Templates by BIGtheme NET
আজ- শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০ :: ১১ আশ্বিন ১৪২৭ :: সময়- ১ : ৫১ পুর্বাহ্ন
Home / টপ নিউজ / বেরোবিতে ব্যাপক সংঘর্ষ: শিক্ষকদের উপর হামলা; অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা

বেরোবিতে ব্যাপক সংঘর্ষ: শিক্ষকদের উপর হামলা; অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা

ফরহাদুজ্জামান ফারুক, স্টাফ রিপোর্টার: রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে দফায় দফায় পুলিশের লাঠিচার্জ ও রাবার বুলেটে পাঁচ শিক্ষক, ছয় কর্মকর্তাসহ কমপক্ষে ৫০ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। এ ঘটনার প্রতিবাদে দুই সদস্য সিন্ডিকেট সভা বয়কট করেছেন। শিক্ষার্থীরা রংপুর-কুড়িগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কর্তৃপক্ষ ক্যাম্পাসের একাডেমিক কার্যকম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে।
এদিকে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা ভিসির অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত  অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে।
ভিসি ড. আবদুল জলিল মিয়ার নিয়োগবাণিজ্য, আত্মীয়করণসহ বিভিন্ন দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন করার খেসারত হিসেবে চার শিক্ষক ও দুই কর্মকর্তাকে সাময়িক বহিষ্কারের জের ধরে শনিবার সকাল থেকে অচল হয়ে পড়েছে রংপুর রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়।
সকাল থেকেই শিক্ষক বরখাস্তের প্রতিবাদে এবং ভিসির অপসারণ দাবিতে দুর্নীতিবিরোধী মঞ্চের ব্যানারে শিক্ষক-শিক্ষার্থী-কর্মচারীরা ভিসির বাংলো ঘেরাও করে রাখেন। এ সময় সেখানে সিন্ডিকেট সভা চলছিল। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ভিসির বাংলোর গেট, দরজায় ইটপাটকেল দিয়ে ভাঙচুর চালানোর চেষ্টা করেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। তারা ভিসির বিরুদ্ধে জুতা মিছিলও করেন। পুলিশ লাঠিচার্জ ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে বাংলোটি নিজেদের দখলে নেয়।
এরপর বিক্ষোভকারীরা একত্রিত হয়ে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করতে থাকেন। মিছিল থেকে প্রশাসনিক ভবনের উদ্দেশে টপাটকেল ছোড়েন শিক্ষার্থীরা। এ সময়ে মৌসুমী নামের এক শিক্ষার্থীকে পুলিশ পেটায়। এ ঘটনায় আরো উত্তপ্ত হয়ে ওঠেন বিক্ষোভকারীরা। তারা একাডেমিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন।
খবর পয়ে ক্যাম্পাসের প্রধান গেট দিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তারা মিছিল নিয়ে প্রবেশ করতে থাকেন। এ সময় পুলিশ তাদের পরিচয় জানতে চায়। এনিয়ে কথাকাটাকির এক পর্যায়ে পুলিশ সেখানে দ্বিতীয় দফায় বেধড়ক লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে।
এতে পরিংখ্যান বিভাগের সহকারী শিক্ষক আশরাফুল আলম, অ্যাকাউন্টিং বিভাগের শিক্ষক আপেল মাহমুদ, ওমর ফারুক ও শাহিনুর রহমান, বাংলা বিভাগের তুহিন ওয়াদুদ, পরিমল চন্দ্র,  সেকশন অফিসার শামসুল হকসহ ছয়জন এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে রাব্বী, আসাদ, সাইদ, শাহীন, ইমন, মৌসুমী, রিম্মি,  সুমাইয়া, সোহান, পিয়াল, রেজাসহ কমপক্ষে ৫০ জন আহত হন।
আহতদের মধ্যে শিক্ষার্থী সায়মা ও গৌর বুলেটবিদ্ধ হয়েছেন বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
বেলা সোয়া একটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের চেয়ারম্যান ইলিয়াস প্রামাণিককে পুলিশ বেধড়ক পেটালে আবারো উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে রংপুর-কুড়িগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হামলার প্রতিবাদে সিন্ডিকেট সদস্য প্রফেসর ড. শরিফা সালওয়া ডিনা এবং ফরিদুল ইসলাম সিন্ডিকেট সভা বয়কট করে ভিসির বাংলো থেকে বেরিয়ে আসেন। তারা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
ভিসির পক্ষ নিয়ে ভিসিপন্থী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেছেন। তাদের বিক্ষোভ থেকে পুলিশ ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী রাজীবকে একটি গ্রেনেডসহ আটক করে।
এ ঘটনার পর জরুরি বৈঠকে দুপুর দুটায় ক্যাম্পাসের একাডেমিক কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী মোবাইল ফোনে জানান, একাডেমিক কাউন্সিলের বৈঠকের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাইদুল হক জানান, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে আছে।
পুলিশের সার্কেল এএসপি রাশিদুল ইসলাম জানান, বিক্ষোভকারীরা ভাঙচুর করলে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতেই লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে।
উল্লেখ্য এর আগেও আন্দোলনের মুখে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful