Templates by BIGtheme NET
আজ- বুধবার, ২০ অক্টোবর, ২০২১ ::৫ কার্তিক ১৪২৮ :: সময়- ১২ : ৩৫ পুর্বাহ্ন
Home / উত্তরবাংলা স্পেশাল / বিড়ি ফ্যাক্টরির দুর্দিন: লালমনিরহাটে বেকার হওয়ায় আশংকায় ৫লাখ শ্রমিক
https://www.uttorbangla.com/wp-content/uploads/PMBA-1.jpg

বিড়ি ফ্যাক্টরির দুর্দিন: লালমনিরহাটে বেকার হওয়ায় আশংকায় ৫লাখ শ্রমিক

unnamed (3)নিয়াজ আহম্মেদ সিপন, লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ শুল্ক বৈষম্যের কারনে একের পর এক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে গ্রামীন কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী বিড়ি শিল্প। ফলে বিড়ি শিল্পের সাথে জড়িত লালমনিরহাটে ৫ লাখ শ্রমিকের জীবন-জীবিকা অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে । গত আড়াই’শ বছরের ঐতিহ্যবাহী শিল্প হলো বিড়ি শিল্প। কিন্তু শুল্কায়নের কারনে সেই বিড়ি শিল্প আজ বিলপ্তির পথে।

শ্রমিকরা বলছেন, বর্তমান সময়ে এ শিল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত অভাব অনটন আতংকের মধ্যে দিন কাটছে। উৎপাদন প্রতিদিনই অস্বাভাবিক হারে কমছে। ভারসাম্যহীন করকাঠামোর কারনে বিড়ি শিল্পে এ বিপর্যয় নেমে এসেছে । ইতিমধ্যে কয়েকটি স্থানে বেশ কিছূ কারখানা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়ে দাড়িয়েছে। এ পেশার সঙ্গে জড়িত লালমনিরহাট জেলায় প্রায় ৫ লাখ নারী ও পুরুষ শ্রমিক-কর্মচারী বেকার হওয়ার আশংকায় রয়েছে। এ আশংকায় অনেকে বিড়ি শ্রমিক ইতিমধ্যেই কাজের সন্ধানে গ্রাম ছেড়ে শহরে চলে যাচ্ছে। বিড়ি শিল্পকে রক্ষা ও শ্রমিকদের রুজি- রুটির স্বার্থে এ শিল্পের উপর শুল্কের পরিমান কমিয়ে না আনলে শিল্পটি ধ্বংস হারিয়ে যেতে পারে।

বিড়ি শ্রমিক ফেড়ারেশনের হিসাব অনুযায়ী বিড়ি কারখানার বেশীরভাগই নদী ভাঙ্গন কবলিত দরিদ্র পীড়িত অঞ্চলে অবস্থিত। এসব কারখানা ঘুরে দেখা গেছে, শ্রমিকদের অধিকাংশই গরীব, অসহায়, স্বামী পরিত্যক্তা নারী ।

বিড়ি ফ্যাক্টরিতে কর্মরত শ্রমিক আলেয়া, মরিয়ম ও কুদ্দুস মিয়াসহ অনেকেই বলছেন, বেকার হওয়ার আশংকা ও চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিয়ে বিড়ি কারখানায় কাজ করে কোন রকমে জীবিকা নির্বাহ করি। কিন্তু এখন চোখে মুখে অন্ধকার দেখছি।

বেসরকারী গবেষনা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর এমপয়মেন্ট মনিটরিং (সেম) – গবেষনা রির্পোটে বলা হয়েছে ধুমপান নিরুৎসাহিত করার কথা বলে প্রত্যেক বাজেটে বিড়ির উপর শুল্ক বৃদ্ধি করা হচ্ছে। ২০০১ সালে প্রতি হাজার বিড়ির বিপরীতে কর বা শুল্ক ছিল ৩০.৯০ টাকা, যা বেড়ে ২০১০ সালে ৫০.৮৮ টাকায় দাড়িয়েছে। এভাবে কর বৃদ্ধির ফলে বিড়ির দাম বেড়ে প্রায় সিগারেটের সমপর্যায় পৌছে গেছে। এ কারনে বিড়ি ভোক্তাদের একটি বড় অংশ ধীরে ধীরে বিড়ি বাদ দিয়ে কমদামী সিগারেটের দিকে ঝূকে পড়ছে। এ কারনে বিড়ি শিল্পে এর প্রভাব পড়েছে ।

জানা গেছে, শুল্কের এই বৃদ্ধির কারনে সরকারের রাজস্ব আয় বাড়েনি বরং কমেছে দ্বিগুন হারে। উদ্যোক্তারা বলছেন, বিড়ির বাজার ক্রমেই সংকুচিত হয়ে আসায় ভূর্তুকি দিয়ে আর কারখানা টিকিয়ে রাখা সম্বব নয়। এ কারনে কারখানা বন্ধের মতো কঠিন সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য হচ্ছেন তারা । সামগ্রিকভাবে ধুমপায়ীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পেলেও বন্ধ হয়ে যাচ্ছে বিড়ি কারখানা।

বেunnamed (4)সরকারী গবেষনা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর এমপয়মেন্ট মনিটরিং (সেম) – গবেষনা রির্পোটে বলা হয়েছে ধুমপান নিরুৎসাহিত করার কথা বলে প্রত্যেক বাজেটে বিড়ির উপর শুল্ক বৃদ্ধি করা হচ্ছে। ২০০১ সালে প্রতি হাজার বিড়ির বিপরীতে কর বা শুল্ক ছিল ৩০.৯০ টাকা, যা বেড়ে ২০১০ সালে ৫০.৮৮ টাকায় দাড়িয়েছে। এভাবে কর বৃদ্ধির ফলে বিড়ির দাম বেড়ে প্রায় সিগারেটের সমপর্যায় পৌছে গেছে। এ কারনে বিড়ি ভোক্তাদের একটি বড় অংশ ধীরে ধীরে বিড়ি বাদ দিয়ে কমদামী সিগারেটের দিকে ঝূকে পড়ছে। এ কারনে বিড়ি শিল্পে এর প্রভাব পড়েছে ।

এ ব্যাপারে শ্রমিক নেতা আজিজার রহমান ও পনির উদ্দিন জানান, কমদামী সিগারেট এখন বিড়ির বাজার দখল করে নিচ্ছে। এ কারনে মালিকরা একের পর এক বিড়ি কারখানা বন্ধ করে দিচ্ছে। আকিজ বিড়ি ফ্যাক্টরির ম্যানেজার একরামুল হক জানান, ১৯৭২ সাল থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত বিড়ি শিল্প ভালোই ছিল। ১৯৭৫ সালের পর থেকে এই শিল্পে করারোপ করার পর থেকে ক্রমাগতভাবে করের বোঝায় বিড়ি শিল্প আজ ধ্বংসের দারপ্রান্তে এসে দাড়িয়েছে।

Social Media Sharing
https://www.uttorbangla.com/wp-content/uploads/Circular-MBAProfessional-Admission_9th-Batch-1.jpg

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful