Templates by BIGtheme NET
আজ- মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০ :: ১৪ আশ্বিন ১৪২৭ :: সময়- ৮ : ০৩ অপরাহ্ন
Home / দিনাজপুর / যে কারণে কথিত ফটো সাংবাদিক নুর ইসলামকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

যে কারণে কথিত ফটো সাংবাদিক নুর ইসলামকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

দিনাজপুর সংবাদদাতা: গত সোমবার দিনাজপুরের ফটো সাংবাদিক নুর ইসলাম (৩৩)কে গ্রেফতার করা হয়েছে জামায়াত-শিবিরের গোপন কর্মকান্ডের সাথে সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগে। শুধু তাই নয় বিভিন্ন সময়ে দিনাজপুরের মুন্সিপাড়াসহ বিভিন্নস্থানে শিবিরের সন্ত্রাসীদের যে তান্ডবলিলা চলেছে তার সাথে যুক্ত রয়েছে ফটো সাংবাদিক নামধারী নুর ইসলামের ইন্ধন। এ তথ্য পাওয়া গেছে কোতয়ালী থানা পুলিশের সূত্রে।

 পুলিশ জানায়, গত ২৮ জানুয়ারী শহরের মুন্সিপাড়াস্থ বুটিবাবুর মোড়ে পুলিশের ২টি পিকআপ ভ্যান ভাংচুর ও ১২ পুলিশ সদস্যকে জামায়াত-শিবির আহত করে। ওই হামলায় গুরুতর আহত হয় এসআই মামুন। তাকে পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। এই হামলার সাথে ফটো সাংবাদিক নুর ইসলাম সরাসরি জড়িত ছিল। সে শিবির কর্মীদের উস্কানি দেয় পুলিশের প্রতি হামলা চালাতে। এতে করে ছবি ভালো তোলা যাবে এবং ন্যাশনাল পত্রিকায় ভালো কাভারেজ আসবে বলে জানায় এবং তখনই শিবির কর্মীরা পুলিশের উপর লাঠি-সোটা নিয়ে বেপরোয়া হামলা চালায় ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। আকষ্মিক এই হামলায় পুলিশ বেকায়দায় পড়ে যায় এবং মার হজম করে পালিয়ে যেতে হয়।

ফটো সাংবাদিক নুর ইসলাম যেখানেই জামায়াতের মিছিল এবং জামায়াতের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড, সেখানেই তার সবচেয়ে আগে উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। সাম্প্রতিকালে জামায়াত-শিবিরের ঝটিকা মিছিলগুলো কখনো ফুলবাড়ী বাসষ্ট্যান্ড, কখনো হাউজিং মোড়, কখনো রেল বাজার, কখনো ছয় রাস্তার মোড়, কখনো সুইহারী, বটতলী, বাহাদুর বাজার, কাচারী ইত্যাদি জায়গায় বের হয়। এই মিছিলগুলো কখনো ভোর ৫ টায়, কখনো ৬ টায়, ৭ টায়, ৮ টায়, ১০ টায় বিভিন্ন সময়ে বের হয়। কিন্তু কখন কোথায় মিছিল হবে তা পুলিশ কিংবা গোয়েন্দা বিভাগ জানতে না পারলেও নুর ইসলাম জানতে পারতো। সে আগে থেকেই খবর পেয়ে সম্ভাব্য মিছিলের এলাকায় গিয়ে মিছিল শুরুর নির্ধারিত সময়ের আগেই পৌছে যেত। তার সাথে কখনো কখনো দিগন্ত টিভির আনিসুল হক জুয়েল, আরটিভির তাজিদুর রহমান মানিক প্রমুখকে দেখা যেত। পুলিশের ভাষ্যমতে নুর ইসলামের সাথে অন্য কয়েকজন সাংবাদিকের জামায়াতে ইসলামী অথবা ছাত্র শিবিরের গোপন সম্পর্ক রয়েছে। তারা মৌলবাদী ওই সংগঠনগুলোর কাছ থেকে মাসওয়ারা পায় এবং এই কারণে সাংবাদিকতার সাধারণ নিয়ম বাদ দিয়ে তারা জামায়াত-শিবিরের বেতন ভোগী সাংবাদিক হিসেবে জামায়াতের স্বার্থ রক্ষা করার জন্য কাজ করে থাকে। জামায়াতের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ হলে তারা এমনভাবে ছবি এডিটিং করে যে ছবিগুলোতে পুলিশকে মারমুখী দেখা যায় কিন্তু জামায়াত-শিবিরের তান্ডব অথবা মারমুখি অবস্থা থাকে না। এই ভাবে তারা পুলিশের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করতে এবং আন্তর্জাতিকভাবে পুলিশকে সন্ত্রাসী বাহিনী হিসেবে তুলে ধরার কাজে লিপ্ত ছিল। নুর ইসলামের কম্পিউটার ও সিডিতে পুলিশ বিরোধী ফুটেজ ছবি ইত্যাদি পাওয়া গেছে।

কোতয়ালী থানা সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, জামায়াত-শিবিরকে পুলিশের উপস্থিতি সংক্রান্ত তথ্য পাচার করতো ফটো সাংবাদিক নুর ইসলাম। পুলিশ আছে কি নেই এটা জেনেই জামায়াত-শিবির ঝটিকা মিছিলগুলো বের করতো। মিছিলের খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে যাচ্ছে কিনা সেই তথ্য নুর ইসলাম শিবিরের নেতাদেরকে মোবাইলে বলে দিত। এরফলে ঝটিকা মিছিল করেই তারা পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেত। আর কখনো যদি পুলিশ মিছিলের কাছাকাছি চলে আসতো তাহলে পূর্ব প্রস্তুতি নিয়ে তারা সরাসরি পুলিশের উপর হামলা চালাতো। কিন্তু নুর ইসলাম জামায়াত-শিবিরের হামলার ছবি না নিয়ে শুধুমাত্র পুলিশী এ্যাকশনের ছবিকেই হলুদ সাংবাদিকতার কাজে ব্যবহারের মাধ্যমে জামায়াত-শিবিরের কুমতলব হাসিলে সহযোগীতা করতো। এই কারণে তার বিরুদ্ধে পুলিশের উপর হামলা, ভাংচুর, জামায়াত-শিবিরকে তথ্য পাচারে সহায়তা করা ইত্যাদি অভিযোগ এনে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful