Templates by BIGtheme NET
আজ- বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০ :: ৯ আশ্বিন ১৪২৭ :: সময়- ৪ : ৫৭ পুর্বাহ্ন
Home / টপ নিউজ / মন্ত্রীর ঘোষনার পরও চালু হয়নি চিলাহাটি স্থলবন্দর

মন্ত্রীর ঘোষনার পরও চালু হয়নি চিলাহাটি স্থলবন্দর

আপেল বসুনীয়া,ডোমার প্রতিনিধি : মন্ত্রীর ঘোষনার পরও চালু হয়নি দুই যুগ ধরে বন্ধ থাকা নীলফামারী চিলাহাটি স্থলবন্দর। পূর্ণাঙ্গ রূপে চালু করার জন্য বারবার উদ্যোগ নেয়া হলেও এখন পর্যন্ত কোন পদক্ষেপই বাস্তবায়ন হয়নি।

বর্তমান সরকারের নৌপরিবহন মন্ত্রী শাহাজাহন খান চিলাহাটিতে এসে শুল্ক ষ্টেশনটি পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর রূপে বাস্তবায়নের আশ্বাস দিলে এখনো তা কার্যকর হয়নি। অন্যদিকে স্থলবন্দরের আধুনিকায়নে ২০৩ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হলেও ৮০ শতাংশ কাজ শেষ হওয়ার পর অর্থাভাবে বাকী কাজ ঝুলে আছে।

গত বছরের ১৩ জুন নৌপরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খান চিলাহাটি স্থলবন্দর পরিদর্শন করে এক সমাবেশে বলেন, স্থলবন্দরটি আবার চালুর জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে সরকার পার্বতীপুর রেলওয়ে জংশন থেকে চিলাহাটি স্থলবন্দর পর্যন্ত রেললাইন সংস্কারে ২০৩ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। চিলাহাটি স্থলবন্দর চালুর ব্যাপারে বর্তমান সরকার আন্তরিক। মহাজোট সরকার স্থলবন্দর স্থাপনে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষর প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে।

বন্দরটি চালু হলে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ,ভুটান, পাকিস্তান ও চীনের সঙ্গে বাণিজ্যিক যোগাযোগ বাড়বে। পাশাপাশি উত্তরাঞ্চলের হাজার হাজার আমদানি-রপ্তানিকারক ও শিল্প উদ্যোক্তা উত্তরা ইপিজেড ও দারোয়ানী টেক্সটাইল মিলে বিনিয়োগ এবং ব্যবসা বাণিজ্যে আগ্রহী হবেন। স্থলবন্দরটির নীলফামারী জেলার অর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ব্যাপক অবদান রাখবে । নীলফামারীতে স্থাপিত উত্তরা ইপিজেড,দারোয়ানী টেক্সটাইল মিল ও সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা শিল্পায়নের দ্রুত বিকাশসহ হাজার হাজার বেকার কর্মহীন মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। মন্ত্রী এ ঘোষনার পরও এখন পর্যন্ত চালু হয়নি চিলাহাটি স্থলবন্দর। স্থলবন্দরটি দ্রুত চালু দাবী জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রিজের সভাপতি আব্দুল ওয়াহেদ সরকার বলেন,চিলাহাটি স্থল বন্দর চালু হলে নীলফামারীসহ উত্তরাঞ্চলের চালচ্চিত্র অনেকাংশে বদলে যাবে এবং অনেক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

ডোমার উপজেলা বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক রকিব হোসেন রন বলেন, চিলাহাটি স্থলবন্দর চালু হলে পণ্য পরিবহন খরচ ও সময় সাশ্রয় হবে। এতে করে আমদানীকারক ও সরকার অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবেন। পাশাপাশি নতুন আমদানীকারক ও শিল্পদ্যোক্তা শিল্পকারখানা স্থাপনে এগিয়ে আসবেন।

স্থলবন্দরটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বাংলাদেশের ভূখণ্ডে ভারতের ছিটমহলের বাসিন্দাদের জমিজমা সংক্রান্ত কাজ, ব্যবসা-বাণিজ্য ও উন্নতমানের চিকিৎসা গ্রহণে প্রায় ১৫০ থেকে ২০০কিঃমিঃ পথ পাড়ি দিয়ে দিনাজপুরের হিলি,পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা ও লালমনিরহাটের বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে যেতে হয়। যাতায়াত ব্যবস্থার দুর্ভোগ লাঘবে শুধু বাংলাদেশ ও ভারত সরকার ১৯৯১ সালে দ্বিপক্ষিয় চুক্তি স্বাক্ষরে চিলাহাটি স্থলবন্দর শুল্ক ষ্টেশন ও ইমিগ্রেশন দফতর চালু হয়। কিন্তু কিছুদিন পরই এটা বন্ধ হয়ে যায়। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সহজ যাতায়াত ব্যবস্থা বন্ধ হওয়ায় চিলাহাটি স্থলবন্দর আবার চালুর দাবীতে উত্তরাঞ্চলের মানুষ আন্দোলন শুরু করে। পরে বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চিলাহাটি চালুর উদ্যোগ নেন। এর পর উত্তরাঞ্চলের ব্যবসায়ী মহলসহ সর্বস্তরের মানুষ আশার আলো দেখতে থাকে। কিন্তু এখন পর্যন্ত স্থলবন্দরটি চালু না হওয়ায় তারা হতাশা প্রকাশ করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, ১৯৩৭ সালে ব্রিটিশ সরকার জেলার ডোমার উপজেলার চিলাহাটি স্থলবন্দর চালু করে । সে সময় নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা ও নীল চাষের নানামুখী পদক্ষেপ বাস্তবায়নে একমাত্র যাতায়াতের সহজ পথ হিসাবে ব্যবহৃত হতো চিলাহাটি স্থলবন্দর । এক সময় উত্তরাঞ্চলের মানুষ চিলাহাটি স্থলবন্দরের রেলপথে ভারত,নেপাল,ভুটান,পাকিস্তান ও চীন পর্যন্ত করত। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের সময় স্থলবন্দরটি ভারত সরকার বন্ধ করে দেয়। এরপর ১৯৬৫ সালে স্থলবন্দরটি আরেকবার চালু করা হয়। কয়েক বছর চালানোর পর ১৯৮২ সালে ভারত সরকার আবার স্থলবন্দরটি বন্ধ করে দেয়।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful