Templates by BIGtheme NET
আজ- রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০ :: ১২ আশ্বিন ১৪২৭ :: সময়- ৮ : ৩১ অপরাহ্ন
Home / রকমারি / যে মানুষরা মানুষের রক্ত খায়!

যে মানুষরা মানুষের রক্ত খায়!

photo-1445612247 বিশ্বের কিছু মানুষ নিয়মিত মানুষেরই রক্ত পান করে। তবে এই ‘আধুনিক ভ্যাম্পায়ার’দের অধিকাংশের মধ্যেই ‘ড্রাকুলা’, রক্তচোষা দানব বা এমন কোনো আধিভৌতিক বিশ্বাস নেই। তাদের দাবি, ক্লান্তি, মাথাব্যথা ও পেটের পীড়া দূর করতেই চিকিৎসার অংশ হিসেবে নিয়মিত রক্ত পান করা হয় এবং এমন চিকিৎসা পদ্ধতি বহুদিন ধরেই চলে আসছে। আবার রক্ত মানুষের দৈহিক ও মানসিক শক্তি ছড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যম বলে বিশ্বাস করে অনেকেই। আর বিশ্বের প্রায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ শহরেই আছে ‘ভ্যাম্পায়ার সমাজ’।

বিবিসির প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, রক্তপানকারী মানুষের সংখ্যা নেহাত কম নয়। শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই কয়েক হাজার মানুষ নিয়মিত মানুষের রক্ত পান করে। এই আধুনিক যুগেও মানুষের রক্ত পান কিছু মানুষের মধ্যে প্রচলিত হওয়ার বিষয়টি রহস্যজনক বলেই মনে করে অনেকে।

যুক্তরাষ্ট্রের ইডাহো ইউনিভার্সিটির গবেষক ডি জে উইলিয়ামসের মতে, মানুষের রক্তপানের কথা শুনলেই বিষয়টি ভয়ংকর বলে মনে হয়। সাধারণভাবে ভয়ংকর কোনো অপরাধী বা প্রাচীন কোনো ধর্মবিশ্বাসী বলে মনে করা হয়। প্রকৃতপক্ষে, ১৫০০ শতাব্দীতেও মানুষের রক্তকে বিভিন্ন রোগের ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হতো। আগে ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের সর্বোচ্চ ধর্মগুরু পোপের চিকিৎসায়ও মানুষের রক্ত ব্যবহার হয়েছে। এক পোপের চিকিৎসার জন্য রক্ত জোগাড় করতে তাঁর চিকিৎসক তো তিন যুবককে প্রায় মেরেই ফেলেছিলেন। ওই চিকিৎসক তিন যুবকের রক্ত থেকে তাঁদের জীবনীশক্তিও পোপের শরীরের মধ্যে দিতে চেয়েছিলেন।

যুক্তরাজ্যের ডারহ্যাম ইউনিভার্সিটির গবেষক বিচার্ড সাগ বলেন, রক্ত মানুষের দৈহিক ও মানসিক শক্তি ছড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যম বলে বিশ্বাস করে অনেকেই। তিনি বলেন, বিশ্বের প্রায় প্রতিটি শহরেই ‘ভ্যাম্পায়ার সমাজ’ আছে, তবে অনেক ক্ষেত্রেই তা লোকচক্ষুর আড়ালে থেকে যায়। সাধারণত এই সমাজের ব্যক্তিরা এক স্থানে একত্রিত হয় ও রক্ত পান করে। তিনি আরো বলেন, ‘ভ্যাম্পায়ার সমাজে’র ব্যক্তিরা বিশ্বাস করে, স্বাস্থ্যবান তরুণের রক্ত পান করলে তাদের মধ্যেও রক্তদাতার মানসিক ও শারীরিক শক্তি ছড়িয়ে যাবে। ১৮০০ ও ১৯০০ শতাব্দীতেও এমন সমাজ ছিল।

বিবিসির প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, ভ্যাম্পায়ার সমাজের ব্যক্তিরা সমাজের বিভিন্ন স্তর থেকে এসেছে। স্বাভাবিক মানুষের মতোই তারা চাকরি করে এবং স্ত্রী ও সন্তান নিয়ে পরিবারও আছে। এমনকি তারা ধর্মও পালন করে।

গবেষকরা বলেন, ইন্টারনেটের যুগের পূর্বে ভ্যাম্পায়ারদের ছোট সমাজ ছিল। তবে এখন শক্তিশালী ওয়েবপেজের মাধ্যমে তারা সংগঠিত হয়েছে। প্রায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ শহরেই ছোট আকারে হলেও ভ্যাম্পায়ার সমাজ আছে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful