Templates by BIGtheme NET
আজ- শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২০ :: ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ :: সময়- ৩ : ৫১ পুর্বাহ্ন
Home / রকমারি / মুখ দেখে মন বোঝা

মুখ দেখে মন বোঝা

smiling girl laughডেস্ক: অভিব্যক্তি দেখে মানুষের মনের কথা বোঝার ক্ষমতা সবার থাকে না। তবে কেরিয়ার গুরুদের বক্তব্য, মানুষের বাহ্যিক আচরণ লক্ষ্য করে যারা অন্যের মন বুঝতে পারেন, পেশাগত জীবনে তারাই উন্নতি করতে পারেন। শুধু তাই নয়, মনোবিদদের মতে এই ক্ষমতা আয়ত্ত করতে পারলে জীবনের বহু ঝড়-ঝাপটা অক্লেশে সামলে নেয়া সম্ভব।

মনোবিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, মানুষের দৈহিক পরিভাষা এবং আপাত গুরুত্বহীন বিভঙ্গ দেখে তার চিন্তাধারার হদিস মেলে। জানা গেছে, ১৯৬৬ সালের এক ব্রিটিশ টেলিভিশন শো ‘লাই টু মি’ থেকে প্রথম বিষয়টি মনোবিদদের নজরে আসে। পরবর্তীকালে এ নিয়ে কাজ করেন হ্যাগার্ড ও আইজ্যাক্স নামে দুই গবেষক। মনোবিদদের সঙ্গে রোগীর অকথিত ভাব বিনিময়ের সন্ধান করতে গিয়ে তারা আবিষ্কার করেন ‘মাইক্রোমোমেন্টারি এক্সপ্রেশনস’। মানসিক ব্যাধির চিকিৎসা করাতে আসা রোগীদের চলচ্চিত্র খুঁটিয়ে বিচার করে সূক্ষ্মাতিসুক্ষ্ম ভাবের বহিঃপ্রকাশ পর্যালোচনা করার পর তারা নিশ্চিত হন যে, সেকেন্ডের ভগ্নাংশ সময় অসতর্ক ভঙ্গিমা পরীক্ষা করে সংশ্লিষ্ট মানুষের অন্তরের ভাবনার নাগাল পাওয়া সম্ভব।

তবে ‘মাইক্রোমোমেন্টারি এক্সপ্রেশনস’ শব্দবন্ধনীটি আদতে মার্কিন মনোবিজ্ঞানী পল একম্যানের মস্তিষ্কপ্রসূত। মিথ্যা ভাষণ নিয়ে সুদীর্ঘ গবেষণার পর ‘টেলিং লাইস’ বইয়ে এই বিষয়ে নিজস্ব বিবৃতি লিখেছেন তিনি।

বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, সাধারণ মুখভঙ্গিগুলো অনেক সময়ে আড়াল করা গেলেও সূক্ষ্ম ভঙ্গিমা লুকোনো মুশকিল। আর সাধারণ চোখে ধরা না পড়া সেসব অভিব্যক্তি নজর করলে মানুষের মনের ভেতরে থাকা রাগ, দুঃখ, ভালোবাসা, আনন্দ, ঘৃণা, ভয়, ও বিস্ময় বুঝতে পারা কঠিন নয়। তবে এর জন্য সেকেন্ডের ১/১০ বা ১/৩০ ভাগ সময় খুঁটিয়ে পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। এই বিদ্যা আয়ত্ত করার প্রাথমিক কিছু টিপস নিচে দেওয়া হল।

ভয়: ভ্রূ-এর পেশি সঙ্কোচনের ফলে তার দৈর্ঘ্য দৃশ্যত হ্রাস পায়। চোখের উপরের পাতা খুলে যায়, নিচের পাতা কুঁকড়ে যায়। ঠোঁটের দুই প্রান্ত বিস্ফোরিত হয়।

আনন্দ: ঠোঁটে কেলে যায় চকিত হাসির রেখা। মুখের এই অংশে প্রধান জাইগোম্যাটিক পেশি ঠোঁটের দুই প্রান্তে টান ধরিয়ে উপর দিকে ঠেলে তোলে। চোখের পাশের পেশি শক্ত হয়ে যাওয়ায় চামড়া কুঁচকে যায়। চোখের নিচের পাতা ফুলে ওঠে।  ক্ষোভ: এই ভাব হলে ভ্রু যুগল তুলনামূলকভাবে গর্তে ঢুকে যায়। পেশি শক্ত হয়ে চোখের নিচের পাতা এবং নাকের উপরিভাগ কুঁচকে যায়।

লজ্জা: লজ্জা পেলে মানুষ সরাসরি কারও চোখের দিকে তাকাতে পারে না। দৃষ্টি নিম্নগামী হয়। নিচের ঠোঁট চেপে বসে। উপরের ঠোঁটও অনড় হয়ে পড়ে।

বিস্ময়: অবাক হলে মানুষের ভ্রূ যুগল ধনুকের মতো বেঁকে যায়। ঠোঁট দু’টির মধ্যে দূরত্ব বাড়তে শুরু করে।

ফ্লার্টিং: এই অবস্থায় মুখে হাসি খেলে যাওয়ার পাশাপাশি মাথাও একদিকে কাত হয়ে যায়। দৃষ্টি সামনে নিবদ্ধ থাকে। ঠোঁটের দুই প্রান্ত চওড়া হয়।

বিনয়: হাসিতে খানিক কৃত্রিমতা লক্ষ্য করা যায়। তবে চোখের আশেপাশে কোনও পরিবর্তন হয় না। ঠোঁটের প্রান্ত দু’টি পেশি সঙ্কোচনের ফলে উপর দিকে উঠার চেষ্টা করে।

ভালোবাসা: মনে প্রেমের ভাব উৎপন্ন হলে মুখে পরিতৃপ্তি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ঠোঁটের দুই প্রান্ত শক্ত হয়ে উপরের দিকে উঠে যায়। নিচের ঠোঁট শক্ত হয়ে যায়। মাথা অল্প ঝুঁকে পড়ে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful