Templates by BIGtheme NET
আজ- সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২০ :: ১১ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ৪ : ০৬ অপরাহ্ন
Home / গাইবান্ধা / সাদুল্যাপুর থানার এসআই খুররমের বিরুদ্ধে বিতর্কিত কর্মকান্ডের অভিযোগ হলেও এখনো বহাল তবিয়তে

সাদুল্যাপুর থানার এসআই খুররমের বিরুদ্ধে বিতর্কিত কর্মকান্ডের অভিযোগ হলেও এখনো বহাল তবিয়তে

জিল্লুর রহমান মন্ডল পলাশ, গাইবান্ধা: গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর থানার সেকে- অফিসার এসআই মোহাম্মদ খুররমের বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি, ক্ষমতা অপব্যবহার, বিনা অপরাধে আটক ও মিথ্যা মামলায় আসামী করাসহ বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকান্ডের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসআই খুররম থানায় যোগদানের পর থেকে দাপটের সাথে জড়িয়ে পড়েন বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম ও বিতর্কিত কর্মকান্ডের। শুধু তাই নয় খুররমের বিরুদ্ধে কয়েকটি চিহ্নিত মাদক স্পটে অবাধে ঘোরাফেরা, নিজের সোর্স পরিচয়দানকারী দালালদের সঙ্গে সখ্যতাসহ তল্লাসির নামে মানুষকে হয়রানী ও চাঁদাবাজিতে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ রয়েছে।

খুররমের কর্মকান্ডে অতিষ্ঠ হয়ে উপজেলার সুধী মহল, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী, শিক্ষক ও সাধারণ মানুষ বিভাগীয় পুলিশ কমিশনারসহ উদ্বর্তন পুলিশ কর্তৃপক্ষের বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। কোন অদৃশ্য শক্তির বলে এসআই খুররম এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন এ নিয়ে জনমনে বিভিন্ন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। খুররমের খুঁটির জোর কোথায় এলাকাবাসী তা জানতে চায়।

লিখিত অভিযোগে জানা গেছে, এসআই খুররম খামখেয়ালী ও হঠকারিতার কারণে সম্প্রতি সারোয়ার হোসেন বিপ্লব (৩০) ও ছামছুল ইসলামকে (৫৬) আটক করে থানায় নিয়ে আসেন। পরে বিপ্লব ৩ ঘণ্টা ও ছামছুল ইসলামকে ৬ ঘণ্টা বিনা অপরাধে থানার হাজতখানায় থাকতে হয়। অথচ তাদের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ বা ওয়ারেন্ট ছিলনা। পরে উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউপি চেয়ারম্যান ও রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীর চাপের মুখে তাদের রাতেই থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ১৩ ডিসেম্বর এসআই খুররম মীরপুর বাজার থেকে একটি গাঁজার গাছ উদ্ধার ও হোটেল কর্মচারী আমিনুল ইসলামকে (৪০) আটক করেন। এ সময় খুররম কোন প্রকার তদন্ত ছাড়াই মনগড়া ভাবে আশপাশের চার ব্যবসায়ীকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। এরমধ্যে পার্শ্ববর্তী একবারপুর দক্ষিণ পাড়া গ্রামের আলমগীর হোসেন বারী ম-লকেও আসামী করেন। এসআই খুররম একটি মহলের নিকট প্রভাবিত হয়ে হয়রানীর উদ্দেশ্য তাদের মামলায় জড়ান। অথচ খোঁজ ও সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ওই ঘটনার সঙ্গে আসামীদের কোন সংশ্লিষ্টতা নেই। এছাড়া ১০ ডিসেম্বর খুররম অভিযানের নামে মীরপুর চৌমাথা থেকে মহেন্দ্র ও দুটি মোটরসাইকেল আটক করেন। পরবর্তীতে মহেন্দ্র চালকের ১১০০ টাকা ও মোটরসাইকেল মালিকের নিকট থেকে ৬০০ টাকা উৎকোচ আদায় করে ছেড়ে দেন। এদিকে এসআই খুররমের বিরুদ্ধে দিনের বেলায় ডিউটি পালনে অবহেলা, রাতের বেলা বিভিন্ন অজুহাতে মানুষকে পথরোধ করে তল্লাসি ও জিজ্ঞাসাবাদের নামে হয়রানী, বিভিন্ন যানবাহন আটক করে উৎকোচ আদায়সহ বিভিন্ন ধরণে অনিয়ম কর্মকান্ডের অভিযোগ উল্লেখ্য করেন। খুররমের এহেন কর্মকান্ডের- সম্প্রতি বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে। তাছাড়া উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণী পেশার পাঁচ শতাধিক মানুষ এসআই খুররমের অপসারণের দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল করেন। জরুরী ভাবে ঘটনাগুলো তদন্ত করে খুররমের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা ও অপসারণের দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

অভিযুক্ত এসআই খুররমের সঙ্গে কথা হলে তিনি ক্ষমতা অপব্যবহার ও হয়রানীর অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, কে অপরাধী বা অপরাধী নয়, এটা আমি খুব ভাল করেই জানি। তাছাড়া আটককৃতদের কি কারণে ছেড়ে দেওয়া হলো এর জবাব দিতে আমি রাজি না, পারলে ওসি ও এস, পি সাহেবের কাছ থেকে জেনে নিন।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful