আর্কাইভ  মঙ্গলবার ● ৩০ নভেম্বর ২০২১ ● ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৮
আর্কাইভ   মঙ্গলবার ● ৩০ নভেম্বর ২০২১

মেসি-ম্যারাডোনা অদ্ভুত মিল!

শনিবার, ১১ জানুয়ারী ২০১৪, দুপুর ০১:১২

মেসির আগে এবং পরে উঠতি অনেক ফুটবলারের কপালে ‘নতুন ম্যারাডোনা’র তকমা সেঁটে গিয়েছিলো। তবে মেসিই যে একমাত্র যোগ্য উত্তরাধিকার, সেটাই তিনি প্রমাণ করে দিলেন ২০০৭ সালের ১৮ এপ্রিল। ছয় খেলোয়াড়কে কাটিয়ে যখন গোল করলেন মেসি।

পরিস্থিতি, সময়, গুরুত্ব ও মর্যাদা বিবেচনায় ১৯৮৬-র বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যারাডোনার করা ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’র সঙ্গে ২০০৭ সালের কোপা ডেল রের সেমিফাইনালের প্রথম লেগের গোলটির হয়তো কোনো তুলনাই চলে না। কিন্তু মেসির ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা সেই গোলটি আশ্চর্যজনকভাবে স্মরণ করিয়ে দেয় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যারাডোনার করা ফুটবল ইতিহাসের শতাব্দী-সেরা গোলটির কথাই।

মেসিও সেদিন নিজেদের অর্ধে বল পেয়ে গেটাফের পাঁচজন খেলোয়াড়কে পরাস্ত করে ডি-বক্সের একেবারে ভেতরে চলে যান। এগিয়ে আসা গোলরক্ষককে বোকা বানিয়ে প্রাণপণ চেষ্টা করা রক্ষণের শেষ বাধাটিও আলতো চিপে পার করে সম্পন্ন করেন এক অসাধারণ গোল।

ম্যারাডোনা এবং মেসির গোল দু’টির ভিডিও পাশাপাশি দেখলে চমকেই যেতে হয়। এত অস্বাভাবিক মিল গোল দু’টির মধ্যে। এমনকি শেষ মুহূর্তে গোলরক্ষকে বোকা বানানো, কিংবা বল জালে ঠেলে দিয়েই মাঠের সবুজ জমিনে স্লাইডিং—একেবারে হুবহু মিল। শুধু কি তা-ই? গোলের পর ম্যারাডোনা যেভাবে উদযাপন করেছিলেন, কাকতালীয়ভাবে মেসির উদযাপনের সঙ্গে তার মিল আছে অনেকটাই।

আরো কাকতালীয় ব্যাপার কি জানেন? ১৯৮৪ সালের ৮ জানুয়ারি ম্যারাডোনাও চোটের কারণে দীর্ঘদিন বাইরে থেকে ফিরেছিলেন বার্সেলোনা দলে। বছরের প্রথম ম্যাচে বার্সা মুখোমুখি হয়েছিল সেভিয়ার। আর দলে ফিরেই ম্যারাডোনা ওই ম্যাচে করেছিলেন দুই গোল! সেদিন ছিল ৮ জানুয়ারি ১৯৮৪। আর ইনজুরি থেকে ফিরে মেসি দুই গোল করলেন ৮ জানুয়ারি ২০১৪! কী অদ্ভুত মিল!

মন্তব্য করুন


Link copied