Templates by BIGtheme NET
আজ- বুধবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২০ :: ১১ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ :: সময়- ১ : ৫৮ অপরাহ্ন
Home / আলোচিত / অবরোধের পেট্রোলবোমায় কেড়ে নিলো একটি তাজা প্রাণ

অবরোধের পেট্রোলবোমায় কেড়ে নিলো একটি তাজা প্রাণ

RNP Medical Getইনজামাম-উল-হক নির্ণয়, নীলফামারী ২৬ জানুয়ারী ॥ বিশ্ব এজতেমা দ্বিতীয় পর্বে অংশ নেয়া শেষে আর নিজ বাড়ি ফেরা হলোনা আবদুল মালেকের।
লাগাতার অবরোধে দুর্বৃত্তদের ছোড়া পেট্রোলবোমায় দগ্ধ ট্রাকের যাত্রী নীলফামারী সদরের সহাদেব বড়গাছা বানিয়াপাড়ার আবদুল মালেক (৫৫) না ফেরার দেশের চলে গেলেন। ছয়দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ার পর সোমবার দুপুরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি মারা যান।
গত ২১ জানুয়ারী রাতে পেট্রোলবোমার আগুনে শ্বাসনালীসহ তার শরীরের বেশির ভাগ অংশ পুড়ে গিয়েছিল। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের প্রধান ডা. মারুফুল ইসলাম জানান, গত ২১ জানুয়ারি রাতে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছিল। পরে অবস্থার অবনতি হলে শনিবার তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) স্থানান্তরিত করা হয়। সোমবার দুপুরে সেখানে তিনি মারা যান।
এদিকে স্বামীকে হারিয়ে স্ত্রী মমতা বেগম আহাজারী করছেন। তিন ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে মালেকের। এরা হলো মাজেদা বেগম (২৮) আবদুল মোতালেব(২৬) আবদুল মতিন (২৩) আব্দুল হাকিম(২২) ও লিপি(১৪)। পিতার মৃত্যুর খবরে ছেলে মেয়েরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে বলেন বিএনপি জামায়াতের অবরোধ আজ আমাদের পিতার তাজা প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। আমরা এর বিচার চাই। অপর দিকে আবদুল মালেকের মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এলাকাবাসী এ ঘটনায় চরম ক্ষুদ্ধ হয়ে বিএনপি জামায়াত কে প্রতিরোধ করার ঘোষনা দিয়েছে।
রংপুর কোতয়ালী থানা পুলিশ জানায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন এবং লাশের ময়না তদন্ত শেষে আব্দুল মালেকের লাশ তার গ্রামের বাড়ি নীলফামারী পাঠানো হবে। পারিবারিক সুত্র মতে মঙ্গলবার বাদ আছর জানাজা শেষে গ্রামের কবর স্থানে পিতাকে দাফন করা হবে বলে জানায় আবদুল মালেকের বড়পুত্র আব্দুল মোতালেব।
আবদুল মালেক এলাকায় মালেক বানিয়া হিসাবে পরিচিত। জেলা সদরের লক্ষ্মীচাপ ইউনিয়নের সহাদেব বড়গাছা বানিয়াপাড়ার মৃত আন্নাছ আলীর পুত্র তিনি। বাড়ির কাছে রামগঞ্জ বাজারে মতিন জুয়েলার্স নামের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে মালেকের । তিনি বিশ্ব এজতেমার দ্বিতীয় পর্বে অংশ নিতে ঢাকার টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে গিয়েছিলেন। বিশ্ব এজতেমা শেষে নীলফামারী ফিরছিলের মালেক। ময়মনসিংহ থেকে মাল নিয়ে ট্রাক চালিয়ে ঠাকুরগাঁও যাচ্ছিলেন ঠাকুরগাঁও জেলার সিংগিয়া গ্রামের রফিকুল ইসলাম। পাশের সিটে ছিলেন আবদুল মালেক। তিনি ফিরছিলেন বিশ্ব এজতেমা থেকে। পথিমধ্যে রফিকের সঙ্গে দেখা হওয়ায় বাড়ির উদ্দেশে তার ট্রাকেই চেপে বসেন মালেক।
গত ২১ জানুয়ারী বুধবার রাত অনুমান সাড়ে ৯টায় চলন্ত ট্রাকটি যখন দিনাজপুর জেলার কাহারোল উপজেলার ভাঁদ-গাঁ ব্রিজ এলাকা অতিক্রম করছিল তখনি এক যুবক ট্রাকের উপর পেট্রোল বোমা ছুড়ে মারে। নিমিষেই আগুন ধরে গিয়েছিল ট্রাকে। স্থানীয় লোকজন সেখান থেকে তাদের উদ্ধার করে প্রথমে দিনাজপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে নিয়ে আসেন রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে। সেখানেই মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ার পর পৃথিবী থেকে না ফেরার দেশে চলে গেলেন আবদুল মালেক।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful