Templates by BIGtheme NET
আজ- রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০ :: ১২ আশ্বিন ১৪২৭ :: সময়- ৭ : ০৪ অপরাহ্ন
Home / ঠাঁকুরগাও / ১৭ এপ্রিল ঠাকুরগাঁও গণহত্যা দিবস

১৭ এপ্রিল ঠাকুরগাঁও গণহত্যা দিবস

ঠাকুরগাঁও, প্রতিনিধি: ১৭ এপ্রিল ঠাকুরগাঁও গণহত্যা দিবস। একাত্তরের ১৭ এপ্রিল ঠাকুগাঁও সদর উপজেলার শুখানপুখুরী ইউনিয়নের জাঠিভাঙ্গা ও পীরগঞ্জ উপজেলার ভাতারমারি এলাকায় প্রায় ৩ হাজার নারী-পুরুষ ও শিশু-কিশোরকে নির্মমভাবে হত্যা করে পাকবাহিনী। স্বাধীনতার ৪২ বছর পেরিয়ে গেলেও শহীদদের স্বজনদের খোঁজ রাখেনি কেউ। এমনও কি  এই দিনটি পালনেও নেই কোন উদ্যোগ।

 মুক্তিযুদ্ধে পাকবাহিনী ও স্থানীয় দোসররা ছায়া ঢাকা সবুজ প্রান্তরের জেলা ঠাকুরগাঁয় নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ চালায়। হানাদারদের কবল থেকে সদর উপজেলার জগন্নাথপুর, চকহলদি, গৌরীপুর, মিলনপুর, সিংগিয়া ও খামারভোপলাসহ ৮-১০টি গ্রামের নিরস্ত্র মানুষ প্রানবাঁচাতে ভারত যাচ্ছিল। কিন্তু সন্ধ্যা নামলে ১৬ এপ্রিল শুখানপুথুরীর জাটিভাঙা এলাকায় তারা রাত যাপন করে।  এ খবর পেয়ে স্থানীয় রাজাকাররা হানাদারদের খবর দেয়। পরদিন ১৭ এপ্রিল সকালে হানাদাররা আশ্রিত লোকজনদের আটক করে। পড়ে নারীদের ছেড়ে দিলেও পুরুষদের  পাথরাজ নদী তীরে নিয়ে যায়। সেখানে তাদের দাঁড় করিয়ে ব্রাশ ফায়ারে হত্যা করে। ওই দিন সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত তারা  হত্যাযজ্ঞ চালায়।

 এদিকে একই দিনে দুপুরে জেলার পীরগঞ্জ উপজেলা শহরে পাক-হানাদার বাহিনী ১৭ টি সাঁজোয়া গাড়ি নিয়ে ঢুকে পরে। তারা স্বাধীনতা সংগ্রাম পরিষদের অফিসে আগুন লাগিয়ে দেয়। এরপর শহরের বাড়িঘরে আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়। হানাদাররা পীরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডা. সুজা উদ্দীন, পীরগঞ্জ কলেজের অধ্যক্ষ গোলাম মোস্তফাসহ ৬ নেতাকে ধরে নিয়ে যায় ভাতারমারি এলাকায়। সেখানে তাদের হাত-পা বেঁধে বেয়োনেট দিয়ে খুচিয়ে হত্যা করে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful