Templates by BIGtheme NET
আজ- বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২০ :: ১৪ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ৭ : ৫৭ পুর্বাহ্ন
Home / টপ নিউজ / উত্তরাঞ্চলে দ্বিতীয় দফার শৈত্যপ্রবাহের সাঁড়াশী আক্রমণ; জনজীবনে চরম দূর্ভোগ

উত্তরাঞ্চলে দ্বিতীয় দফার শৈত্যপ্রবাহের সাঁড়াশী আক্রমণ; জনজীবনে চরম দূর্ভোগ

তাহমিন হক ববি॥ পৌষের শেষ সপ্তাহে এসে এবং মাঘের আগমন বার্তায় উত্তরাঞ্চলে দ্বিতীয় দফার শুরু হয়েছে তীব্র শৈত্য প্রবাহ । শৈত্যপ্রবাহ সাথে কনকনে শীতের সাঁড়াশী আক্রমণে হাড় কাঁপানো শীতে কাবু হয়ে পড়েছে উত্তরের রংপুর বিভাগের আট জেলা কোটি মানুষ। বরফ শীতল উত্তরী হাওয়ার জব্বর শীতের তীব্রতা কুঁকড়ে দিয়েছে জনজীবন কে। চরম খেল দেখাচ্ছে উত্তরী দমকা হাওয়া। জনজীবন হয়ে পড়েছে কোণঠাসা। রবিবার রাত থেকে শুরু হয় উত্তুরীহাওয়ার দমকা ধাক্কা। বৃষ্টির মতো কুয়াশা ঝড়ে মাঠঘাট প্রান্তর ভিজিয়ে দেয়। যা শিশিরপাত ঝরছে। দুপুরে রৌদ্রের কিছুটা ঝিলিক দেখা দিলেও উত্তরী দমকা হাওয়ার কাছে এই রোদ ম্লান হয়ে যায়। হাত পা কুঁকড়ে গেছে মানুষজনের।

এদিকে ত্রাণ মন্ত্রণালয় হতে শীত প্রধান রংপুর বিভাগের আট জেলার প্রতিটি উপজেলার জন্য শীতবস্ত্র ক্রয় করে তা বিতরণে প্রায় ২ লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সোমবার এই বরাদ্দ দেয়া হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে জরুরী ভিত্তিতে আগামী ৩ দিনের মধ্যে শীতবস্ত্র ক্রয় করে অসহায় মানুষজনের মাঝে তা বিতরণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

আবহাওয়া অফিস সূত্র মতে সোমবার এ অঞ্চলের আট জেলার মধ্যে সর্ব নিম্ন তাপমাত্রা ছিল ঠাকুরগাঁয়ে ৫ দশমিক ৬ , পঞ্চগড়ে ৬ দশমিক ৯,নীলফামারীতে ৭ দশমিক ১, কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাটে ৭ দশমিক ২ ও গাইবান্ধায় ছিল ৮ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
বিভিন্ন স্থানে খবর নিয়ে জানা গেছে শীতের তীব্রতায় বয়োবৃদ্ধ,শিশু ও অসহায় মানুষজন নিদারুণ কষ্টভোগ করছেন।
গত ২৯ ডিসেম্বরের পর থেকে এ অঞ্চলের শীত এক রকম হারিয়ে গিয়েছিল। প্রতিদিনই পাওয়া গেছে ঝলমলে রোদ্র। এর ৯ দিন পর শীত ফের হানা দিলো।
বিশেষ করে ভারতের হিমালয় পর্বত এলাকার দার্জিলিং জেলার সাথে একীভূত বাংলাদেশের পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার মহানন্দা নদীর কোল ঘেঁষা বাংলাবান্ধা, তীরনই , ঠাকুরগাঁও ও নীলফামারীর ডোমার উপজেলার চিলাহাটি, তিস্তা নদীর ডিমলা উপজেলার ৫ ইউনিয়ন, জলঢাকা উপজেলার ৫ ইউনিয়ন, লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম,বুড়িমারী, আঙ্গরপোতা-দাহগ্রাম, কুড়িগ্রামের চিলমারী-রৌমারীর ও গাইবান্ধা জেলার তিস্তা,দুধকুমাড়,বক্ষ্মপুত্র নদী বেষ্টিত মানুষ শীতের অক্টোপাসে জর্জরিত। এসব এলাকার হিমাংকের কাটা ৩ ডিগ্রীর নিচে এমে এসেছে বলে অনেকে মনে করছেন।
নীলফামারীর ডিমলা ও রংপুরের গঙ্গাচড়ার মানুষজনের অবস্থা বড় করুন। নদী বেষ্টিত দ্বীপচর, ও গ্রামের মানুষজন শীতের অক্টোপাসে ত্রাহী অবস্থা বলে জানালেন ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ। এলাকার মানুষজন তিস্তায় মাছ ধরে এবং পাথর-বালু উত্তোলন করে জীবন জীবিকা চালায়। কিন্তু শীতের তীব্রতায় এরা কেউ নদীতে নামতে পারছেনা। এদের নেই তেমন শীতবস্ত্র। অসহায় মানুষজন আগুনের কুন্ডুলি জ্বালিয়ে শীত নিবারণ। শুধু নদী বেষ্টিত এলাকা নয় গোটা রংপুর বিভাগের কোটি মানুষের হাড়-কাঁপিয়ে দিচ্ছে তীব্র শীত।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful