Templates by BIGtheme NET
আজ- শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২০ :: ১৭ আশ্বিন ১৪২৭ :: সময়- ৪ : ০০ পুর্বাহ্ন
Home / টপ নিউজ / সৈয়দপুরে খোলা আকাশের নীচে সরকারের শত কোটি টাকার সম্পদ

সৈয়দপুরে খোলা আকাশের নীচে সরকারের শত কোটি টাকার সম্পদ

ইনজামাম-উল-হক, নীলফামারী॥ নীলফামারী সৈয়দপুর জেলার বিভিন্ন সরকারী দপ্তরের একাধিক অচল যান ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম খোলা আকাশের নীচে পড়ে আছে। যুগের পর যুগ এভাবে পড়ে থাকায় মাটির সাথে মিশে যাচ্ছে এ সকল রাষ্ট্রীয় সম্পদ। স্ব-স্ব দপ্তর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সম্পদগুলো রক্ষার্থে নিলামের আবেদন করেও অনুমতি না মেলায় সরকার হারাতে বসেছে শত কোটি টাকারও বেশী সম্পদ।
সূত্রে জানা যায়, সৈয়দপুর পৌরসভার বিকল ৩টি ট্রাক্টর, ১টি ট্রাক, ১টি জীপ ও ১টি রোলার, ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন ৪টি ট্রান্সফরমার, সড়ক ও জনপথ বিভাগের ১টি রোলার ও ১টি জীপ, মাতৃ সদন হাসপাতালের ১টি এ্যাম্বুলেন্স, টেলিফোন বোর্ড অফিসের ১টি জীপ এবং বিমান কর্তৃপক্ষের ১টি পানি বাহি ট্রাক ব্যবহারের অনুপযোগী হওয়ায় পড়ে রয়েছে খোলা আকাশের নীচে। আর এভাবেই কার্যালয় চত্বরেই কেটে যায় যুগের পর যুগ। এ নিয়ে স্ব-স্ব কর্তৃপক্ষ তাঁদের অচল যানগুলোর সুষম ব্যবহার করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে নিলামের অনুমতি চেয়ে একাধিক বার আবেদন করেও কোন সাড়া পায়নি বলে অভিযোগ মিলে।

সৈয়দপুর পৌরসভার সচিব আশিষ কুমার জানান, আমাদের ৬টি ইকুপমেন্ট দীর্ঘ দুই যুগ ধরে পড়ে আছে মাটিতে। এতে যানবাহন গুলোর ছোট ছোট লোহা চুরি হয়ে যাচ্ছে। আবার খোলা আকাশের নিচে থাকায় মরিচা পড়ে এ গুলোর গুণাগুণ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি ধীরে ধীরে মাটিতেই মিশে যেতে বসেছে। এ সব রায় অচল গাড়ি গুলো নিলামে বিক্রয়ের অনুমতি চেয়ে গত বছর ১৭ আগস্ট স্থানীয় সরকার বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেও কোন নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। তাই চোখের সামনে এসব ধ্বংস হলেও করার কিছুই নেই বলে অভিযোগ করেন তিনি।

একই অভিযোগ করেন, মাতৃসদন হাসপাতাল, ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বিতরণ কেন্দ্র, পানি উন্নয়ন বোর্ড, সড়ক ও জনপদ বিভাগ, টেলিফোন বোর্ড ও বিমানবন্দরসহ সকল বিভাগের কর্তৃপক্ষ।
ওই সকল কার্যালয়ের সামনে আবার পেছনে আবর্জনাযুক্ত স্থানে খোলা আকাশের নীচে পড়ে আছে যানবাহন ও বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমারগুলো। অনেক গুলোর শুধুই চেসিস ও বডি ছাড়া সব কিছুই দিনে দিনে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সৈয়দপুর বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের দুর্ঘটনা এড়াতে পানিবাহি ট্রাকটি সংরক্ষিত এলাকায় থাকলেও দীর্ঘদিন থেকে পড়ে আছে অচল অবস্থায়। এমনি অবস্থা ডিজিটাল লাইন টেলিফোন বোর্ড অফিসেও। এ বিষয়ে কথা হয় ইকুপমেন্ট আমদানি-কারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স বিবিএস এন্টার প্রাইজের স্বত্বাধিকারী আহসান হাবিবের সাথে। তিনি জানান, নতুন অবস্থায় এসব ইকুপমেন্টের মূল্য কমপক্ষে প্রায় দুইশ কোটি টাকারও বেশী হবে। যদি নষ্ট হয়ে যায় তাহলে উন্নত লোহার কেজি দরে বিক্রি করলেও এসবের মূল্য একশ কোটি টাকারও বেশী মূল্য হতে পারে বলে জানান তিনি।
তাই মূল্যবান এসব যানবাহন ও বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার গুলোর সুষম ব্যবহার করতে এগুলো বিক্রয়ের সহজ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সরকারের এ সম্পদ রার জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপ নেয়া উচিত বলে তিনিসহ বিজ্ঞ-মহল মত প্রকাশ করেছেন।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful