Templates by BIGtheme NET
আজ- বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২০ :: ৬ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ৪ : ০৬ অপরাহ্ন
Home / কুড়িগ্রাম / কচাকাটায় সুপারির বাম্পার ফলন হলেও চাষিদের মাথায় হাত

কচাকাটায় সুপারির বাম্পার ফলন হলেও চাষিদের মাথায় হাত

কচাকাটা, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ সারাদেশের সুপারি চাষের সেরা স্থানগুলোর মধ্যে অন্যতম নাম হলো কচাকাটা থানা। থানার প্রতিটি ইউনিয়নের প্রায় প্রতিটি বাড়িতে দেখা মেলে সুপারির বাগান। পাশাপাশি চাষিরা প্রতি বছর সুপারির ভালো দাম পায় বলে অনেকে শুরু করেছে বাণিজ্যিকভাবে সুপারির চাষ। সারা দেশের মধ্যে এ অঞ্চলের সুপারির মান ও দাম সবচেয়ে ভালো তাই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ব্যবসায়ীরা মৌসুমের শুরুতেই ভিড় জমায় বিখ্যাত সুপারির হাট শাহিবাজারে। সুপারি চাষে ও ব্যবসায় লাভ পাওয়ায় সৃষ্টি হয়েছে আগাম অর্থলগ্নি ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠান। কিন্তু এবারের চিত্র ভিন্ন গতবারের চেয়ে সুপারির ফলন ভালো হলেও দুশ্চিন্তায় পড়েছে কৃষকেরা তার সাথে সাথে ক্ষতির পরিমাণ হিসাব করছে লগ্নি-কারী ব্যবসায়ীরা। কারণ হিসেবে কৃষক ও ব্যবসায়ীদের থেকে তথ্য পাওয় গেছে যে, শীতের শুরু হতে না হতেই অপরিপক্ব সুপারি গাছ থেকে ঝরতে থাকে। তারা জানায় এবার হঠাৎ করেই সুপারি ঝরতে থাকে এবং ঝরার পরিমাণ উচ্চ মাত্রার। দেখা গেছে একটি মাঝারি ফলনশীল গাছে ৩০০ থেকে ৪০০ সুপারি ধরলেও ক্রমাগত ঝরার ফলে তা কমে ১৫০ থেকে ২৫০ এর কোটায় এতে প্রতিটি কৃষক এক তৃতীয়াংশ ফলন কম পাবে বলে জানায়। অন্যদিকে অনুমানের ভিত্তিতে আগাম ক্রয়-কৃত ব্যবসায়ীরা এবার ক্ষতি পুষিয়ে মূলধন ফেরত না পাওয়ার আশংকা করছে। থানার সবচেয়ে বেশী সুপারি চাষ হয় বলদিয়া ইউনিয়নে এবং এখান হতে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণের সুপারি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যায়। কিন্তু এ বছর তার অর্ধেক উৎপাদন হবে বলে জানায় ৩ হাজার গাছের বাগানী মোঃ সাইফুর রহমান। তিনি আরও জানান গতবছর গড়ে তার বাগানের সুপারি ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা বিক্রি হয়েছে এবার ২ লাখ টাকা বিক্রিও কঠিন হয়ে দাঁড়াবে।

পাশাপাশি চাষি আক্তার মন্ডল জানান তার ২ হাজার গাছের বাগানের অবস্থা একই রকম।কেদার ইউনিয়নের সবচেয়ে বড় বাগানের মালিক সোলায়মান আলী জানান তার ৪ হাজার গাছের বাগানের চাহিদা এবারে ব্যবসায়ীদের নিকট নেই।

কেদার ইউনিয়নে কৃষি উপ-সহকারী দীনমোহাম্মদ জানান অতিমাত্রার শীতের কারণে সুপারি ঝরে পড়ছে এটা কোন রোগ নয়। অন্যদিকে নতুন লাগানো বাগানের মালিক মিজানুর রহমানসহ অনেকে জানান আগের মতো তরতাজা হয়ে গাছ বেড়ে উঠছেনা, লাগানো গাছগুলো যেন থমকে আছে এবং দিন দিন লালচে হয়ে শুকিয়ে যাচ্ছে। এছাড়াও দিন দিন সুপারি গাছ ক্রমবর্ধমান হারে মরে যাচ্ছে বলে অনেকে জানায়। কিভাবে এসব সমস্যা সমাধান করা যায় তাই নিয়ে চিন্তায় আছে বাগান চাষিরা। আনেকে আবার জলবায়ুর পরিবর্তন ও গ্রীনহাউস প্রতিক্রিয়াকে দায়ী করছে সুপারি বাগান নষ্ট ও ফলন ঝরার কারণ হিসেবে। কৃষি পণ্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশী লাভজনক এ পণ্য ক্রমবর্ধমান হারে ধ্বংস হতে বসেছে বলে কৃষকদের মাথায় হাত পড়েছে ভবিষ্যতর কথা ভেবে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful