Templates by BIGtheme NET
আজ- শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০ :: ১১ আশ্বিন ১৪২৭ :: সময়- ৪ : ৩৭ পুর্বাহ্ন
Home / আলোচিত / রংপুরে আড়াই কোটি টাকা ব্যয়ে বেনারসি পল্লী হচ্ছে

রংপুরে আড়াই কোটি টাকা ব্যয়ে বেনারসি পল্লী হচ্ছে

 স্টাফ রিপোর্টার: রংপুরে ২ কোটি ৩৭ লাখ ৭২ হাজার টাকা ব্যয়ে বেনারসি পল্লীগড়ে তোলার কার্যক্রম শুর হয়েছে। বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সংস্থা (বিসিক) রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় দু’বছর মেয়াদি এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
বিসিক সূত্র জানায়, রংপুরে বেনারসি প্রকল্পের আওতায় সরকার গঙ্গাচড়া উপজেলার তালুক হাবু এলাকার ৬৭টি তাঁতি পরিবারকে আগামী দু’বছর তাঁতের জন্য বিনামূল্যে শেড নির্মাণ, কাঁচামাল সংগ্রহের জন্য স্বল্প সুদে ঋণ প্রদান, ডিজাইন, উৎপাদন, বিপণনসহ বিভিন্ন প্রশিক্ষণ প্রদান করবে তাঁতিদের।

বিসিক কর্মকর্তারা জানান, গঙ্গাচড়া উপজেলার গজঘন্টা ইউনিয়নের তালুক হাবু গ্রামের ৬৭টি তাঁতি পরিবার দীর্ঘদিন ধরে বিচ্ছিন্নভাবে এখানে বেনারসি শাড়ি তৈরি করে আসছিল। কিন্তু তাদের উৎপাদিত শাড়ি বাজারজাত করা, ক্রেতার চাহিদা আকর্ষণের জন্য নতুন ডিজাইন সংগ্রহ, কাঁচামালসহ অন্যান্য উপকরণ সংগ্রহের সমস্যার কারণে তাদের এ পেশায় টিকে থাকা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে।

এমনকি এসব তাঁতি পরিবারের অধিকাংশ তাঁত ইতোমধ্যে পুঁজি এবং বিপণনের অভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। এসব সম্ভাবনাময় তাঁতকে আবার জাগিয়ে তুলে কর্ম সংস্থান এবং উৎপাদনে নিয়ে যাবার জন্য সরকার এই প্রকল্প গ্রহণ করেছে।

বেনারসি পল্লীর প্রকল্প পরিচালক এবং বিসিক রংপুর জেলার উপ-ব্যবস্থাপক শংকর কুমার দাশ জানান তাঁতিদের সুদবিহীন নগদ অর্থ সহায়তা, তাদের উৎপাদন কারখানা হিসাবে তাঁতের ঘরসহ অবকাঠামো নির্মাণ, উৎপাদিত বেনারসি শাড়ির প্রদর্শনী ও বিক্রয়ের ব্যবস্থাসহ সার্বিক উন্নয়ন ও উৎপাদন সহযোগিতার মাধ্যমে বেনারসি পলী প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে সরকার ২ কোটি ৩৭ লাখ ৭২ হাজার টাকার একটি প্যাকেজ প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন করছে।

শংকর দাশ আরও জানান সরকার রংপুরে বেনারসি প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রকল্প গ্রহণ করে এসব তাঁতি পরিবারের মাধ্যমে বেনারসি শাড়ি উৎপাদন ও বিপণনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিচ্ছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, স্থানীয়ভাবে এসব তাঁতি পরিবার দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের বসতভিটায় তাঁত শিল্প গড়ে তোলায় এবং তাঁত বোনার পেশায় নিয়োজিত থাকার কারণে আগামী দু’বছরের মধ্যে এই প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়ন সম্ভব হবে।

অনুমোদিত প্রকল্পের বাইরেও কিছু লজিস্টিক সাপোর্ট স্থানীয়ভাবে প্রকল্পভুক্ত তাঁতিরাই যোগান দেবেন। বিসিক কর্মকর্তা বলেন, প্রকল্প পরিকল্পনা অনুযায়ী ৬৭টি পরিবারের মধ্যে সমন্ব‌য় করে ৪০টি ৬৮০ বর্গফুটের তাঁত বসানো শেড নির্মাণ করে দেয়া হবে। এসব শেডের সম্পূর্ণ নির্মাণ ব্যয় প্রকল্প খাত থেকে বহন করা হবে।

এছাড়াও প্রত্যেক তাঁতির মধ্যে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত স্বল্পসুদে উৎপাদন ঋণ বিতরণ করে আর্থিক সহায়তাও দেয়া হবে। তাদের উৎপাদন প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখার জন্য প্রকল্পের অধীনে সূতা ও ডিজাইন সরবরাহসহ সার্বিক সহযোগিতা এই প্রকল্প থেকে দেয়া হবে। উৎপাদিত বেনারসি শাড়ি বিক্রয় ও প্রদর্শনের জন্য রংপুরে ২১ লাখ টাকা ব্যয়ে এবং ঢাকায় ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে দু’টি প্রদর্শনী কেন্দ্র করা হবে বলে তিনি জানান।

বেনারসি প্রকল্পকে এই অঞ্চলে জনপ্রিয় করে তোলার জন্য ২০ জন করে ৮টি গ্রুপে বিভক্ত করে প্রত্যেক গ্রুপকে মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। এদেরকে বেনারসির নতুন এবং যুগোপযোগী ডিজাইন তৈরি, উন্নতমানের সুতা ব্যবহার, রুচিশীল বেনারসি উৎপাদন এবং বিপণনের বিভিন্ন কৌশল সম্পর্কে দেশের বিভিন্ন ডিজাইনার, বিপণন ব্যবস্থাপকরা প্রশিক্ষণ দেবেন।

প্রশিক্ষণকালীন প্রশিনার্থীদের প্রকল্পের নিয়মানুযায়ী ভাতা দেয়া হবে বলে শংকর দাশ জানান। তালুক হাবু গ্রামের তাঁতি আফজাল হোসেন জানান, তার পরিবারের ৩৬টি তাঁত থাকলেও কাঁচামালের পুঁজি যোগান এবং মার্কেটিং এর অভাবে অধিকাংশ তাঁত অলস পড়ে রয়েছে। সরকার নতুন করে এ অঞ্চলে বেনারসি পল্লী প্রকল্প গ্রহণ করায় তারা আবার জেগে উঠার স্বপ্ন দেখছে। তিনি আবার নতুন করে তাঁতগুলোর সংস্কারে হাত দিয়েছেন।

তিনি বলেন, এখানকার তাঁতিরা এতদিন মিরপুর বেনারসি পল্লী থেকে সুতা ও ডিজাইন এনে অনিয়মিতভাবে বেনারসি শাড়ি তৈরি করেছেন। এখন থেকে তাদের এসব উৎপাদন এবং বিক্রয় সহযোগিতা প্রকল্পের মাধ্যমে দেয়া হবে। এতে ৬৭টি তাঁতি পরিবার নিশ্চিন্তে তাদের উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবে।

বেশ কয়েক বছর বিদেশে চাকরি করে দেশে ফিরে আসা যুবক এস এম রফিকুল আলম মুন্না জানান- তিনি ইতোমধ্যে উন্নত এবং রপ্তানিযোগ্য বেনারসি উৎপাদনের জন্য উন্নত প্রযুক্তির তাঁত প্রতিস্থাপন, দক্ষ কারিগর দিয়ে শাড়ি প্রস্তুত, এবং বিপণনের উদ্যোগ নিয়েছেন।
তাঁতির মধ্যে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত স্বল্পসুদে উৎপাদন ঋণ বিতরণ করে আর্থিক সহায়তাও দেয়া হবে। তাদের উৎপাদন প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখার জন্য প্রকল্পের অধীনে সূতা ও ডিজাইন সরবরাহসহ সার্বিক সহযোগিতা এই প্রকল্প থেকে দেয়া হবে। উৎপাদিত বেনারসি শাড়ি বিক্রয় ও প্রদর্শনের জন্য রংপুরে ২১ লাখ টাকা ব্যয়ে এবং ঢাকায় ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে দু’টি প্রদর্শনী কেন্দ্র করা হবে বলে তিনি জানান।

বেনারসি প্রকল্পকে এই অঞ্চলে জনপ্রিয় করে তোলার জন্য ২০ জন করে ৮টি গ্রুপে বিভক্ত করে প্রত্যেক গ্রুপকে মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। এদেরকে বেনারসির নতুন এবং যুগোপযোগী ডিজাইন তৈরি, উন্নতমানের সুতা ব্যবহার, রুচিশীল বেনারসি উৎপাদন এবং বিপণনের বিভিন্ন কৌশল সম্পর্কে দেশের বিভিন্ন ডিজাইনার, বিপণন ব্যবস্থাপকরা প্রশিক্ষণ দেবেন।

প্রশিক্ষণকালীন প্রশিনার্থীদের প্রকল্পের নিয়মানুযায়ী ভাতা দেয়া হবে বলে শংকর দাশ জানান। তালুক হাবু গ্রামের তাঁতি আফজাল হোসেন জানান, তার পরিবারের ৩৬টি তাঁত থাকলেও কাঁচামালের পুঁজি যোগান এবং মার্কেটিং এর অভাবে অধিকাংশ তাঁত অলস পড়ে রয়েছে। সরকার নতুন করে এ অঞ্চলে বেনারসি পল্লী প্রকল্প গ্রহণ করায় তারা আবার জেগে উঠার স্বপ্ন দেখছে। তিনি আবার নতুন করে তাঁতগুলোর সংস্কারে হাত দিয়েছেন।

তিনি বলেন, এখানকার তাঁতিরা এতদিন মিরপুর বেনারসি পল্লী থেকে সুতা ও ডিজাইন এনে অনিয়মিতভাবে বেনারসি শাড়ি তৈরি করেছেন। এখন থেকে তাদের এসব উৎপাদন এবং বিক্রয় সহযোগিতা প্রকল্পের মাধ্যমে দেয়া হবে। এতে ৬৭টি তাঁতি পরিবার নিশ্চিন্তে তাদের উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবে।

বেশ কয়েক বছর বিদেশে চাকরি করে দেশে ফিরে আসা যুবক এস এম রফিকুল আলম মুন্না জানান- তিনি ইতোমধ্যে উন্নত এবং রপ্তানিযোগ্য বেনারসি উৎপাদনের জন্য উন্নত প্রযুক্তির তাঁত প্রতিস্থাপন, দক্ষ কারিগর দিয়ে শাড়ি প্রস্তুত, এবং বিপণনের উদ্যোগ নিয়েছেন।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful