Templates by BIGtheme NET
আজ- মঙ্গলবার, ১৫ জুন, ২০২১ ::১ আষাঢ় ১৪২৮ :: সময়- ৭ : ২০ অপরাহ্ন
Home / উত্তরবাংলা স্পেশাল / শিরীন-মোদির বৈঠকে আবারও আশায় বুক বেঁধেছেন ছিটমহালবাসীরা

শিরীন-মোদির বৈঠকে আবারও আশায় বুক বেঁধেছেন ছিটমহালবাসীরা

citmahal. 1নাগেশ্বরী(কুড়িগ্রাম)প্রতিনিধি: ভারতের ১৫তম বিধান সভার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শপথ অনুষ্ঠানের পর বাংলাদেশের স্পিকার ড. শিরীন শারমিনের সাথে একান্ত বৈঠকে ছিটমহাল বিনিময় চুক্তি নিয়ে মোদির ইতিবাচক কথায় আবারও আশায় বুধ বেধেছেন ছিটমহালবাসীরা। ৬৬ বছরের বন্দিদশা জীবন থেকে মুক্ত হওয়ার আশা করছেন। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সবচেয়ে বড় ভারতীয় ছিটমহাল কুড়িগ্রামের দাসিয়ারছড়া ঘুরে দেখাগেছে উৎসবের আমেজ বইছে জনতার মাঝে।

১৯৪৭ সালে র‌্যাডক্লিফ কর্তৃক স্কেল দিয়ে ভারতের ম্যাপ বিভক্তের সময় কোচবিহার রাজ্যের রাজা শ্রী শ্রী শ্রীল শ্রী যুক্ত বাবু নারায়ণ ভুপ বাহাদুর ভারতীয় ইউনিয়ন এবং পাকিস্থানে যোগ না দিলে ব্রিটিশের অধীনে করদমিত্র রাজ্যে পরিণত হয়। পরবর্তীতে পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী বিধান চন্দ্র রায়ের কুটনৈতিক বিজয়ে কোচবিহার ভারতীয় ইউনিয়নে যুক্ত হলে ভারত ও পাকিস্থান অংশে বিভিন্ন মৌজায় রাজার খাস খতিয়ানভূক্ত জমি ভারতের অধীনে আসলে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্থানের অভ্যন্তরে ১শ’ ১১টি ছিটমহালের সৃষ্টি হয়। সে সময় পূর্ব পাকিস্তানের ময়মনসিংহ কাশিমবাজার স্টেটের মহারাজা শ্রী শ্রী শ্রীল শ্রী যুক্ত বাবু শ্রীশ চন্দ্র নন্দী, কুড়িগ্রামের পাঙ্গারাজা শচীন চন্দ্র কোঙ্গার, দিনাজপুরের মহারাজা শ্রী শ্রী শ্রীল শ্রী যুক্ত বাবু গিরীজা প্রসাদ, রংপুরের রাজা জগৎ ভূপেন্দ্র নারায়ণ ও নীলফামারীর রাজা পাকিস্থানের সঙ্গে যুক্ত হলে ভারতীয় ভূ-খন্ডে নিজস্ব খাস জমিগুলোই বর্তমানের ৫১ ছিটমহাল।

ভারত ও বাংলাদেশের অভ্যন্তরে দু’দেশের ছিটমহালের সংখ্যা ১শ’ ৬২টি। ভারতের কোচবিহার জেলার দিনহাটা ও তুফানগঞ্জ মহকুমার অভ্যন্তরে বাংলাদেশের ছিটমহাল ৫১টি। যার আয়তন ৭১১০.২ একর। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতের ১শ’ ১১টি ছিটমহাল। লালমনিরহাটে ৫৯, কুড়িগ্রামে ১২, পঞ্চগড়ে ৩৬, নীলফামারীতে ৪টি। এর আয়তন ১৭১৫৮.১৩ একর। জুলাই’১১ এর সর্বশেষ গণনায় ১৫৮ ছিটমহালের লোকসংখ্যা ৫১ হাজার।

১৯৫৮ সালে নেহেরু-নুন (ভারত-পাকিস্থান), ৭৪ এ মুজিব-ইন্দিরা (বাংলাদেশ-ভারত), ৯২-তে সমঝোতা এবং ২০১১ সালে ভারত-বাংলাদেশ প্রটোকল স্বাক্ষর করে। কিন্তু সফতালতা আসেনি। ভাগ্য বিড়ম্বিত ছিমহালবাসীদের ভাগ্য পরিবর্তন হয়নি। সম্প্রতি স্বাক্ষরগুলোতে বাংলাদেশ সরকার এগিয়ে থাকলেও বরাবরই পিছিয়ে ছিল ভারত। বিভিন্ন সময়ে দু’দেশের মধ্যে কয়েকবার ছিটমহাল বিনিময় চুক্তি সমঝোতা স্বাক্ষর হলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি।

সর্বশেষ গত বছরের আগস্ট মাসে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যসভায় প্রটোকল সীমানা চুক্তি (ল্যান্ড বাউন্ডারি এ্যাগ্রিমেন্ট) বিল উত্থাপন হওয়ার কথা থাকলেও তা আশার মুখ দেখেনি।

এদিকে ছিটমহালবাসীদের দাবী তারা নিজ ভূমে পরবাসী। দাসিয়ারছড়া ছিটমহাল ছাত্র সংগঠনের সভাপতি রফিকুল ইসলাম বলেন, একটি দেশের বাসিন্দা হয়ে সকল সরকারি সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত, অনেকটা পরিচয়হীন তারা। পরিচয় গোপন করে বাংলাদেশী বাসিন্দার পরিচয়পত্র নিয়ে ছেলে-মেয়েদের ভর্তি হতে হয় বিদ্যালয়ে। এমনকি চিকিৎসা নিতে গেলেও অন্যের দ্বারস্থ্য হতে হয়।

অন্যদিকে আইন-শৃঙ্খলার ব্যবস্থা না থাকায় অপকর্ম বেড়েই চলেছে ছিটমহালে। একই অবস্থা দেখা গেছে কুড়িগ্রামের অভ্যন্তরে ভারতীয় দাসিয়ার ছড়া, ডাকুয়ারহাট ডাকুনিরকুটি, কালামাটি, সাহেবগঞ্জ, সেউটি কুরশা, বড়গাওচুলকা, দীঘলটারী, ছোটগাড়ল জোড়া, বড়গাড়ল জোড়া ছিটমহালে।

নিরাপদে ও নাগরিক হিসেবে বাচতে চায় এসকল ছিটমহাল বাসীরা। মোদীর আশ্বাসে আবার নুতুন করে ভাবতে শুরু করেছে ছিটমহাল বাসীরা। তাদের ধারণা আগামী জুলাইয়ে মধ্যে বাংলাদেশের পতাকা উড়াতে পারবে ছিটমহালগুলোতে।

ছিটমহাল বিনিময় সমন্বয় কমিটি বাংলাদেশ ইউনিটের সভাপতি আলতাফ হোসেন জানান, মনমোহন সিং এর সরকারের সময় হতাশাগ্রস্থ্য হলেও মোদি সরকারের কথায় আশাবাদী তারা।

ভারতের কোচবিহারে অবস্থিত কেন্দ্রীয় কমিটির সহসম্পাদক দীপ্তিমান সেন গুপ্তের সাথে যোগাযোগ করা হলে জানান, রাষ্ট্র ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের নিজের লজ্জা নিবারণ করতে এ চুক্তি বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। দীর্ঘদিনের জীবনের দু:খ দূর্দশা লাঘব করতে পদক্ষেপ নিবে দু’দেশের সরকার এমন প্রত্যাশা ছিটমহালবাসীদের।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful