Templates by BIGtheme NET
আজ- বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০ :: ৮ আশ্বিন ১৪২৭ :: সময়- ৫ : ৫০ পুর্বাহ্ন
Home / দিনাজপুর / দিনাজপুরে দ্রুত বিচার আইনের মামলায় ১ হাজার জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা

দিনাজপুরে দ্রুত বিচার আইনের মামলায় ১ হাজার জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা

দিনাজপুর প্রতিনিধি: দিনাজপুর জেলায় সরকারের বিরুদ্ধে নাশকতামূলক কর্মকান্ড, অগ্নিসংযোগ, যানবাহন ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর, ক্ষতিসাধন ও ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগে জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে দায়েরকৃত ১৮টি মামলায় প্রায় ১ হাজার আসামী পালিয়ে থাকলেও পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করতে পারছেন না। ফলে দ্রুত বিচার আইনে দায়েরকৃত মামলাগুলোর বিচার কাজ বিলম্বিত হচ্ছে।

দিনাজপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর এ্যাডঃ হামিদুল ইসলাম জানান, জেলায় সরকার বিরোধী কর্মকান্ড, যানবাহন ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ, ককটেল বিস্ফোরণ ও নাশকতামূলক ঘটনা সৃষ্টিকারী জামায়াত-শিবির ক্যাডারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রয়েছে। চলতি বছর এ পর্যন্ত জেলার ১৩টি থানার মধ্যে ১১টি থানায় দ্রুত বিচার আইনে দায়েরকৃত ১৮টি মামলা তদন্ত করে পুলিশ প্রায় দেড় হাজার জামায়াত-শিবির ক্যাডারের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র পেশ করেছে। এর মধ্যে ৫ শতাধিক আসামী আদালতে আত্মসমর্পন এবং
পুলিশ কর্তৃক ধৃত হয়ে আইনের আওতায় এসেছে। আসামীদের মধ্যে ২ শতাধিক জেল হাজতে আটক এবং ৩ শতাধিক জামিনে মুক্ত রয়েছে। তবে ১ হাজার জামায়াত-শিবির ক্যাডার আসামীর বিরুদ্ধে আদালত থেকে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করা হলে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করতে পারছে না। ফলে আইন শৃংখলা বিঘ্নকারী দ্রুত বিচার আইনের মামলাগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিস্পত্তি করা সম্ভব হচ্ছে না। মামলাগুলো পরিচালনার জন্য ২ জন এপিপি সার্বনিক নিয়োজিত রয়েছে।

দিনাজপুরের পুলিশ সুপার দেবদাস ভট্টাচার্য জানান, পালিয়ে থাকা জামায়াত-শিবির ক্যাডারদের গ্রেফতার করতে গিয়ে প্রায় সময়ই পুলিশ সদস্যদের সাথে জামায়াত-শিবির ক্যাডারদের ধাওয়া-পাল্টা-ধাওয়ার ঘটনা ঘটছে। জামায়াত-শিবির ক্যাডারেরা অপপ্রচার চালিয়ে গ্রামের নিরীহ জনসাধারণকে ভূল বুঝিয়ে পুলিশের উপর আক্রমণ চালাচ্ছে।

এধরনের ঘটনা ঘটেছে গত ২০ মার্চ ঘোড়াঘাট উপজেলার ডুগডুগি বাজারে, ৩১ মার্চ খানসামার পাকেরহাটে, ২ এপ্রিল চিরিরবন্দর উপজেলার রানীরবন্দরে এবং ৪ এপ্রিল বীরগঞ্জ উপজেলার সুজালপুর গ্রামে। এরপরেও পুলিশের সক্রিয় অভিযানটিম জামায়াত-শিবির ক্যাডারদের গ্রেফতার করতে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

নাম প্রকাশ না করা সত্বে পুলিশের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, পুলিশের সদস্যদের মধ্যেই জামায়াতের সক্রিয় সদস্য রয়েছে। অভিযানের খবর পুলিশের পক্ষ থেকেই জামায়াত-শিবিরকে জানিয়ে দেয়া হয়। বিশেষ করে পুলিশের বিশেষ শাখার সদস্যরা সক্রিয়ভাবে জামায়াত-শিবির ক্যাডারদের গ্রেফতার করতে গোপন খবর সরবরাহে ব্যর্থ হচ্ছে। দ্রুত বিচার আইনের মামলায় পুলিশ বিভিন্ন লোকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে আর্থিক সুবিধা নেয়ার একাধিক অভিযোগ পুলিশ সুপারের কাছে আসছে।

সূত্রটি জানায়, দ্রুত বিচার আইনে ফাইলবন্দি গ্রেফতারী পরোয়ানার মধ্যে খানসামা থানায় ১৫৫, চিরিরবন্দর থানায় ১৬৮, ঘোড়াঘাটে ৯৪, হাকিমপুরে ৪২, নবাবগঞ্জে ৪৭, বীরগঞ্জে ২০৮, বিরলে ৭৩, পার্বতীপুরে ৩৮, বিরামপুরে ৯৮, কাহারোলে ২৪, সদরে ৫৩টি তামিলের অপেক্ষায় রয়েছে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful