Templates by BIGtheme NET
আজ- সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ::৫ আশ্বিন ১৪২৮ :: সময়- ১ : ৫৫ পুর্বাহ্ন
Home / রংপুর / রংপুরে মানব পাচার সংঘবদ্ধ চক্রের দুই সদস্য র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার

রংপুরে মানব পাচার সংঘবদ্ধ চক্রের দুই সদস্য র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার

মমিনুল ইসলাম রিপন: রংপুরে মানব পাচার সংঘবদ্ধ চক্রের দুই সদস্য কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১৩। গতকাল মঙ্গলবার ভোরে র‌্যাব-১৩, ব্যাটালিয়ন সদর এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রংপুর জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মানব পাচার সংঘবদ্ধ চক্রের ২ জন সদস্য মোঃ মুজিবুর রহমান মুছা (৫৫), জেলা-গাইবান্ধা এবং মোঃ অহিদুল ইসলাম (৫০), জেলা-রংপুর’কে গ্রেফতার করে।

র‌্যাব-১৩ এর অধিনায়কের পক্ষে মাহমুদ বশির আহমেদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্টসহকারি পরিচালক (মিডিয়া) সাংবাদিকদের নিকট পাঠানো এক প্রেস বার্তায় জানান, সাম্প্রতিক সময়ে বিদেশে বাংলাদেশী শ্রমিকদের সুনাম ও চাহিদার প্রেক্ষিতে বিপুল পরিমাণ জনশক্তি বিদেশে কর্মরত রয়েছে এবং দিন দিন এর চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রবাসীদের কষ্টার্জিত আয় আমাদের অর্থনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। কিন্তু বাংলাদেশের এক শ্রেণীর অসাধু দালাল চক্র স্বল্প আয়ের মানুষদের প্রলোভন দেখিয়ে আন্তর্জাতিক চক্রের যোগসাজসে বিদেশে অবৈধভাবে মানব পাচার করছে। এ ধরণের প্রতারণার শিকার সাধারণ নিরীহ জনগণ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মানবেতর জীবন যাপন করছে। এছাড়া জিম্মি/বন্দী দশায় মানব পাচারকারী দ্বারা নির্মমভাবে অত্যাচারিত হচ্ছে। এমনি একজন মধ্যপ্রাচ্যে পাচার হওয়া ভুক্তভোগী তার কাছে থাকা প্রমান স্বরুপ বিভিন্ন কাগজপত্রাদিসহ র‌্যাব-১৩, রংপুরে একটি অভিযোগ দাখিল করে। উক্ত অভিযোগের সত্যতা যাচাই লক্ষে র‌্যাব-১৩, রংপুরের একটি চৌকশ দল ছায়া তদন্ত শুরু করে।এরই ধারাবাহিকতাই গত কাল মঙ্গল বার ১৪ সেপ্টেম্বর ভোরে র‌্যাব-১৩, ব্যাটালিয়ন সদর এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রংপুর জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মানব পাচার সংঘবদ্ধ চক্রের ২ জন সদস্য মোঃ মুজিবুর রহমান মুছা (৫৫), জেলা-গাইবান্ধা এবং মোঃ অহিদুল ইসলাম (৫০), জেলা-রংপুর’কে গ্রেফতার করে।

তিনি বার্তায় আরো জানান,প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাদের নিকট থেকে চাঞ্চল্যকর বেশ কিছু তথ্য পাওয়া যায়। তারা স্বীকার করে যে, দীর্ঘদিন যাবৎ তারা গ্রামের সহজ সরল লোকদেরকে টার্গেট করে বিভিন্ন প্রকার প্রতারণার ফাঁদ সৃষ্টি করে মানব পাচার করত। নিরিহ লোকজনদের সর্বশান্ত করাই তাদের একমাত্র নেশা ও পেশা। তাদের এহেন কর্মকান্ডের ফলে আজ বহু মানুষ শারীরিক, মানুষিক ও আর্থিক ক্ষতির শিকার। এমনি একজন ভুক্তভোগী সহজ সরল গ্রামের বাজারে একটি মোবাইল মেরামত দোকানের মালিক পরিবারবর্গ নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিল। একদিন ভুক্তভোগীর দোকানে তারা ফ্লেক্সিলোড করার জন্য আসলে এক কথায় দুই কথায় আলাপ চারিতায় ঐ ভুক্তভোগীর সাথে পরিচয় হয়। তারা জানায় যে, অতি অল্প টাকায় অধিক সুযোগ সুবিধায় মধ্যপ্রাচ্যে লোক পাঠিয়ে থাকে এবং এক পর্যায় ভুক্তভোগীকে মধ্যপ্রাচ্যে নেওয়ার জন্য প্রস্তাব করে। ভুক্তভোগী বিশ্বাস স্থাপন করে তাদের কথায় রাজি হয়। গত ২৬ জুন ২০১৭ ইং তারিখে তারা (মানব পাচারকারী) ০২ জন সদস্য ভুক্তভোগীর দোকানে আসলে ভুক্তভোগী তার পাসপোর্ট প্রদান করে। তাদের দেওয়া ভিসা অনুযায়ী ভুক্তভোগী গত ০৮/১১/২০১৮ ইং তারিখে কাতার হয়ে মধ্যপ্রাচ্যে গমন করে। সেখানে গমন করার পর সেখান থেকে মোঃ নাজমুল ইসলাম (৪০) সহ অজ্ঞাতনামা ২/৩ জন তাদের (মানব পাচারকারী) দলের সদস্য ভুক্তভোগীকে রিসিভ করে ইরাকের একটি ভবনের কক্ষে নিয়ে আটকে রাখে। উক্ত কক্ষে ভুক্তভোগীর মত আরো ২১ জন লোক ছিল। উক্ত কক্ষে আটকে রেখে ভুক্তভোগীদেরকে শারীরিক নির্যাতনসহ ২/৩ দিন কিছু না খেতে দিয়ে বিভিন্ন রকমের কষ্ট দিতে থাকে এবং বাড়িতে ফোন করে আরো অর্থের দাবী করে। তাদের (মানব পাচারকারী) নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে ভুক্তভোগী আনুমানিক ১ মাস পর গোপনে আটকে রাখা কক্ষ থেকে পালিয়ে যায় এবং বিভিন্ন লোকজনের সহায়তা নিয়ে বাংলাদেশ দুতাবাসের সাহায্যে বাংলাদেশে চলে আসে। তারা সম্প্রতি গ্রেফতারকৃত পাচার চক্রের মূল হোতা লিটন ওরোফে ডাক্তার লিটন (৪৫) এর সহযোগী বলে তারা স্বীকার করেছে। আটককৃত মানব পাচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে ।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful