Templates by BIGtheme NET
আজ- সোমবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২০ :: ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ :: সময়- ১ : ৪৬ অপরাহ্ন
Home / আলোচিত / “তত্বাবধায়ক সরকার কবরস্থানে গেছে”

“তত্বাবধায়ক সরকার কবরস্থানে গেছে”

Rangpur  (Health Mionistar) Photo by FARUK 17-01-15 ফরহাদুজ্জামান ফারুক, স্টাফ রিপোর্টার: খালেদা জিয়া খুনি ও জঙ্গিবাদের পৃষ্টপোষক দাবি করে আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর প্রেসিডিয়াম সদস্য, ১৪ দলের মুখপাত্র ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, ২০১৯সালের একদিন আগেও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে না। যদি ৫ই জানুয়ারী নির্বাচন না হতো তা হলে এ দেশে মার্শল-ল হতো। আর তত্বাবধায়ক সরকার এখন কবরস্থানে গেছে। আগামীতে নির্বাচন নিয়ে আলোচনা খালেদার সাথে হবে না। কারন আপনি খুনি, জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠপোষক। ২০১৯ সালে যে আলোচনা হবে সেটা আপনার সাথে নয়, তা হবে নির্বাচন কমিশনের সাথে।

শনিবার সন্ধ্যায় রংপুরের মিঠাপুকুরের শাপলা চত্ত্বরে ১৪ দলের শান্তি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমি আপনাদের কাছে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সমবেদনা জানাতে এসেছি। কিছুদিন আগে বিএনপি জামায়াতের সন্ত্রাসীরা ৫ জন মানুষকে বোমা মেরে হত্যা করেছে। মিঠাকুপুরকে রক্তাক্ত করেছে। সে কথা শুনে তিনি (শেখ হাসিনা) আপনাদের সমবেদনা জানিয়েছেন।

বেগম জিয়াকে খুনি দাবী করে মন্ত্রী বলেন, তিনি নিজেকে অবরুদ্ধ রেখে হুকুম দিচ্ছেন। তার হুকুমে সন্ত্রাসীরা নিরীহ মানুষ হত্যা করছে। আগুন জালিয়ে দিয়ে সম্পদ ধ্বংস করছে। একের পর পর বোমাবাজি হ”েছ। আমি স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে কয়েকবার বার্ন ইউনিটে গেছি। এনজিও কর্মী, ট্যাক্সি চালক, রিকশা চালক, সাধারণ মানুষ অগ্নিদগ্ধ হয়ে যন্ত্রনায় ছটফট করছে। এরা সাধারণ মানুষ। এরা আওয়ামী লীগও করে না, বিএনপিও করেনা । তাদের কি অপরাধ ছিল।

মন্ত্রী বলেন, একইভাবে ২০১৩ সালে ৫ ই জানুয়ারীর নির্বাচনে তিনি গাইবান্ধায় ৭ জন পুলিশ হত্যা করেছিলেন। বগুড়ায় আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছিলেন। প্রিজাইডিং অফিসার হত্যা করেছিলেন। বিজিবি হত্যা করেছিলেন। সেই নির্বাচন যদি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে না হতো তাহলে আজকে দেশে থাইল্যান্ডের মতো মার্শাল ল হতো।

তিনি বর্তমান জাতীয় পার্টির অবস্থান সম্পর্কে বলেন, এরশাদ আপনাদের রংপুরের সন্তান। তিনি আর ভুল করবেন না। আমাদের সাথে আছেন। আগামীতে থাকবেন।

১৪ দলের এই মূখপাত্র বলেন, সে সময় আমার নেত্রী বলেছিলেন, হরতাল প্রত্যাহার করে আসুন। নির্বাচন নিয়ে কথা বলি। তিনি আসলেন না। হরতাল পালন করলেন। তাকে নেত্রী প্রস্তাব দিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ ৫ টি মন্ত্রী দিবো। কিন্তু তিনি আসলেন না। তিনি জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে জ্বালাও পোড়াও করেছিলেন। ২০১৩ সালের জুলাই থেকে জানুয়ারী পর্যন্ত রোজ কেয়ামত হয়েছিল দেশে।

৫ ই জানুয়ারীর নির্বাচনকে সার্টিফাই করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ৫ ই জানুয়ারী ভালো নির্বাচন হলে হয়তো ৮০ ভাগ ভোট পড়তো। প্রিজাইডিং অফিসার মারা গেছে। তারপরেও ৪০ ভাগ মানুষ ভোট দিয়েছে। আমরা এমপি হয়েছি। মন্ত্রী হয়েছি। সরকার গঠন করেছি। ভালোভাবে দেশ চালাচ্ছি।

মন্ত্রী বলেন, এখন খালেদা জিয়া ৫ ই জানুয়ারীকে গনতন্ত্র হত্যা দিবসের নাম করে আন্দোলন কর্মসূচির নামে দেশজুড়ে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। হত্যা জ্বালাও পোড়াও অব্যাহত রেখেছেন। এখন তিনি নির্বাচন নিয়ে আলোচনার কথা বলছেন। তার সাথে নির্বাচন নিয়ে কোন আলোচনা হবে না। ২০১৯ সালে নির্বাচন বিশ্বকাপ খেলা হবে। সেই খেলায় শেখ হাসিনা গোল দেবে। ১৪ দল জয়যুক্ত হবে।

খালেদা জিয়ার নেতাকর্মীরা মারা গেছে দাবী করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়া আপনি আন্দোলনের ডাক দেন। কিন্তু আপনার কর্মী আসেন না। নেতা আসে না। আপনি সেনাপতি। একা। আপনার কর্মী নেতারা সব মারা গেছেন। এখন মাঠে গুন্ডা টোকাই নামিয়েছেন। তাই খালেদা জিয়া আপনার বিচার হবে। সে বিচার দেশের জনগন করবে।

তিনি খালেদার প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন, নেতানেত্রীরা ভুল করতে পারে। আপনিও ভুল করেছেন। তার স্বীকার করে, জঙ্গীদের ছেড়ে আসুন সুস্থধারার রাজনীতি করি।

তিনি বলেন, খালেদা ভারত থেকে সার্টিফিকেট আনার চেষ্টা করেছেন। অমিতশাহ বলে দিয়ে দিয়েছেন রিউমার। কংগ্রেস হারার পর খালেদা জিয়ার মুখ হাসিতে ভরে গিয়েছিল। কিন্তু যখন মোদি সরকার যখন আমাদের নেত্রীর সাথে কথা বলে বর্তমান সরকারের প্রতি আস্থা জানালেন, তখন খালেদার গোলাপি মুখ একেবারেই কালো হয়ে গেছে।

তারেক জিয়াকে বিশ্ব বেয়াদব ও কুলাঙ্গার দাবী করে মন্ত্রী বলেন, সে লন্ডন থেকে বঙ্গবন্ধুর নামে অশ্লীল কথাবার্তা বলে। যার জন্ম না হলে বাংলাদেশ হতো না।

উন্নয়ন প্রসঙ্গে নাসিম বলেন, আমা বিনা পয়সায় কোটি কোটি বই দি”িছ। বিদ্যুৎ আছে। কৃষক বিদ্যুৎ পাচ্ছে। সার পাচ্ছে। খাদ্যে স্বয়ং সম্পন্ন হয়েছে। প্রাইমারী স্কুলের শিক্ষকদেও মর্যাদা দিয়েছে। আগামী ৬ মাসের মধ্যে মিঠাপুকুর ঠাহাসপাতাল ১০০ শয্যা উন্নিত করবো। এক্সরে মেশিন দেয়া হবে। ট্রমা সেন্টার হবে। সেই সাথে ফাড়ির ব্যাপাওে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে কথা বলবো।

খালেদা জিয়ার নামের বিকৃত উচ্চারণ করে কেন্দ্রীয় কোষাধক্ষ্য এইচএন আশিকুর রহমান এমপি বলেন, বেগচাম জিয়া হরতাল দিলো রিয়াজের জন্য। বিএনপি এবং জামায়াত আপনারা কি পাকিস্তান চান। টিনের ঘর থাকবে না। খালেদা ষড়যন্ত্র চক্রান্ত করছেন। তাকে রুখে দিতে হবে।

কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক (রংপুর বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত) খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি বলেন, খালেদা জিয়া সারাদেশে সন্ত্রাস ছড়িয়ে দি”েছন। তার পেয়ারের পাকিস্তান এখন সন্ত্রাসের জনপদ। মধ্য প্রাচ্যেও প্রত্যেকটি দেশ ধীরে ধীরে ব্যার্থ রাষ্ট্র সন্ত্রাসের জনপদে পরিনত হয়েছে।

জিয়াউর রহমানকে খুনি আখ্যা দিয়ে খালিদ বলেন, এই খুনি খালেদা জিয়া অশুভ শক্তিকে নিয়ে বাংলাদেশকে একটি ব্যার্থ রাষ্ট্র পরিনত করার পরিকল্পনা করেছেন। তারা পুরো বাংলাদেশকে পুড়িয়ে দিতে চায়। তাদেরকে রুখে দিতে হবে। হাওয়া ভবন তৈরি কওে বাংলাদেশকে সন্ত্রাসী রাষ্ট্রে পরিনত করেছিল। বাংলার মানুষ আপনার কোন কথা শুনবে না। বাংলাদেশে আপনার কোন কমূর্সুচি পালন হবে না। বাংলাদেশ কখনই পাকিস্তান হবে না। আমরা হতে দেবো না। আমরা রুখে দেবো বিএনপি জামায়াতের সন্ত্রাস।

কয়েকদিনের মধ্যেই বিএনপির রাজনৈতিক জানাযা ও দাফন হবে দাবী করে খালিদ বলেন, বিএনপি গর্তের মধ্যে ঢুকে গেছে। আর কয়েক দিনের মধ্যেই বিএনপির রাজনৈতিক জানাযা হয়ে যাবে। দাফন সম্পন্ন হয়ে যাবে। রিজভীর সমালোচনা কওে খালিদ বলেন, রিজভী হাসপাতালের চিকিৎসার পয়সা না দিয়ে পালিয়ে গেছে। কোথায় গেছে, কোথায় আছে কেউ জানে ন। রিজভী গর্তের ভেতওে গিয়ে বলছেন আওয়ামীলীগ গর্তে ঢুকে গেছে।তাকে আইনশৃংখলা বাহিনী খুঁজছে।

খালিদ বলেন, তারেক লুটপাট করেছে। তাকে ফিরিয়ে আনতে হবে। বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে। লন্ডনে চিঠি দিয়েছে। তারেককে ফিরিয়ে এনে বিচারের ব্যবস্থা করা হবে।

খালিদ বলেন, সারাদেশে জামায়াত এবং শিবির গুপ্ত হত্যা হামলা চালা”েছ। ১৪ দল সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছে। মহানেত্রীর আহবানে বাংলায় শান্তির জন্য আমরা কাজ করছি।

উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোজাম্মেল হক মিন্টু মিয়ার সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কোষাধ্যক্ষ এইচএন আশিকুর রহমান এমপি, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য এজাজ আহম্মেদ, গনতান্ত্রিক পার্টির সাধারণ সম্পাদক ডা. মোয়াজ্জেম আলী, আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি, জাসদের কেন্দ্রীয় সাধারণ যুগ্ম সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান এমপি, গনতান্ত্রি পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবলু, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির যুগ্ম সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন রাঙ্গা, ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য নজরুল ইসলাম হক্কানী, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ প্রশাসক বীরমুক্তিযোদ্ধা মমতাজ উদ্দিন আহম্মেদ, সাধারন সম্পাদক এ্যাডভোকেট রেজাউল করিম রাজু, মহানগর সভাপতি শফিয়ার রহমান শফি, সম্পাদক তুষার কান্তি মন্ডল, আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় সহ-সম্পাদক রাশেক রহমানসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

এর আগে আওয়ামীলীগসহ ১৪ দলের নেতারা উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে মিছিল নিয়ে সমাবেশ স্থলে আসে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful