Templates by BIGtheme NET
আজ- রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২০ :: ৫ আশ্বিন ১৪২৭ :: সময়- ১০ : ১৩ পুর্বাহ্ন
Home / কুড়িগ্রাম / একটি কাঠের সেতু হাজার হাজার মানুষের যোগাযোগের সহায়ক

একটি কাঠের সেতু হাজার হাজার মানুষের যোগাযোগের সহায়ক

কচাকাটা,কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ একটি কাঠের সেতু মূল ভূখণ্ডের সাথে সংযোগ স্থাপন করেছে ৫ টি ইউনিয়নের নদী বিচ্ছিন্ন একটি বিশাল জনপদকে। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ নির্বিঘ্নে পারাপার করছে তাদের প্রয়োজনে।
কুড়িগ্রাম জেলার কচাকাটা থানার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া এক সময়ের প্রমত্তা নদী দুধকুমর নিজেকে বিলীন করে জন্ম দিয়েছে একটি জনপদের। জনপদটি কচাকাটা থানার বলদিয়া,কেদার ভূরুঙ্গামারী থানার আন্ধারীর ঝার, নাগেশ্বরী থানার রায়গঞ্জ ও বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের শামছুলের চর, চরসতিপুরি,চরবলদিয়া, চরহেলডাঙ্গা, সুবলপাড়ের চর, চর লুছনি, চর ধাউরারকুটি, নামারচর, গোদারচর সহ ছোট ছোট আরো অনেক চরের হাজার হাজার লোকের বসতি নিয়ে গঠিত।
জনপদটির পশ্চিম, উত্তর ও দক্ষিণ দিক দিয়ে এখনো প্রবাহিত হয় খরস্রোতা দুধকুমর নদী এবং পূর্ব দিক দিয়ে গোদার ছড়া নামক একটি ছোট নদী প্রবাহিত হয়ে দুধকুমর নদীর সাথে মিলিত হয়েছে ফলে কোন প্রকার সড়ক বা স্থল যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠেনি এ দ্বীপ জনপদের জন্য।
তাই জনপদের শুরু হতেই নিদারুণ কষ্টে যোগাযোগ রক্ষা করতে হয়েছে লোকজনদের। স্কুল পড়–য়া শিক্ষার্থী সহ কৃষক, ডাক্তার সবার একমাত্র ভরসা ছিলো কলা গাছ দিয়ে তৈরি ভেলা বা ছোট নৌকা। জনপদটি ১৯৯৪ সালে দু’একটি পরিবার দিয়ে শুরু হলেও পরবর্তী সময়ে বেড়ে চলছে জনবসতি। জন বসতি বাড়লেও তৈরি হয়নি যোগাযোগের রাস্তাঘাট, গড়ে উঠেনি কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তাই শিক্ষার্থীদের ঝুঁকির মধ্য দিয়ে নদী পার হয়ে নিকটস্থ সতিপুরি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়,বলদিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ মূলভূখন্ডে প্রতিষ্ঠিত মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় সমূহে প্রতিনিয়ত আসতে হয় যোগাযোগের মাধ্যম না থাকায় চিকিৎসা সেবার জন্যও পোহাতে হয় নানান জক্কিঝামেলা।
এহেন দুর্দশা নিরসনে এলাকার নেতৃস্থানীয় লোকদের কাছে ধর্না দিয়ে কোন সুফল না পেলেও এগিয়ে আসে বলদিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রভাষক মোখলেছুর রহমান। স্থানীয় লোকজনের পরামর্শে সকলের সুবিধার্থে তার ইউনিয়নের সতিপুরি মৌজায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের রাস্তার সাথে সংযোগ রেখে উক্ত ছড়ার উপর নিজ অর্থে নির্মাণ করে দেন একটি কাঠের সেতু যার দৈর্ঘ্য প্রায় ৩০ মিটার। কংক্রিটের থামে নির্মিত এ সেতুটি এখন হাজার হাজার মানুষের নিত্য দিনের যোগাযোগের সহায়ক।
উক্ত চরবাসী আব্দু হাকিম জানায়, এলাকায় কৃষি পণ্য ব্যাপক হারে উৎপাদিত হচ্ছে এবং সেতুটি হওয়ায় যোগাযোগ সহজ হয়েছে ফলে দাম ভাল পাওয়া যাচ্ছে। জাকির হোসেন জানায়, সেতুটি হওয়ায় চর প্রাণ ফিরে পেয়েছে এবং ছাত্র/ছাত্রীদের সুবিধা হয়েছে। পল্লি চিকিৎসক জহুরুল হক জানায়, সেতুটি থেকে একটি পরিপূর্ণ রাস্তা হলে আর দুঃখ থাকে না।শিক্ষক সাইফুর রহমান জানান এলাকার জনসংখ্যা দিন দিন বাড়ছে সাথে সাথে নিত্য দিনের প্রয়োজনও বাড়ছে সেতুটি বিরাট একটা জনপদকে সংযোগ দান করলেও দীর্ঘদিন স্থায়ী রাখা সম্ভব নয় কারণ ঝর,বৃষ্টি, রোদে কাঠ নষ্ট হয়ে যাবে তখন আবার আগের মতোই দূর্ভোগের সৃষ্টি হবে, তাই স্থায়ী ব্রিজ নির্মাণে সরকারের দৃষ্টি কামনা করে অবহেলিত এ জনপদের লোকজন।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful