Templates by BIGtheme NET
আজ- মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২০ :: ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ :: সময়- ১১ : ২৮ অপরাহ্ন
Home / টপ নিউজ / খালেদার কার্যালয় ঘিরে উৎকণ্ঠা ও গুঞ্জন

খালেদার কার্যালয় ঘিরে উৎকণ্ঠা ও গুঞ্জন

Khaledaসালমান তারেক শাকিল: বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার গুলশান-২ এর ৮৬ নম্বর রোডের রাজনৈতিক কার্যালয়টি ঘিরে শনিবার সকাল থেকে নানা ধরনের গুঞ্জন ছড়াচ্ছে। সূর্য অস্ত যাওয়ার আগে থেকে এ গুঞ্জন এখন ভয় ও শঙ্কায় পরিণত হয়েছে।

একদিকে খালেদা জিয়াকে ‘কার্যালয়বন্দি’র পাশাপাশি তার সঙ্গে কার্যালয়ের ভেতরে অবস্থান করা নেতাকর্মী ও কর্মকর্তাদের গ্রেফতার করে তাকে ‘একা’ করার গুঞ্জন। অন্যদিকে দিনের শুরুতে বিএনপি ও মহিলা দলের কয়েকজন নেতাকর্মী আনাগোনা করলেও সন্ধ্যার আগেই তারা হয়েছেন হাওয়া। চলে যাওয়ার সময় এদের মধ্যে অন্তত ৬ জনকে আটক করা হয়েছে।

জানা গেছে, শনিবার প্রথম প্রহরেই খালেদা জিয়ার কার্যালয়ের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় ডেসকো। এরপর দুপুর নাগাদ তার কার্যালয়ের টেলিফোন, ইন্টারনেটসংযোগও বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চেয়ারপার্সনের মিডিয়া উইং সদস্য শামসুদ্দীন দিদার। এরপর দুপুর থেকেই ছড়িয়ে পড়ে, ‘আজ রাতেই গ্রেফতার হচ্ছে বা তাকে কার্যালয়ে একা করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের’। আজ শনিবার মধ্যরাতেই এ প্রক্রিয়া শুরু হবে বলেও গুঞ্জন শোনা গেছে। তবে এ বিষয়ে সরাসরি কেউ মন্তব্য করতে চাননি।

জানা গেছে, গত সপ্তাহে যাত্রাবাড়িতে গাড়িতে ৩২ জন অগ্নিদগ্ধ হওয়ার ঘটনায় গত শনিবার মধ্যরাতে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ তার কার্যালয়ে থাকা কয়েকজনসহ নেতাকর্মীদের নামে মামলা দেওয়া হয়। কর্মকর্তাদের মধ্যে খালেদার বিশেষ সহকারী অ্যাডভোকেট শিমুল বিশ্বাস, প্রেস সহকারী মারুফ কামাল খান, মিডিয়া উইংয়ের দুই সদস্য শায়রুল কবির খান এবং শামসুদ্দিন দিদার।

সূত্রমতে, খালেদা জিয়ার কার্যালয়ের বিদ্যুৎ, ইন্টারনেট, ক্যাবলসংযোগ বিচ্ছিন্ন করার ঘটনা তাকে কার্যালয়ে একা রাখা বা রাজধানীর একটি কঠোর নিরাপত্তাধীন হাসপাতালে নজরবন্দি রাখার জন্য প্রাথমিক পদক্ষেপ। যদিও গতকাল এক সমাবেশে সব সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার ঘোষণা দিয়েছিলেন নৌ পরিবহণ মন্ত্রী শাজাহান খান। এরপর আজ দুপুরে আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, সব সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হবে।

জানা গেছে, গত ২৬ দিন ধরে চলমান অবরোধ কর্মসূচি এবং অবরোধের মধ্যেই ঘোষিত হরতাল কর্মসূচির সিদ্ধান্ত গুলশান-২ এর রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে এককভাবেই নিচ্ছেন খালেদা জিয়া। এ কাজে সহায়তা করছেন তার ব্যক্তিগত ও গণমাধ্যম বিষয়ক কর্মকর্তারা। এমনকি খালেদার সিদ্ধান্ত সম্পর্কে গত কয়েকদিনে একেবারেই অন্ধকারে বিএনপিসহ ২০ দলীয় জোটের নেতারা। শনিবার মোবাইল নেটওয়ার্কও ঝামেলা করেছে সারা দিন। গ্রামীণ ফোনের নেটওয়ার্ক এ রিপোর্ট লেখার সময় পর্যন্ত অস্বাভাবিক ছিল।

২০ দলীয় জোটের লিয়াঁজো কমিটির একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, খালেদা জিয়াই চলমান কর্মসূচির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছেন। এ কারণে জোটের অন্য নেতারা এ রিপোর্ট লেখার সময় পর্যন্ত পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে অন্ধকারে।

জোটের সূত্রটির দাবি, খালেদা জিয়াকে অফিসবন্দি বা হাসপাতালে নজরবন্দি করার সব প্রক্রিয়াই সম্পন্ন বলে মনে করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে তাকে একা করা হলে পরবর্তী আন্দোলন কর্মসূচি নিয়ে দ্বিধাদন্দ্ব কাজ করবে।

জোটের এই সূত্রটির আশঙ্কা, খালেদাকে একা করা হলে পুরো আন্দোলনই মুখ থুবড়ে পড়তে পারে।

যদিও এসব বিষয়ে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইনাম আহমেদ চৌধুরী বলেন, ‘এখন পর্যন্ত কোনও কিছু পরিষ্কার নয়। দেখা যাক।’

জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ডা. রিদওয়ানুল্লাহ শাহেদি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আন্দোলনের সব কিছু নির্ভর করছে খালেদা জিয়ার সিদ্ধান্তের ওপর। আমরা এখন পর্যন্ত যেসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সেগুলো বাস্তবায়ন করব।’

এদিকে এ রিপোর্ট লেখার সময় বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন খালেদার কার্যালয়ে শক্তিশালী জেনারেটর দিয়ে আলো সরবরাহ করা হচ্ছে। কার্যালয়ের অভ্যন্তরে স্থাপিত জেনারেটরের জন্য দুপুরের দিকে দুই ড্রাম ডিজেল আনা হয়েছে। এছাড়া পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার সমূহ আশঙ্কার কারণে কয়েকটি খালি নীল রঙের ড্রাম ভেতরে নেওয়া হয়েছে অতিরিক্ত পানি রাখার জন্য। এ রিপোর্ট লেখার সময়, পুরো কার্যালয় এলাকায় এক ধরনের আতঙ্ক, ভয়, বিরাজ করছে। কি হচ্ছে বা হচ্ছে না এ নিয়ে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে চলছে আলোচনা।

উল্লেখ্য, আজ সারাদিন খালেদার কার্যালয়ে দেখা করতে আসেননি সিনিয়র কোনও নেতা। অন্যদিকে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে কার্যালয়ে যাওয়া ছয়জন আইনজীবীকে আটক করেছে পুলিশ। বাংলা ট্রিবিউন

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful