Templates by BIGtheme NET
আজ- বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টোবর, ২০২১ ::৬ কার্তিক ১৪২৮ :: সময়- ৮ : ০৫ পুর্বাহ্ন
Home / রংপুর / তারাগঞ্জে সেতু ভেঙ্গে ১২ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ
https://www.uttorbangla.com/wp-content/uploads/PMBA-1.jpg

তারাগঞ্জে সেতু ভেঙ্গে ১২ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ

এনামুল হক দুখু, তারাগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি: রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় ভীমপুর শাইলবাড়ী ঘাটে একটি সেতুর অভাবে ১২ গ্রামের প্রায় ১৫ হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছে। দীর্ঘদিন যাবত চিকলি নদীর উপড়ে এখানে সেতুটি না থাকার কারণে গত বছর স্থানীয় লোকজন এলাকার লোকদের বাড়ি বাড়ি চাঁদা তুলে নদীর উপড়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কোনরকম চলাচলের জন্য একটি বাঁশের সাঁকো তৈরী করেন। কিন্তু এ বছর বর্ষায় বাঁশের সাঁকোটির মধ্যাংশটি নদীর পানির স্রোতে ভেঙ্গে গেছে।

জানা গেছে, বাঁশ দিয়ে তৈরী সেতুটি ২০১৬ সালে ভয়াবহ বন্যায় ভেঙ্গে যায়। এরফলে বন্যার পানি গ্রামে প্রবেশ করে ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি করে। সর্বশেষ ২০২০ সালের বন্যায় আবারও সেতুটি ভেঙ্গে গেলে স্থানীয় লোকজন নিজেদের উদ্দ্যোগে ও নিজ অর্থায়নে সেতুটি নির্মাণ করেন। ১২ গ্রামের হাজারও মানুষ ও কোমলমতি শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন এই সাঁকো দিয়ে চলাচল করছিলো। কিন্তু সাঁকোটি ভেঙ্গে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে এসব মানুষেরা।

ওই এলাকার স্থানীয় কৃষক আমজাদ হোসেন,আব্দুল জব্বার, নুর ইসলাম,আমিনুর রহমান বলেন, সাঁকোটি ভেঙ্গে পড়ায় আমরা আমাদের উৎপাদিত পণ্য চিকলির হাট,তেঁতুলতলা বাজার,ভীমপুর বাজার ও তারাগঞ্জ বাজারে নিয়ে যাইতে পারতেছিনা। এরফলে গ্রামেই কমদামেই আমাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য বিক্রি করতে হচ্ছে। তারা কষ্টের সহিৎ বলেন, আমাদের উপজেলা সদর তারাগঞ্জ বাজারে সপÍাহের দুদিন সোমবার ও শুক্রবার হাটবার। এ হাটে বিপুল পরিমাণ কৃষিপণ্য কেনাবেঁচা হয়। এখানে পণ্য বিক্রি করতে পারলে মোটামুটি বেশি টাকা পাওয়া যায়। কিন্তু সেতুটি ভেঙ্গে পড়ে এভাবে দীর্ঘদিন থাকার কারণে আমাদের পণ্য আমরা বাজারে নিয়ে যেতে পারছি না। এতে করে আমরা লোকশান গুনছি। সেতুটি না থাকার কারণে দীর্ঘপথ অতিরিক্ত পারি দিয়ে যাইতে হয় উপজেলা সদর হাটে। এতে করে অতিরিক্ত টাকা বেশি ভাড়া গুণতে হয় আমাদের। সেতুটি নির্মাণ করা হলে স্থানীয় কৃষকেরা বেশি লাভবান হবেন।

সেখানে গিয়ে কথা হয় স্থানীয় বাসিন্দা আজমল হোসেন,আমীর উদ্দিন,আমজাদ হোসেনসহ আরও অনেকের সাথে। তারা বলেন, হামরা প্রতি বছর গ্রামের মানুষগুলারটে বাড়ি বাড়ি টাকা চাঁদা তুলিয়া এটে কোনা বাঁশের সাঁকো কোনা বানাই। কিন্তু যখন বর্ষার সময়ত নদীত পানি বেশি হয় তখন বাঁশের খুঁটিগুলা পানির স্রোতোত ভাঙ্গি যায়। এতে করি হামার চলাচলি বন্ধ হয়া যায়। তখন হামার কষ্টের শ্যাষ থাকে না। তোমরা এনা পেপারত লেখি দেও তো। সরকার এটে কোনা একনা পুল বানে দেলে হামার হাজার হাজার মানুষের কষ্ট দূর হইল হয়।

চকতাহীরা এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা রংপুর কারমাইকেল কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র আব্দুল ওয়াজেদ সরকার বলেন, আমাদের এলাকার হাজারও শিক্ষার্থী প্রতিদিন তারাগঞ্জে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে লেখাপড়ার জন্য যায়। কিন্তু ব্রীজটি না থাকার কারণে এসব স্কুলÑকলেজগামী শিক্ষার্থীরা দীর্ঘপথ পাড়ি দিয়ে নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যায়। তাই এখানে ব্রীজটি নির্মিত হলে আমাদের এলাকার শিক্ষার্থীদের অনেক কষ্ট লাঘব হত।

বাঁশের সাঁকোটি ভেঙ্গে পড়ার কারণে আলমপুর ইউনিয়নের ভীমপুর,প্রামানিকপাড়া,মৌলভীপাড়া,বানিয়াপাড়া, খ্যানপাড়া, শাইলবাড়ি,ডাঙ্গাপাড়া,নলুয়ারডাঙ্গা, কোরানীপাড়া, মহেশখোলা,দর্জিপাড়া, ডাঙ্গাপাড়াসহ মোট ১২ গ্রামের প্রায় ১৫ হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছে।

আলমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (আওয়ামীলীগ সমর্থিত) দেলোয়ার হোসেনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমার এলাকার শাইলবাড়ি ঘাটে সেতু নির্মাণের বিষয়টি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও স্থানীয় সংসদ সদস্যকে জানিয়েছি। ইউনিয়ন পরিষদের বরাদ্দ না থাকার কারণে আমি সেতুটি সংস্কার করতে পারছি না।

উপজেলা প্রকৌশলী আহমেদ হায়দার জামানের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, শাইলবাড়ি ঘাটে সেতু নির্মাণের জন্য গত বছর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আমরা ঢাকায় পাঠিয়েছি বরাদ্দ পেলেই সেখানে সেতু নির্মাণ করা হবে।

Social Media Sharing
https://www.uttorbangla.com/wp-content/uploads/Circular-MBAProfessional-Admission_9th-Batch-1.jpg

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful