Templates by BIGtheme NET
আজ- মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২১ ::৪ কার্তিক ১৪২৮ :: সময়- ১১ : ৫৩ অপরাহ্ন
Home / খোলা কলাম / বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের টর্চার সেল !
https://www.uttorbangla.com/wp-content/uploads/PMBA-1.jpg

বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের টর্চার সেল !

আরিফুর রহমান

satrবাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) ছাত্রলীগের নির্যাতনে শিক্ষার্থী ও একই সংগঠনের নেতা সায়াদ ইবনে মমতাজ হত্যাকাণ্ড আবারও আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল ছাত্ররাজনীতির নামে ছাত্রলীগ কীভাবে ধ্বংসাত্মক কাজে মেতে আছে। গত কয়েক দিন বিশ্ববিদ্যালয়টিতে বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছেন এবং প্রকাশ্যেই বলছেন তাঁরা ছাত্রলীগের একশ্রেণির নেতা-কর্মীর কাছে রীতিমতো জিম্মি হয়ে আছেন।

বিভিন্ন হলে টর্চার সেল, ক্যাম্পাসের আশপাশের দোকানগুলোতে চাঁদাবাজি, ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করার মতো খারাপ কাজগুলোর সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের জড়িত থাকা সেখানে নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিস্ময়কর হলো, সেখানকার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নাকি ছাত্রলীগের এসব কর্মকাণ্ডে নীরব থেকে কার্যত সমর্থন জানায়। এও কি সম্ভব! ছাত্রলীগ তার অতীত ঐতিহ্য ধুলোয় মিশিয়ে যেভাবে গত পাঁচ বছর দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সন্ত্রাস-চাঁদাবাজির মতো নেতিবাচক কাজে লিপ্ত থেকেছে, তা দফায় দফায় গণমাধ্যমে ফলাও করে প্রচার হয়েছে। এমনকি শিক্ষকদের ছাত্রলীগ লেজুড়বৃত্তির খবরও বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমে শিরোনাম ছিল। কিন্তু কখনোই কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বরং অনেক ক্ষেত্রে ছাত্রলীগের কর্মীদের নেতিবাচক কাজের দায় অন্যদের ওপর চাপানোর চেষ্টা হয়েছে। এটি দুঃখজনক। অন্যায় এবং অন্যায়কারীদের প্রশ্রয় দিয়ে ছাত্রলীগের অভিভাবকরা কী প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছেন, তা বোধগম্য নয়। সায়াদ হত্যার দৃষ্টান্তমূলক বিচার করতে হবে। পাশাপাশি এর আগে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে জুবায়ের হত্যাকাণ্ডে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সোহেল হত্যাকাণ্ড সহ ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের নিজেদের মধ্যে খুনোখুনির সব ঘটনার আইনি প্রতিকার করতে হবে। না হলে এই উদাহরণ ভবিষ্যতে আরো ভয়ংকর সব ঘটনার জন্ম দিতে পারে।
 
পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল (লোটাস কামাল) মন্ত্রী হিসেবে লাভজনক পদে আছেন। এর পরও তিনি সরাসরি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, ব্যবসা পরিচালনা করছেন, বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে নিজে প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার হিসেবে পত্র চালাচালি করছেন, এটি arifur-rahmanসুস্পষ্টভাবে সংবিধান লঙ্ঘন। মন্ত্রী হিসেবে তিনি যে শপথ নিয়েছেন সেই শপথ ভঙ্গ করে তিনি যে অন্যায় করেছেন এটি আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এখন সংবিধান লঙ্ঘনের দায়ে তাঁর বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, কিংবা আদৌ নেওয়া হবে কি না সেটি দেখার বিষয়। তবে গুরুতর এই অভিযোগ থেকে তিনি আপনা-আপনি নিষ্কৃৃতি পেয়ে যাবেন, সেটি কেউ মেনে নেবে না। সংবিধান লঙ্ঘনের দায়ে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিলে সরকার ও সরকারপ্রধানের ভাবমূর্তিই উজ্জ্বল হবে। দেখা যাক শেষমেশ কী হয়।

লেখক: সম্পাদক- ঢাকা টাইমস

Social Media Sharing
https://www.uttorbangla.com/wp-content/uploads/Circular-MBAProfessional-Admission_9th-Batch-1.jpg

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful