Templates by BIGtheme NET
আজ- মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২০ :: ১২ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ৩ : ০৩ পুর্বাহ্ন
Home / আলোচিত / জীবন-জীবিকার তাগিদে বাদাম বিক্রি করে সংসার চালায় সাদুল্যাপুরের ৮ বছরের শিশু রানা মিয়া

জীবন-জীবিকার তাগিদে বাদাম বিক্রি করে সংসার চালায় সাদুল্যাপুরের ৮ বছরের শিশু রানা মিয়া

জিল্লুর রহমান মন্ডল পলাশ, সাদুল্যাপুর: যে বয়সে বই-খাতা-কলম নিয়ে স্কুলে যাওয়ার কথা কিন্তু জীবন-জীবিকা নির্বাহের তাগিদে সেই বয়সে ৮ বছরের শিশু রানা মিয়াকে শহরের স্কুল-কলেজ ও অফিস চত্বরে ফেরি করে বিক্রি করতে হচ্ছে বাদাম।

রানা মিয়া গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার কামারপাড়া ইউনিয়নের দশআনী গ্রামের রেজাউল করীমের ছেলে। বর্তমানে রানা মিয়া তার ছোট বোন লাইজু (৫) ও মা আনোয়ারা বেগমকে নিয়ে কামারপাড়া ইউনিয়নের পুরাণ লক্ষ্মীপুর গ্রামে নানার বাড়ীতে বসবাস করছে।

সাদুল্যাপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে বাদাম বিক্রির সময় কথা হয় শিশু রানা মিয়ার সঙ্গে সে জানায়, তার বাবা রেজাউল করীম ঢাকায় রিক্সা চালিয়ে আসতো। মাঝে মাঝে বাড়ীতে যে টাকা দিতেন তা দিয়েই কোন রকমে সংসার চলতো। কিন্তু ৩ বছর আগে ঢাকায় দ্বিতীয় বিয়ে করায় বাড়ীতে আর ফিরে আসেন না। আয়ের পথ বন্ধ হওয়ায় মা আনোয়ারা বেগম দিশেহারা হয়ে পড়েন। ফলে বাধ্য হয়ে বাবার বাড়ী ছেড়ে নানার বাড়ীতে এসে আশ্রয় নেই। নানার বাড়ীতে থাকার সময়ে অনেক দিন না খেয়ে দিনপার করছি। নানা আবুল মিয়া হত-দরিদ্র হওয়ায় মা অন্যর বাড়ীতে শুরু করেন ঝি এর কাজ। সারাদিন কাজ করে যা পেতেন তা দিয়ে কোন রকমে চলতো তিন জনের সংসার। ওই সময়ে লেখাপড়ার জন্য পার্শ্ববর্তী একটি বিদ্যালয়ে ভর্তি হই প্রথম শ্রেণীতে। কিন্তু দিনদিন মা আনোয়ারা বেগমের পক্ষ্যে সংসার চালানো অসম্ভব হয়ে পড়ছিল। অবশেষে বাধ্য হয়ে স্কুল ছেড়ে গত এক বছর ধরে বাদাম বিক্রি শুরু করি।

রানা মিয়া আরো জানান, প্রতিদিন সকালে বাদাম নিয়ে বেরিয়ে পড়েন সাদুল্যাপুর শহরের দিকে। সারাদিন শহরের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও অফিস চত্বরে খেয়ে না খেয়ে ফেরি করে বাদাম বিক্রি করতে হচ্ছে। প্রতিদিন বাদাম বিক্রি করে ৭০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত লাভ হয়। আর ওই লাভের টাকা দিয়েই সন্ধ্যায় চালসহ বাজার করে বাড়ি ফিরতে হচ্ছে। বর্তমানে বাদাম বিক্রির টাকা দিয়েই ছোট বোন ও মাকে নিয়ে সংসার চালাতে হচ্ছে।

সাদুল্যাপুর ডিগ্রী কলেজের সাবেক ভিপি আসম সাজ্জাদ হোসেন পল্টন বলেন, রানা মিয়া ছাড়াও সাদুল্যাপুর উপজেলা শহরে ৫ থেকে ১০ জন শিশু এ পেশায় নিয়োজিত রয়েছে। অভাব ও দরিদ্রতা আর পিতৃ-মাতৃ স্নেহ থেকে বঞ্চিত শিশু রানা মিয়ার ভবিষ্যৎ জীবনের আর কোন পরিকল্পনাই নেই। অথচ আমাদের সমাজের স্বচ্ছল ব্যক্তি ও সামাজিক সংগঠনগুলো অনাথ শিশু রানা মিয়াদের খবর কেউ রাখেন কি?

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful