Templates by BIGtheme NET
আজ- মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২০ :: ৭ আশ্বিন ১৪২৭ :: সময়- ৬ : ২১ অপরাহ্ন
Home / আলোচিত / বেরোবিতে ইউজিসির স্থগিতাদেশ উপেক্ষা করে নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

বেরোবিতে ইউজিসির স্থগিতাদেশ উপেক্ষা করে নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

স্টাফ রিপোর্টার: বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) স্থগিতাদেশ উপেক্ষা করে প্রমাণিত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) দূর্নীতিবাজ উপাচার্য প্রফেসর ড. মু. আব্দুল জলিল মিয়ার নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিকেলে রংপুর স্থানীয় একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলন দুর্নীতি বিরোধী মঞ্চ।

লিখিত বক্তব্যে দুর্নীতি বিরোধী মঞ্চ আহবায়ক ড. হাফিজুর রহমান সেলিম বলেন ,রংপুরে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবী অর্ধশত বছরের। দীর্ঘ আন্দোলনের ফলে ২০০৯ সালে রংপুরে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় যাদের অগ্রণী ভূমিকা রয়েছে তাদের মধ্যে রংপুরের গণমাধ্যম কর্মীদের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয়।

আমরা অনেক স্বপ্ন আর সম্ভাবনার প্রতিষ্ঠান হিসেবে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যায়কে দেখতে চেয়েছিলাম; কিন্তু সেই স্বপ্নে গুড়েবালি। বর্তমান উপাচার্য প্রফেসর ড. মু আব্দুল জলিল মিয়া বিশ্ববিদ্যালয়কে এতটাই অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছেন যে, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ এখন অন্ধকারাচ্ছন্ন। ৫ জানুয়ারি ২০১৩ থেকে আমরা উপাচার্যের দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন করে আসছি।

বাংলাদেশে প্রায় সকল গণমাধ্যমে উপাচার্যের অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার সংবাদ প্রচারিত হয়েছে। উপাচার্যের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের ভিত্তিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন কর্র্তৃক গঠিত উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন তদন্ত টিম গত ২৩-২৪ জানুয়ারি ২০১৩ তারিখে সরেজমিন তদন্ত করে উত্থাপিত অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় গত ২৮/১/২০১৩ তারিখে প্রেরিত(স্মারক নং-ইউজিসি/প্রশাসন/পাব : বিশ্ব : /৫১১/২০১২/২৫৫৮ তারিখ : ২৮/০১/২০১৩) পত্রে সকল নিয়োগ স্থগিত করে।

কিন্তু উপাচার্য এই স্থগিতাদেশ উপেক্ষা করে ২৮/১/২০১৩ এর পূর্বের তারিখ(১-১০ জানুয়ারি ২০১৩) দেখিয়ে অননুমোদিত পদে প্রায় ৪শত বিপুল সংখ্যক কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ দিয়েছেন/দিচ্ছেন। এবং এর অংশ হিসেবে ২৯ মার্চ ২০১৩ তারিখে আহুত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়,রংপুর এর ৩০তম সিন্ডিকেট সভায় বিভিন্ন পদে নিয়োগ পর্যালোচনা, অনুমোদন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ সংক্রান্ত ৩ নং আলোচ্যসূচি গ্রহণ করেন, কিন্তু সিন্ডিকেটের একাধিক সদস্যের নোট অব ডিসেন্ট করার ফলে তা অনুমোদনে ব্যর্থ হন।

বিষয়টি ইউজিসির গোচরীভূত হলে কমিশন কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে মাননীয় সদস্য প্রফেসর ড.মোহাম্মদ মোহাব্বত খান স্বাক্ষরিত পত্রে (স্মারক নং-ইউজিসি/প্রশাসন/পাব : বিশ্ব : /৫১১/২০১২/২৫৫৮ তারিখ : ৩ এপ্রিল ২০১৩) স্থগিতাদেশের বিষয়টি উল্লেখ করে ২৮ জানুয়ারি ২০১৩ তারিখের পত্রের ব্যত্যয় ঘটিয়ে কোন ধরণের জনবল নিয়োগ প্রদান করলে উপাচার্যকেই হিসেবে আপনাকেই এ দায়দায়িত্ব বহন করতে হবে বলে উল্লেখ করেন ।
বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুমোদিত পদের সংখ্যা ২৬০ টি। গত মার্চ ২০১৩ মাসে বেতন-ভাতা প্রদান করা হয়েছে ৬১৮ জনকে অতিরিক্ত জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ৩৫৮ জনকে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৭৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন অননুমোদিত পদে নিয়োগকৃতদের বেতন-ভাতা প্রদন করে না।

২০১২-১৩ অর্থবছরে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের বার্ষিক বরাদ্দ হল ৫কোটি ৮০ লাখ টাকা মাত্র। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের ১৩ ধারা ৭ উপধারা অনুযায়ী যে খাতের টাকা সেই খাতে ব্যয় করার কথা বলা হলেও উপাচার্য আইন লঙ্ঘন করে শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে আদায়কৃত প্রায় সাত কোটি টাকা, বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন প্রকল্পের উন্নয়ন খাতের প্রায় ৫০ লাখ টাকা এবং শিক্ষক,কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের যে ভবিষ্য তহবিলের (জিপিএফ) প্রায় ৭৯ লাখ টাকা অননুমোদিত পদে নিয়োগকৃত জনবলের বেতন-ভাতা খাতে ব্যয় করেছেন।

শুধু তাই নয় বিশ্ববিদ্যালযের সেই টাকাও উপাচার্য বেতনখাতে ব্যয় করেছেন। আপনারা নিশ্চয়ই জানেন যে খাত অনুযায়ী ব্যাংকে হিসাব খোলা হয়। কিন্তু এ বিশ্ববিদ্যালয়ে সেটি করা হয়নি। এতদ্ব বিষয়ে গত ৪/৪/২০১৩ তারিখে ৯ম জাতীয় সংসদের শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ৩৩ তম বৈঠকে ৪ নং আলোচ্য সূচিভূক্ত ‘রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের অনিয়ম সম্পর্কে আনীত অভিযোগের বিষয়ে আলোচনা’ শেষে তাকে অপসারণসহ তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

উপাচার্য উল্লিখিত বিষয়সমূহের তোয়াক্কা না করে ৬/৪/১৩ তারিখে লোক প্রশাসন বিভাগে দুইজনকে প্রভাষক পদে যোগদান করিয়েছেন । এবং আগামী ১১,১২ এপ্রিল ২০১৩ তারিখে রসায়ন, ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান, পরিসংখ্যান, ফাইন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়িারিং, অর্থনীতি, সমাজবিজ্ঞান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ে ১২টি পদের তারিখ নির্ধারণ করেছেন।

আমরা আশংকা করছি এই নিয়োগের সংখ্যা ৫০ হতে পারে । আমরা আরো আশংকা করি যে, এ সকল নিয়োগে বিপুল পরিমাণ অর্থ লেনদেন হয়ে থাকতে পারে । ইউজিসি’র স্থগিতাদেশ উপেক্ষা করে উপাচার্য প্রফেসর ড. মু আব্দুল জলিল মিয়া’র এ হীন প্রচেষ্টা দূরভিসন্ধিমূলক, আইনগত কর্তৃত্ববর্হিভূত ও সরকারের যথাযথ কর্তৃপক্ষের নির্দেশনার প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন বলে আমরা মনে করি।

উপাচার্য যাতে করে তার বিদায়লগ্নে এই গর্হিত কাজটি করে যেতে না পারেন সেজন্য আমরা সরকারের সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful