Templates by BIGtheme NET
আজ- শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০ :: ১১ আশ্বিন ১৪২৭ :: সময়- ৬ : ১৯ অপরাহ্ন
Home / টপ নিউজ / অযত্ন‌ অবহেলায় রংপুর বিভাগের ৫ হাজার বধ্যভুমি

অযত্ন‌ অবহেলায় রংপুর বিভাগের ৫ হাজার বধ্যভুমি

সেন্ট্রাল ডেস্ক: রংপুর বিভাগের ৮টি জেলার ৫৮টি উপজেলায় ৫ হাজার বধ্যভুমি অযত্ন‌ অবহেলায় পরে আছে । অরক্ষিত এসব বধ্যভুমি সংরক্ষণ তেমন নেই বললেই চলে । বধ্যভুমি গুলো গরু ছাগল, হাটবাজার, খেলার মাঠ হিসেবে দীর্ঘ দিন থেকে ব্যাবহার হয়ে আসছে ।
মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সুত্রে জানা গেছে,  রংপুর জেলার সবচেয়ে বড় বধ্যভূমি হচ্ছে রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার রামনাথপুর ইউনিয়নের ঝড়ুয়ার বিল। সেখানে ১৯৭১ সালের ১৫ই এপ্রিল একসঙ্গে প্রায় ১ হাজার ৫০০ লোককে পাক সেনারা গুলি করে হত্যা করে।

কিন্তু আজও সেখানে কোন স্মৃতিস্তম্ভ নির্মিত হয়নি। এছাড়া রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের হাজিরহাট এলাকায় রংপুর বেতারের কাছে জাফরগঞ্জ ব্রিজে ‘৭১ সালের ১৪ এপ্রিল রংপুর শহরের ব্যবসায়ী অশ্বিনী ঘোষসহ ১৯ জনকে পাকসেনারা গুলি করে হত্যা করে। কিন্তু সেখানে আজো কোন স্মৃতিফলক নির্মিত হয়নি।

রংপুর কারমাইকেল কলেজের ৬ শিক্ষক হত্যারস্থানসহ জেলার শতাধিক বধ্যভুমির বেশিরভাগই অযত্ন-অবহেলায় পড়ে আছে। সেগুলোতে অবাধে গরু-ছাগল চড়ানো হচ্ছে। অরক্ষিত ওইসব বধ্যভুমি সংরক্ষনের দাবি জানিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধারা ২০০২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সেখানে একটি স্মৃতিফলক নির্মাণ করা হয়। বর্তমানে সেটি একেবারেই অযত্ন‌ অবহেলায় পড়ে আছে।

ওই স্মৃতিফলক এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে স্মৃতিফলকটির চারপাশে গাছের গুড়ি ফেলে রাখা হয়েছে। নেই কোন সীমানা প্রাচীর। যার কারণে সব সময়ই গরু ছাগল অবাধে প্রবেশ করছে । লোকজন মলমুত্রও সারছে সেখানে।
রংপুর টাউন হল এলাকা ছিল পাকিস্তানি বাহিনীর টর্চার সেল। ওইস্থানে রাজাকার আলবদর বাহিনীর সহায়তায় পাকসেনারা মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিকামী মানুষকে ধরে এনে কয়েকদিন নির্যাতন করে হত্যা করত। সেখানেও কোন স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করা হয়নি। বরং সেখানে আজ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও নাট্য সংগঠনের কার্যালয় গড়ে তোলা হয়েছে।

এছাড়া রংপুর সদরের রাজেন্দ্রপুর এলাকার বালারখাল, লাহিড়ীরহাট, কাউনিয়ার বল্ল‌ভবিসু, গঙ্গাচড়ার শংকরদহসহ বেশ কয়েকটি বধ্যভূমিতে কোন স্মৃতিফলকও নির্মাণ করা হয়নি।

প্রজন্ম ‘৭১ রংপুর জেলা কমিটির সভাপতি দেবদাস ঘোষ দেবু বলেন, আমার বাবাসহ অনেক মানুষকে পাকসেনারা ধরে নিয়ে হত্যা করেছে জফরগঞ্জ ব্রিজে। সে স্থানটিতে লেখা হয়নি কোন নাম ফলক বা তৈরি করা হয়নি স্মৃতিস্তম্ভ।

তিনি বলেন, শুধু তার বাবা নয়, এধারনের আরো অনেক জায়গা রয়েছে যা আরো সংরক্ষন করা হয়নি। ভবিষ্যত প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানানোর জন্য স্মৃতিস্তম্ভগুলো সংরক্ষন করা জরুরি বলে তিনি মনে করেন।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful