Templates by BIGtheme NET
আজ- সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ::৫ আশ্বিন ১৪২৮ :: সময়- ৬ : ১৮ অপরাহ্ন
Home / আলোচিত / এরশাদের নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদাবাজি!

এরশাদের নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদাবাজি!

Ershadডেস্ক: রাজনৈতিক নেতাদের নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ নতুন নয়। নেতাদের নাম ভাঙ্গিয়ে কর্মীদের চাঁদাবাজি বাংলাদেশের রাজনীতির অনুসঙ্গে পরিণত হয়েছে। নেতারা কর্মীদের এমন চাঁদাবাজির বিষয়ে অবগত থাকলেও কর্মীদের বিরুদ্ধে কোন সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেন না। রাজনীতিবিদদের সেই তালিকার একটি বড় নাম সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। বর্তমানে এরশাদের আগের সেই প্রতাপ না থাকলেও থেমে নেই তার নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদাবাজি। আর এরশাদের মৌন সম্মতিতেই এমন চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটে বলেই জাতীয় পার্টির একাধিক নেতার দাবি।

জানা যায়, দলের চেয়ারম্যানের নাম ভাঙ্গিয়ে ঢাকার একটি বস্তি থেকে অর্ধ কোটি টাকা চাঁদাবাজি করেন দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য এসএম ফয়সল চিশতী। দলের অনেক সদস্য চিশতীর চাঁদাবাজির বিরোধিতা করলে তার বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করতে বাধ্য হন এরশাদ। পরে তদন্ত কমিটি চাঁদাবাজির সত্যতা পেলেও এরশাদ চিশতীর বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেননি। বরং বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন তিনি। চাঁদাবাজিকে প্রশ্রয় দেওয়ায় এরশাদের উপর অভিমান করে সে সময় দল ছেড়ে দেন প্রয়াত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) কাজী মাহমুদ হাসান। এরশাদের দল ছেড়ে নতুন দল গড়া কাজী জাফরের মতে, এরশাদ আগে থেকেই চাঁদাবাজির বিষয়টি জানতেন। এমনকি এরশাদের সম্মতিতেই চিশতী চাঁদাবাজি করেছেন বলেই অভিযোগ এই নেতার।
জাতীয় পার্টির একাধিক সূত্র জানায়, স্বয়ং এরশাদ তার নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদাবাজির বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ছিলেন। চাঁদার বড় একটি ভাগ পাওয়ার কারণে তিনি চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কোন ধরণের সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেন না। এমনকি বর্তমানে এরশাদের নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদাবাজি চললেও তিনি কিছুই বলছেন না।

জাতীয় পার্টির সূত্র জানায়, কড়াইল বস্তি এলাকায় পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স একটি কোম্পানির জমি কেনে। কিন্তু ক্রয়কৃত জমি দখলে বাধা হয়ে দাঁড়ান জাপা নেতা এসএম ফয়সল চিশতী। পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি বাধ্য হয়ে দ্বারস্থ হন তৎকালীন স্থানীয় এমপি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের। সে সময় এমপি এরশাদের সব কাজের দেখভাল করতেন জাপা ঢাকা উত্তরের সভাপতি ও জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য এসএম ফয়সল চিশতী। পরে এরশাদের পক্ষ থেকে বিষয়টি মধ্যস্থতার দায়িত্ব নেন জমি দখলে বাধা দেওয়া চিশতী। তিনি এরশাদকে ঘুষ দেয়ার জন্য কোম্পানিটির কাছে এক কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেন। পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স শেষ পর্যন্ত ৫১ লাখ ৫০ হাজার টাকা তুলে দেন চিশতীকে। পরে বিষয়টি জানাজানি হয়ে গেলে, গুলশান থানার সাবেক ওসিকে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও জাপার কয়েকজন নেতাকে ২০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা করে দিয়ে ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেন।

পরে জাতীয় পার্টির একাধিক সদস্যের বিরোধিতার মুখে চিশতীর বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করেন এরশাদ। তদন্ত কমিটির কাছে যুব সংহতির নেতা হাসিবুল ইসলাম জয় চাঁদাবাজিতে যুক্ত থাকার বিষয়টি নিজ মুখে স্বীকার করেন। অন্যান্য সাক্ষীও এরশাদের নামে বিভিন্ন সময় চাঁদাবাজির বিষয়টি স্বীকার করেন। তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পর জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ চিশতীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা ঘোষণা করেন। কিন্তু পরে আর তা করেননি। কিছু দিন এরশাদের বাসায় আসা-যাওয়াও বন্ধ করে দিয়েছিলেন চিশতী। পরে অদৃশ্য কারণে ফয়সল চিশতীকে কাছে টেনে নেন এরশাদ। কড়াইল বস্তির পাশাপাশি এরশাদের সংসদীয় এলাকা ঢাকা-১৭ আসনে উন্নয়ন কাজের জন্য বরাদ্দ বেশ কিছু অর্থ আত্মসাতের সাথে যুক্ত ছিলেন চিশতী। যার প্রমাণ পায় তদন্ত কমিটি।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful