Templates by BIGtheme NET
আজ- বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২০ :: ১৬ আশ্বিন ১৪২৭ :: সময়- ১ : ৩৪ পুর্বাহ্ন
Home / টপ নিউজ / রংপুর বিভাগে ২০ হাজার হেক্টর জমিতে আমচাষ

রংপুর বিভাগে ২০ হাজার হেক্টর জমিতে আমচাষ

সেন্ট্রাল ডেস্ক: চলতি মৌসুমে রংপুর বিভাগের ৮ জেলায় আমের বাম্পার ফলনের আশা করছে কৃষি বিভাগ। গত বছরের তুলনায় এবার ৩ হাজার হেক্টর বেশি জমিতে আম চাষ হয়েছে। এই বিভাগের কৃষকদের বাগানগুলো আমের মুকুলে ছেয়ে গেছে। কৃষকরা তাদের কাঙ্ক্ষিত উৎপাদন ধরে রাখতে কৃষি বিভাগের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেছেন।

রংপুর আঞ্চলিক কৃষি সমপ্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, রংপুর বিভাগে গেল বছর ১৭ হাজার ২৪৪ হেক্টর জমিতে আম চাষ হয়েছে। এবার তা ২০ হাজার হেক্টর ছাড়িয়েছে। এছাড়াও বাড়ির আনাচে কানাচে আম গাছ রয়েছে যেগুলোর হিসাব নেই কৃষি বিভাগের কাছে। রংপুর আঞ্চলিক উদ্যান অফিস জানিয়েছে, এ বছর রংপুর জেলায় আম চাষ হয়েছে ২ হাজার ৯শ ৫০ হেক্টর জমিতে, গাইবান্ধা জেলায় ৪শ ৬০ হেক্টর, কুড়িগ্রাম জেলায় ৫৭৬ হেক্টর, লালমনিরহাট জেলায় ৫৭৫ হেক্টর, নীলফামারী জেলায় ৫৩০ হেক্টর, দিনাজপুর জেলায় ৭ হাজার ৬শ ৪৪ হেক্টর, ঠাকুরগাঁও জেলায় ৩ হাজার ৭৫৯ হেক্টর এবং পঞ্চগড় জেলায় ৫৫৪ হেক্টর জমিতে বাণিজ্যিকভাবে আম চাষ হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এ বিভাগে প্রায় ২০/২৫ প্রজাতির আমচাষ হয়। এর মধ্যে হাড়িভাঙ্গা, গোপালভোগ, ফজলি, ল্যাংড়া, আম্রপালি, আশ্বিনা, কালাপাহাড়ী, গুটি, মিষ্টিমধু, মধুচুষি, খিরশাপাতি উল্লেখযোগ্য।

রংপুরের বিভিন্ন এলাকা সরেজমিনে দেখা যায়, এবারে আমগাছগুলোতে মুকুল এসেছে বিপুল পরিমাণে। আম চাষিরা বলছেন, এবার অন্য যে কোন বছরের তুলনায় এ অঞ্চলে শীতের তীব্রতা ছিল বেশি। শীতের তীব্রতা কমার সাথে সাথে আম চাষের অনুকূলে এসে যায় আবহাওয়া। এর কারণে প্রচুর মুকুল এসেছে আম গাছগুলোতে। খুব অল্প সময়ে প্রায় সব আমগাছেই মুকুল এসেছে। আমের মুকুলের মৌ মৌ ঘ্রাণে ভরে উঠেছে এ অঞ্চল। আর কয়েকদিন পরেই এসব আমের মুকুল থেকে বের হবে থোকায় থোকায় আম। আম বাগান মালিক জানিয়েছেন, থোকায় থোকায় আম আসার পরেই শুরু হবে বিপত্তি। আমের সঙ্গে আসবে আমের পোকা। এসব পোকা দমন করা না গেলে আম পাওয়া যাবে না। এ জন্য এখন থেকে তারা কৃষি বিভাগের সহযোগিতা চাচ্ছেন। তা?রা আরও জানান, এসব পোকা দমন করা অনেকটাই কষ্টকর। তাছাড়া এসব আমের পোকা দমনে সঠিক কোনো পরামর্শ পাওয়া যায় না। বিষযটি কৃষি সমপ্রসারণ অধিদফতরের কর্মকর্তাদের কাছে গেলেও সুস্পষ্ট নির্দেশনাও দেয় না তারা। তবে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা এ অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন, তারা কৃষকদের আম গাছে রোগ বালাই দমনে পরামর্শ নিয়মিত দিয়ে যাচ্ছেন। প্রতিদিনই অনেক কৃষক এসে তাদের পরামর্শ নিয়ে যাচ্ছে। আমরাও মাঠ পর্যায়ে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছি মাঠে কৃষকদের নিয়ে কাজ করার জন্য।
আম বাগান মালিকরদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আমের পোকা একবার আমের ভেতরে প্রবেশ করলে তা দমন করা কষ্টকর ব্যাপার। কীটনাশক ব্যবহার করেও কোনো সুফল পাওয়া যায় না। এসব পোকা দমন করতে হলে আম আসার সঙ্গেই কীটনাশক ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু আম আসার সঙ্গে সঙ্গেই কীটনাশক ব্যবহার করলে আম ঝরে পড়ে যায়। এতে করে আমের ফলন পাওয়া যায় না। এ অবস্থায় কৃষি সমপ্রসারণ অধিদফতরের কর্মকর্তাদের সময়মতো মাঠে পাওয়া যায় না। রংপুরের বদরগঞ্জের আম বাগান ব্যবসায়ী সোলেমান আলী জানান, আম আসার পূর্বে এবং পরে আমে পোকা ও রোগবালাই আক্রমণ যাতে না করতে পারে সেজন্য কৃষি অফিসের কর্মকর্তাদের নিকট ধরনা দিতে হয়।
রংপুর উদ্যান বিশেষজ্ঞ খন্দকার মোহাম্মদ মেসবাহুল ইসলাম জানান, এবার আবহাওয়া অনুকূল থাকায় আমের ব্যাপক মুকুল এসেছে। সাধ্যমত কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছি। আশা করছি এবার ফলনও ভালো হবে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful