme NET
আজ- সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ::৫ আশ্বিন ১৪২৮ :: সময়- ১ : ৫৯ পুর্বাহ্ন
Home / কুড়িগ্রাম / কুড়িগ্রামে ৫০ হাজার শিক্ষার্থী ঝরে পড়েছে

কুড়িগ্রামে ৫০ হাজার শিক্ষার্থী ঝরে পড়েছে

সাইফুর রহমান শামীম, কুড়িগ্রাম: কুড়িগ্রামে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রায় ৫০ হাজার শিক্ষার্থী ঝরে পরেছে। এ শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ (ছাত্রী) বাল্যবিয়ের শিকার হয়েছে। রোববার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার প্রথম দিন কন্যাশিশুর অনুপস্থিতি কম লক্ষ্য করা গেছে।

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শামসুল আলম জানান, শতকরা ১৩ ভাগ শিক্ষার্থী ঝরে পড়েছে। এ হিসাবে জেলায় গত দেড় বছরে ঝরে পড়া শিশু শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজার। ঝরে পড়া কন্যাশিশুদের অধিকাংশই বাল্যবিয়ের শিকার হয়েছে। করোনার দীর্ঘ বন্ধের মধ্যে সদরের ৫টি স্কুলের ৬৩ ছাত্রী বাল্যবিয়ের শিকার হয়েছে। অন্য স্কুলগুলোতে ঝরে পড়া ও বাল্যবিয়ের শিকার মেয়েদের প্রকৃত তথ্য নিতে উপজেলাগুলোতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আশা করছি দু-এক দিনের মধ্যে সার্বিক চিত্রটা বোঝা যাবে।

জানা যায়, কুড়িগ্রাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০ জন, ঘোগাদহ মালেকা বেগম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৬ জন, কাঁঠালবাড়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৪ জন এবং বারউল্লাহ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬ জনসহ ৫টি বিদ্যালয়ে ৯১ ছাত্রী বাল্যবিয়ের শিকার হয়েছে। কুড়িগ্রাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শুধু দশম শ্রেণিতে ১২ জনসহ প্রায় ৩০ জনের বিয়ে হয়েছে।

সদর উপজেলার যাত্রাপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, করোনার আগে এই বিদ্যালয়ে ৭ম শ্রেণিতে উপস্থিতি ছিল ৫০ জন। রোববার উপস্থিত হয় ৪৩ জন। নবম শ্রেণিতে আগে ছিল ৩১ জন, এদিন উপস্থিত হয় ২২ জন। ১০ শ্রেণিতে আগে ছিল ২৫ জন, উপস্থিত হয় ১৭ জন। এসএসসিতে আগে ছিল ২৪ জন; উপস্থিত হয় ১৯ জন। এসএসসি পরীক্ষার্থী জান্নাতুন জানান, তার ক্লাসের ৫ জনের বিয়ে হয়েছে। দশম শ্রেণির সোহানা জানান, তার দুজন বান্ধবীর বিয়ে হয়েছে।

এসএসসি পরীক্ষার্থী আইরিন বলেন, লকডাউনে আমরা পরিবারের কাছে যেন বোঝা হয়ে ছিলাম। কোথাও বাইরে যেতে দেওয়া হতো না। প্রাইভেট পড়াও বন্ধ ছিল। অনেক বান্ধবীর বিয়ে হয়ে গেছে। তারা পড়াশোনা করতে চেয়েছিল কিন্তু পরিস্থিতির শিকার হয়েছে। যাত্রাপুর চাকেন্দা খানপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে দেখা যায় একই চিত্র। এ স্কুলের শিক্ষার্থী আমিনা, সালমা ও নাজনিন জানায়, ৭ম থেকে এসএসসি পর্যন্ত ৮ জনের বিয়ে হয়েছে।

এই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম জানান, বাল্যবিয়ের তথ্য এখনো আমরা পাইনি। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা আসুক তাদের সঙ্গে আলোচনা করলে প্রকৃত তথ্য জানা যাবে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful