Templates by BIGtheme NET
আজ- মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২০ :: ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ :: সময়- ৬ : ৪৩ অপরাহ্ন
Home / টপ নিউজ / কোকোর মরদেহ দেশে আনতে বাধা নেই

কোকোর মরদেহ দেশে আনতে বাধা নেই

koko-1422091269 ডেস্ক: মালয়েশিয়ায় মারা যাওয়া খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকোর মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা নিয়ে অনেকগুলো প্রশ্ন সামনে চলে এসেছে। দণ্ডপ্রাপ্ত ও পলাতক আসামি হওয়াতেই এসব প্রশ্ন ওঠেছে। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মৃত্যুর পর স্বাভাবিক নিয়মে আইনি প্রক্রিয়া সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়। বিধায় কোকোর লাশ ফিরিয়ে আনার বিষয়ে কোনও বাধা নেই। পারিবারিকভাবেই তার লাশ আনার ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ঢাকা সেনানিবাসের বাড়ি থেকে খালেদা জিয়ার সঙ্গে গ্রেফতার হন কোকো। ২০০৮ সালের ১৭ জুলাই জামিনে মুক্তি পাওয়ার পরদিন চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ড যান কোকো।
থাইল্যান্ড যাওয়ার পর মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকায় সেখান থেকে মালয়েশিয়ায় চলে যান তিনি। এরপর থেকে তিনি মালয়েশিয়াতেই অবস্থান করছিলেন। গতকাল শনিবার দুপুরে মালয়েশিয়ায় হৃদরোগে আক্রান্ত মারা যান বিএনপি চেয়ারপারসনের ছোট ছেলে।
২০১১ সালের ২৩ জুন মুদ্রা পাচারের মামলায় আরাফাতকে ছয় বছরের কারাদণ্ড দেন বিচারিক আদালত। সেই‌ সঙ্গে ১৯ কোটি টাকা জরিমানাও করা হয়।

এমত পরিস্থিতিতে মাত্র ৪৫ বছর বয়সে বিদেশে আকস্মিক মৃত্যু হয়েছে কোকোর। মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে তার লাশ দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া কী হবে সে বিষয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।

তাৎক্ষণিকভাবে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘কোকো দেশ থেকে প্যারোলে মুক্তি নিয়ে বিদেশে যায়। আদালতের তলব শর্তে ফেরেননি বলে তিনি ফেরারি হিসেবে বিবেচিত। তবে মৃত্যুও পর এসব আর কোনও বিষয় বিবেচনায় থাকে না। আইনি প্রক্রিয়া সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়। তাই মৃতদেহ স্বাভাবিক নিয়মেই দেশে আনা যাওয়ার কথা।’

তবে এখনও এবিষয়ে কোনও আলোচনা হয়নি। তিনি আরও বলেন, বিদেশ থেকে মৃতদেহ দেশে আনার বিষয়ে যেসব সরকারি নিয়ম অবলম্বন করতে হয় সেটা করতে তারা প্রস্তুত।

ব্যারিস্টার জ্যেতির্ময় বড়ুয়া বলেন, ‘ক্রিমিন্যাল কেস থাকা যে কোনও ব্যক্তি মারা গেলে মামলা আর থাকে না। সেই বিবেচনায় কোকোর মরদেহ ফেরার পর পুলিশি কোনও প্রক্রিয়া থাকার আইনি কারণ নেই।’

আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বলেন,’আরাফাত রহমান কোকো একজন ফেরারি। কিন্তু এতে করে তার মৃতদেহ দেশে ফিরতে আইনি কোনও বাঁধা নেই।’

তবে বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, আরাফাতের দাফনের বিষয়ে বা লাশ ফেরানোর প্রক্রিয়া নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। আরাফাতের মরদেহ মালইয়া ইউনির্ভাসিটি হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful